সংবাদদাতা, বোলপুর: রবিবার ৯১বছরে পা দিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। জন্মদিন উপলক্ষ্যে বর্ষীয়ান অর্থনীতিবিদকে শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন থেকে শান্তিনিকেতনে তাঁর পরিবারের জন্য মিষ্টি ও উপহার পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। সেই উপহার ‘প্রতীচী’ বাড়ির সদস্য ও পারিবারিক বন্ধুদের হাতে তুলে দেন বীরভূম জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক অরিত্র চক্রবর্তী। এদিন জন্মদিন উপলক্ষ্যে শান্তিনিকেতনে তাঁর বাসভবনে ঘরোয়াভাবে নোবেলজয়ীর জন্মদিনের সভা করা হয়।
Advertisement
উল্লেখ্য, ১৯৩৩ সালের ৩ নভেম্বর শান্তিনিকেতনে জন্মগ্রহণ করেন অমর্ত্যবাবু। এত যশ, খ্যাতি পেলেও কখনোই শান্তিনিকেতনকে ভোলেননি। বয়সজনিত কারণে অসুস্থ হলেও সুযোগ পেলেই পৈতৃক বাড়িতে সময় কাটিয়ে যান। রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে প্রতি বছর নিয়ম করে নোবেলজয়ীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছাবার্তা ও উপহার পাঠান মুখ্যমন্ত্রী। এদিন দুপুরে অমর্ত্যবাবুর পরিবারের সদস্য ও পারিবারিক বন্ধু গীতিকণ্ঠ মজুমদারের হাতে উপহার, মিষ্টির প্যাকেট ও পুষ্পস্তবক তুলে দেন তথ্য ও সংস্কৃতিক আধিকারিক অরিত্র চক্রবর্তী। নোবেলজয়ীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে বিকেলে প্রতীচী প্রাঙ্গণে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শ্রীনিকেতন-শান্তিনিকেতন উন্নয়ন পর্ষদ ও গীতিকন্ঠবাবু যৌথভাবে এই আয়োজন করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কারামন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ, প্রবীণ আশ্রমিক কল্পিকা মুখোপাধ্যায়, অমর্ত্য সেনের আইনজীবী সৌমেন্দু রায়চৌধুরী সহ অন্যান্যরা। উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন বোলপুর পুরসভার চেয়ারম্যান পর্ণা ঘোষ। মন্ত্রী বলেন, অমর্ত্য সেন বাঙালি তথা দেশের গর্ব। জমি নিয়ে বিশ্বভারতীর সঙ্গে বিবাদের সময় মুখ্যমন্ত্রী সর্বতোভাবে তাঁর পাশে ছিলেন। আমরাও আন্দোলনে শামিল হয়েছিলাম। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। ওঁর সুস্থ জীবন ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।



