নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: গুজরাতের হাটকেশ্বর মহাদেব মন্দির গড়ে উঠেছে বহরমপুরের পুরাতন কান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। মণ্ডপসজ্জার কাজ শেষলগ্নে। চট, কাপড় ও প্লাস্টার অব প্যারিসের উপর রং দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে মণ্ডপ। তার উপরে থাকবে রঙিন আলোর খেলা। এই মণ্ডপ দেখতে গোটা জেলা থেকে মানুষ আসবেন বলেই আশাবাদী পুজো উদ্যোক্তারা। এবার পুরাতন কান্দি বাসস্ট্যান্ড দুর্গাপুজো বাজার কমিটির পুজো ৪৮ বছরে পড়ল।
পুজোর উদ্যোক্তা ভীষ্মদেব কর্মকার বলেন, প্রতিবছরই আমাদের পুজোয় বাড়তি চমক থাকে। এবারও আছে। পুজোর আয়োজনে মোট ৩০ লক্ষ টাকা খরচ হচ্ছে। পুজোয় কোনও থার্মোকল ব্যবহার হয়নি। পরিবেশ বান্ধব জিনিস দিয়েই মণ্ডপ সাজিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। এখানকার সমস্ত মানুষ পুজোয় অংশ নেন। তাঁদের কথা ভেবে এবার আমাদের পুজো উদ্বোধনে আসছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়।
বুধবার সন্ধ্যায় বিকেলে পুজোর মণ্ডপে গিয়ে দেখা যায় শিল্পীরা একনাগাড়ে কাজ করছেন। মণ্ডপের বাইরের রংয়ের কাজ প্রায় শেষ। আলোকসজ্জার কাজ চলছে। বহরমপুর থেকে লালবাগগামী গঙ্গার ধারে রাস্তার পাশেই যেহেতু এই পুজোর মণ্ডপ, তাই রাস্তা থেকে বেশ কিছুটা নেমে মণ্ডপে প্রবেশ করতে হয় দর্শনার্থীদের। একসঙ্গে হাজার হাজার মানুষ প্রবেশ করতে পারে। তারপরেও দীর্ঘ লাইন পড়ে যায়। দর্শনার্থীদের যাতে সমস্যা না হয় সেজন্য রাস্তায় কাঠের পাটাতন দিয়ে সাটারিংয়ের কাজ চলছে। পুরাতন কান্দি এলাকার ব্যবসায়ীরা বলেন, বহরমপুরের নামকরা পুজো গুলির মধ্যে আমাদের এই পুজো অন্যতম। পুজোর পাঁচ দিনে কয়েক লক্ষ মানুষের সমাগম হয়। এখানকার অধিকাংশ ব্যবসায়ী এই পুজোর সঙ্গে জড়িত। সকলে নির্বিঘ্নে যাতে মণ্ডপ দর্শন করতে পারেন সেজন্য রাস্তায় অনেক স্বেচ্ছাসেবক থাকবে। যানজট এড়াতে পুলিশের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবকরাও নজর রাখবেন।