নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: অনুব্রত মণ্ডল বড়ঞা বিধানসভার দায়িত্ব পেতেই তেড়েফুঁড়ে ময়দানে নামলেন তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ১৩ মাসের বেশি জেলবন্দি থাকার পর জামিন পেয়ে এলাকায় ফিরে জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করলেও, দলের ভিতরেই তাঁর গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। দলের অনেক নেতাই তাঁর সংস্রব এড়িয়ে চলছিলেন। তবে নেতাজি ইন্ডোরের দলীয় সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী অনুব্রতকে বড়ঞা বিধানসভা দেখভালের নির্দেশ দেন। তারপরই অনুব্রত ঘনিষ্ঠ এই বিধায়কের সক্রিয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছি। সোমবার বড়ঞার শাবলদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের আন্দির বাসিন্দাদের ভোটার কার্ড স্ক্রুটিনি করেছেন তিনি। তাঁর অনুগামীদের উৎসাহের সঙ্গে এই কাজে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে। তবে বিধায়ক মানুষের বাড়িতে যাওয়ায় দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে দাবি করছে দলেরই একাংশ। তৃণমূল বিধায়ক এদিন বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পর আমরা মাঠে নেমেছি। মোবাইলে যখন এপিক কার্ড নম্বর দিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে মানুষজন উৎসাহের সঙ্গে তা দেখছেন। নিজেরাই এটা চেক করতে পারায় সকলেই খুশি। এই এলাকায় ভুয়ো ভোটার হয়তো পাব না। তবে সব জায়গায় মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করার বাড়তি সুযোগ মিলেছে।
Advertisement
যদিও বিধায়কের বাড়ি বাড়ি যাওয়াকে মানুষ ভালোভাবে নিচ্ছে না বলেই দাবি তুলেছে শাসকদলের অন্য নেতারা। এই নিয়ে দলেরই অন্দরে চাপানউতোর চলছে। অপরদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা মাহে আলমও এদিন সদলবলে ভোটার কার্ড স্ক্রুটিনি করতে বড়ঞার দক্ষিণ শাবলপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বাড়ি বাড়ি যান। তিনি বলেন, অ্যাপ্লিকেশন ডাউন লোড করে ভোটার কার্ডের তালিকা আমরা মিলিয়ে দেখলাম। সেই সঙ্গে রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি মানুষ পাচ্ছে কিনা, তা নিয়েও কথা বলা হয়েছে। এইভাবে যে মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ হয়েছে, এটা খুবই ভালো ব্যাপার।



