সাংবাদদাতা,দুর্গাপুর: অণ্ডাল থানার খান্দরা পঞ্চায়েত এলাকায় সর্বসাধারণের ব্যবহারের একটি কুয়ো ধসে তলিয়ে গেল। এঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ওই কুয়োর জল এলাকার একমাত্র পানীয় জলের উৎস ছিল। তাঁরা অবিলম্বে পানীয় জলের বিকল্প ব্যবস্থা করার দাবি তুলেছেন। পঞ্চায়েতের তরফে তাড়াতাড়ি জলের সমস্যা মেটানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
ওই পঞ্চায়েতের সিদুলি বিনপাড়ায় শনিবার রাতে এঘটনা ঘটে। ওই পাড়ার বাসিন্দারা এই কুয়োর জলই পানীয় হিসেবে ও নিত্যদিনের কাজে ব্যবহার করতেন। কংক্রিটের বাঁধানো বিশালাকার কুয়োটি ধসে পড়ায় তাঁরা সমস্যায় পড়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা সমর ভূঁইয়া বলেন, কয়লা খনি অঞ্চল হওয়ায় এখানে জলের সঙ্কট দীর্ঘদিনের। কলের জল মেলে না। যে সরকারি কুয়োটি ধসে পড়েছে, সেটির জলই আমরা ব্যবহার করতাম। ৭০বছরের পুরনো ওই কুয়োর জল খুব ভালো ছিল। কয়েকবছর আগে পঞ্চায়েত পাশেই আরও একটি কুয়ো তৈরি করেছে। কিন্তু সেটির জল ব্যবহারের অযোগ্য।
প্রায় একমাস আগেই ওই পঞ্চায়েতের মুকুন্দপুরে আরও একটি সরকারি কুয়ো ধসের কবলে পড়ে। পাণ্ডবেশ্বর এলাকায় গত মাসে এক গৃহস্থের বাড়ির কুয়োও ধসে নষ্ট হয়েছে। খনি অঞ্চলে প্রতি বছর বর্ষায় বাড়ির মেঝে, রাস্তায় প্রায়শই ধসের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইসিএল কর্তৃপক্ষ ভূগর্ভস্থ কয়লা তোলার পর ফাঁকা জায়গায় ঠিকমতো বালি ভরাট করে না। ফলে মাটি আলগা হয়ে থাকে। সেকারণেই একের পর এক ধসে ক্ষয়ক্ষতি, এমনকী, প্রাণহানিও হয়।
খান্দরা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আশিস ভট্টাচার্য বলেন, কয়লা খনি অঞ্চল হওয়ায় কুয়ো ধসে যাচ্ছে। বিনপাড়া ইসিএলের এলাকা। তাই সেখানে পানীয় জলের সুব্যবস্থা করা যায়নি। যে কুয়োটি ধসে তলিয়ে গিয়েছে, সেটাও ইসিএলের ছিল। আমরা একটি বিকল্প কুয়ো তৈরি করেছিলাম। আপাতত ওই কুয়োর জল শোধন করে দেওয়া হবে। ওই এলাকায় ‘জলস্বপ্ন’ প্রকল্পে বাড়ি বাড়ি পাইপলাইনের মাধ্যমে জল দেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা সমর ভূঁইয়া বলেন, কয়লা খনি অঞ্চল হওয়ায় এখানে জলের সঙ্কট দীর্ঘদিনের। কলের জল মেলে না। যে সরকারি কুয়োটি ধসে পড়েছে, সেটির জলই আমরা ব্যবহার করতাম। ৭০বছরের পুরনো ওই কুয়োর জল খুব ভালো ছিল। কয়েকবছর আগে পঞ্চায়েত পাশেই আরও একটি কুয়ো তৈরি করেছে। কিন্তু সেটির জল ব্যবহারের অযোগ্য।
প্রায় একমাস আগেই ওই পঞ্চায়েতের মুকুন্দপুরে আরও একটি সরকারি কুয়ো ধসের কবলে পড়ে। পাণ্ডবেশ্বর এলাকায় গত মাসে এক গৃহস্থের বাড়ির কুয়োও ধসে নষ্ট হয়েছে। খনি অঞ্চলে প্রতি বছর বর্ষায় বাড়ির মেঝে, রাস্তায় প্রায়শই ধসের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ইসিএল কর্তৃপক্ষ ভূগর্ভস্থ কয়লা তোলার পর ফাঁকা জায়গায় ঠিকমতো বালি ভরাট করে না। ফলে মাটি আলগা হয়ে থাকে। সেকারণেই একের পর এক ধসে ক্ষয়ক্ষতি, এমনকী, প্রাণহানিও হয়।
খান্দরা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আশিস ভট্টাচার্য বলেন, কয়লা খনি অঞ্চল হওয়ায় কুয়ো ধসে যাচ্ছে। বিনপাড়া ইসিএলের এলাকা। তাই সেখানে পানীয় জলের সুব্যবস্থা করা যায়নি। যে কুয়োটি ধসে তলিয়ে গিয়েছে, সেটাও ইসিএলের ছিল। আমরা একটি বিকল্প কুয়ো তৈরি করেছিলাম। আপাতত ওই কুয়োর জল শোধন করে দেওয়া হবে। ওই এলাকায় ‘জলস্বপ্ন’ প্রকল্পে বাড়ি বাড়ি পাইপলাইনের মাধ্যমে জল দেওয়া হবে।



