নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভিন রাজ্য থেকে বড় রুই, কাতলা আমদানি করার প্রবণতা কমাতে উদ্যোগী মৎস্যদপ্তর। এই সাইজের মাছ উৎপাদনে নিজেরাই যাতে স্বনির্ভর হয়ে উঠতে পারে তার জন্যই এবারে বড় মাছ চাষের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। বর্তমানে পুকুর বা ছোট জলাশয়ে গড়ে ৫০০-৭০০ গ্রামের মাছ বেশি চাষ হয়। তাই এবারে দেড় কেজি ওজোনের মাছ উৎপাদনের দিকে নজর দিতে চাইছে সরকার। ইতিমধ্যে এই নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জেলায় জেলায় পাঠিয়ে দিয়েছে দপ্তর।
Advertisement
এই মাছ চাষের উপভোক্তা বাছাইয়ের কাজ করবে পঞ্চায়েতগুলি। তবে যাদের মৎস্যজীবী রেজিস্ট্রেশন কার্ড থাকবে না তাঁদের নেওয়া যাবে না। দপ্তরের নয়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, সব জেলায় প্রতি হেক্টর বড় জলাশয়ে ১৪ মাস ধরে লালন-পালন করা হবে রুই কাতলাদের। দেড় কেজি বা তার বেশি ওজন হলেই সংশ্লিষ্ট মৎসজীবী সেই মাছ তুলে বিক্রি করতে পারবেন। দপ্তর মাছের খাবারের খরচ দেবে বলে ঠিক করেছে। তবে দেড় কেজি ওজনের কম মাছ তুলে নিলে ওই টাকা দেওয়া হবে না। এই বিষয়টির উপর নজর রাখবেন জেলা মৎস্য আধিকারিকরা। প্রতি হেক্টরে সাড়ে ১৩ হাজার কেজি মাছ উৎপাদনই মূল লক্ষ্য রাজ্যের।
দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, রাজ্যে আপাতত ৪৩০ হেক্টর জলাশয়ে এই বড় মাছ চাষ হবে। একজন ব্যক্তি এক হেক্টর জলাশয়ে মাছ চাষ করতে পারবেন। তবে সমবায়ের জন্য সেটা তিন হেক্টর। বাজারে বড় মাছের যোগান যাতে বাড়ে সেইদিকেও নজর রাখা হবে। জেলাভিত্তিক তথ্য বলছে, পূর্ব মেদিনীপুরে (৬০ হেক্টর) সর্বাধিক জলাশয়ে এই মাছ চাষ হবে। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনায় ৪৫ এবং কোচবিহার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদহ ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় ৩০ হেক্টর করে জলাশয় চিহ্নিত করা হয়েছে।
দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, রাজ্যে আপাতত ৪৩০ হেক্টর জলাশয়ে এই বড় মাছ চাষ হবে। একজন ব্যক্তি এক হেক্টর জলাশয়ে মাছ চাষ করতে পারবেন। তবে সমবায়ের জন্য সেটা তিন হেক্টর। বাজারে বড় মাছের যোগান যাতে বাড়ে সেইদিকেও নজর রাখা হবে। জেলাভিত্তিক তথ্য বলছে, পূর্ব মেদিনীপুরে (৬০ হেক্টর) সর্বাধিক জলাশয়ে এই মাছ চাষ হবে। এছাড়া উত্তর ২৪ পরগনায় ৪৫ এবং কোচবিহার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মালদহ ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় ৩০ হেক্টর করে জলাশয় চিহ্নিত করা হয়েছে।



