Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অবসরের দিন ঘোড়ায় চেপে স্কুলে শিক্ষক

শিক্ষকতার চাকরি জীবন থেকে অবসর গ্রহণের দিনটি স্মরণীয় করে রাখা হল। এজন্য ময়নাগুড়ির রোড হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করে।

অবসরের দিন ঘোড়ায় চেপে স্কুলে শিক্ষক
  • ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০২
Prefer us on Google

সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: শিক্ষকতার চাকরি জীবন থেকে অবসর গ্রহণের দিনটি স্মরণীয় করে রাখা হল। এজন্য ময়নাগুড়ির রোড হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করে। শনিবার স্কুলের শারীরশিক্ষার শিক্ষক দীপঙ্কর রায় তাঁর চাকরি জীবন থেকে অবসর নেন। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা একত্রিত হয়ে তাঁকে ময়নাগুড়ি রোড ফ্লাইওভার থেকে ঘোড়ায় চাপিয়ে স্কুল চত্বরে নিয়ে আসে। পুষ্প বৃষ্টির মধ্য দিয়ে স্কুলের এনসিসি ইউনিট তাঁকে স্বাগত জানায়। এনসিসি ব্যান্ড দীপঙ্করবাবুকে স্কুলে নিয়ে আসে। পাশাপাশি স্কুল কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করে। কাঁসার থালায় খোদাই করা মানপত্র তুলে দেওয়া হয় দীপঙ্করস্যারের হাতে। শিক্ষক-শিক্ষিকারা দীপঙ্করবাবুর কাজের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। বর্তমান ও প্রাক্তন পড়ুয়ারা তাঁদের প্রিয় স্যার দীপঙ্কর রায়কে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি কিছু উপহারও তাঁর হাতে তুলে দেন।

Advertisement

অনুষ্ঠান মঞ্চে উঠে শিক্ষক দীপঙ্কর রায় বলেন, চাকরি জীবনে স্কুলের মাঠে আমি সময় দিয়েছি। অবসর নিলেও মাঠে সেভাবেই সময় দেব। পাশাপাশি আগামী দিনে স্কুলে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র করা হলে দায়িত্ব নেব।

দীপঙ্করস্যার ময়নাগুড়ি রোড হাইস্কুলে খেলাধুলোর মানোন্নয়নে প্রচুর কাজ করেছেন। তিনি স্কুলের পড়ুয়াদের নিয়ে গড়েছেন হকি টিম। সেই টিম রাজ্য স্তরের খেলায় সফলতা পেয়েছে। মহিলাদের ফুটবল টিমও তৈরি করেন। সেই ফুটবল টিম স্থানীয় স্তরে সাফল্য অর্জন করেছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক শুভময় ঘোষ বলেন, দীপঙ্করবাবু মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা। তিনি চাকরি সূত্রে জলপাইগুড়ি জেলায় আসেন। রোড হাইস্কুলে চাকরি জীবন শুরু করেন। এই স্কুল থেকেই অবসর নিলেন। তাঁর অবসর গ্রহণের দিনটি যেন স্মরণীয় করে রাখা যায়, তারজন্য জলপাইগুড়ি থেকে সাদা ঘোড়া নিয়ে আসি আমরা।

স্কুলের শিক্ষিকা সঞ্চারী ভৌমিক, অরণ্য চক্রবর্তী, সত্যনারায়ণ হাজরা প্রমুখ দীপঙ্করবাবুর কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তাঁরা জানান, দীপঙ্করস্যারের অবদান আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ