সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: নদী ভাঙনের জেরে অণ্ডাল থানার শ্রীরামপুরের পুরনো দু’টি শ্মশানঘাট তলিয়ে যেতে বসেছে। দামোদরের পাড় ভাঙতে ভাঙতে ওই দুই শ্মশানঘাটের কাছে এসে পৌঁছেছে। কংক্রিটের ছাউনি থেকে শ্মশানের পরিকাঠামোর অস্তিত্ব সঙ্কটে রয়েছে বলে দাবি এলাকার বাসিন্দাদের। এলাকাবাসীর দাবি, ভাঙন রোধ করতে নদের পাড় বাঁধাতে হবে। তা না হলে কয়েক বছরের মধ্যেই নদের গর্ভে চলে যাবে গ্রামের পুরনো দু’টি শ্মশানঘাট। অভিযোগ, প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও সুরাহা হচ্ছে না। ব্লক প্রশাসনের দাবি, নদের পাড় বাঁধানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর সহ ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের জানানো হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রীরামপুর পঞ্চায়েত এলাকা কৃষিপ্রধান। ওই এলাকায় একটি শ্মশানঘাট রয়েছে। কুটিরডাঙা এলাকায় আরও একটি শ্মশানঘাট রয়েছে। আগে দু’টি শ্মশানঘাটই দামোদর নদের থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে ছিল। প্রায় ১২ বছর আগে নদের ভাঙন শুরু হয়। কয়েক বছর আগেই নদের গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে গ্রাম ঘেঁষে বইতে থাকে। শ্মশানঘাটের জমিও নদের গর্ভে তলিয়ে যায়। এখন দু’টি শ্মশানঘাট তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা অখিল মণ্ডল বলেন, নদে ভাঙনের কারণে আমরা আতঙ্কে রয়েছি। দু’টি শ্মশানঘাট তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শ্মশান দু’টি রক্ষা ও এই গ্রামের অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে পাড় বাঁধানোর কাজ শুরু করতে হবে। আমরা প্রায় তিন বছর ধরে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে আসছি। এলাকার বাসিন্দা বিকাশ মিত্র বলেন, ভাঙনে এলাকার বহু মানুষের জমি নদের গর্ভে চলে গিয়েছে। শ্মশান দু’টিও তলিয়ে যেতে বসেছে। বর্ষাকালে নদের জল উপচে গ্রামে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। আমরা পঞ্চায়েত ও বিডিও সহ বিভিন্ন মহলে জানিয়েছি। আশা করি পাড় বাঁধানোর ব্যাপারে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।
পঞ্চায়েত প্রধান জগৎপতি বাউরি বলেন, শ্মশান সহ গ্রাম রক্ষা করতে পাড় বাঁধানো প্রয়োজন। আর চার-পাঁচ বছর পর হয়তো গ্রামটি নদের গর্ভে চলে যাবে। তবে নদের পাড় বাঁধানোর মতো টাকা পঞ্চায়েতের নেই। আমরা ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছি। অণ্ডালের বিডিও দেবাঞ্জন দত্ত বলেন, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরে জানিয়েছি। এছাড়াও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অখিল মণ্ডল বলেন, নদে ভাঙনের কারণে আমরা আতঙ্কে রয়েছি। দু’টি শ্মশানঘাট তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শ্মশান দু’টি রক্ষা ও এই গ্রামের অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে পাড় বাঁধানোর কাজ শুরু করতে হবে। আমরা প্রায় তিন বছর ধরে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে আসছি। এলাকার বাসিন্দা বিকাশ মিত্র বলেন, ভাঙনে এলাকার বহু মানুষের জমি নদের গর্ভে চলে গিয়েছে। শ্মশান দু’টিও তলিয়ে যেতে বসেছে। বর্ষাকালে নদের জল উপচে গ্রামে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। আমরা পঞ্চায়েত ও বিডিও সহ বিভিন্ন মহলে জানিয়েছি। আশা করি পাড় বাঁধানোর ব্যাপারে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।
পঞ্চায়েত প্রধান জগৎপতি বাউরি বলেন, শ্মশান সহ গ্রাম রক্ষা করতে পাড় বাঁধানো প্রয়োজন। আর চার-পাঁচ বছর পর হয়তো গ্রামটি নদের গর্ভে চলে যাবে। তবে নদের পাড় বাঁধানোর মতো টাকা পঞ্চায়েতের নেই। আমরা ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছি। অণ্ডালের বিডিও দেবাঞ্জন দত্ত বলেন, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরে জানিয়েছি। এছাড়াও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।



