সংবাদদাতা, কাটোয়া: দেশের সবচেয়ে বড় অক্ষরধাম মন্দির দেখতে হলে আপনাকে কাটোয়ার কার্তিক পুজোয় আসতেই হবে। অক্ষরধাম মন্দিরের আদলেই কাটোয়ার ঝঙ্কার ক্লাব এবারে তাদের পুজোর মণ্ডপ গড়ে তুলেছে। কাটোয়ার লোক উৎসব কার্তিকপুজো ঘিরে শহরজুড়ে সাজো সাজো রব।
Advertisement
কাটোয়ার জনকল্যাণ সঙ্ঘ এবারে তারা মণ্ডপ সাজিয়েছে বাংলার হস্তশিল্প দিয়ে। মাদুর, বেতের ঝুড়ি এসব দিয়ে মণ্ডপ সাজানো হয়েছে। বেতের বোনা জিনিসপত্র এখন হারিয়ে যাচ্ছে। মাদুর আর বেশির ভাগ বাড়িতেই দেখা যায় না। জনকল্যাণ সঙ্ঘের সম্পাদক সঞ্জয় সাহা বলেন, আমাদের এবারে বাজেট ৮ লক্ষ টাকা। আমরা বাংলার হস্তশিল্পকে তুলে ধরতে মাদুর ইত্যাদি দিয়ে মণ্ডপ সাজিয়েছি। অন্যদিকে কাটোয়ার ঝঙ্কার ক্লাব এবারে তাদের মণ্ডপ সাজিয়েছে দিল্লির অক্ষরধাম মন্দিরের আদলে। ফাইবার দিয়ে মন্দিরের সূক্ষ্ম কারুকার্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। দর্শনার্থীরা শুক্রবার থেকেই সেই মণ্ডপ দেখতে পারবেন। ঝঙ্কার ক্লাবের সম্পাদক কালী চট্টোরাজ বলেন, এবারে আমাদের বাজেট ৩০ লক্ষ টাকা। অক্ষরধাম মন্দিরের আদলে মণ্ডপ সাজিয়ে তুলেছি। পাশাপাশি বিদ্যাসাগর সঙ্ঘও এবারে কাল্পনিক মন্দিরের আদলে মণ্ডপ গড়ে তুলেছে। তাদের বাজেট ৫ লক্ষ টাকা।
শনিবার কাটোয়ার কার্তিক পুজো। রবিবার শহরে শোভাযাত্রা ঘুরবে। প্রতিটি পুজো মণ্ডপে শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে। আলোর রোশনাই আর থিমের মণ্ডপে সেজে উঠেছে কাটোয়া শহর।
কাটোয়ার কার্তিক লড়াইকে ঘিরে এখন চূড়ান্ত ব্যস্ততা শহরজুড়ে। ভাগীরথীর তীরবর্তী পুরানো শহর কাটোয়ায় বহুবছর ধরে কার্তিক পুজো করে আসছেন বাসিন্দারা। কার্তিক লড়াই শহরের মূল উৎসব। অভিনব থিমের মণ্ডপ, চন্দননগরের আলোর কেরামতি যেন কাটোয়াকে রূপকথার দেশ করে তোলে। পাশাপাশি পূর্বস্থলীতেও এখন বড় বড় মণ্ডপগুলিতে প্রস্তুতি চলছে। কাটোয়া শহরে ছোটবড় মিলিয়ে প্রায় দু’ শোর কাছাকাছি কার্তিকপুজো হয়। তারমধ্যে বিগ বাজেটের পুজোর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে কাটোয়া ও পূর্বস্থলীতে বিভিন্ন থিম দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে মণ্ডপগুলি। কার্তিকপুজোর জনপ্রিয়তা কম নয়। প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ লোক শামিল হন এই উৎসবে। কার্তিকপুজোয় তিল ধারণের জায়গা থাকে না কাটোয়া ও পূর্বস্থলীজুড়ে। শোভাযাত্রা ঘিরে প্রস্তুত হচ্ছে পুলিসও। মোতায়েন রাখা হবে প্রচুর পুলিস। আলোর রোশনাই, প্রতিমা প্রভৃতি নিয়ে প্রতিটি ক্লাব পাল্লা দিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে। রাজ্যের সেরা বাজনা নিয়েও রাতভর চলে ক্লাবগুলির প্রতিযোগিতা। ক্লাবগুলি বিভিন্ন রকমের বাজনা, আলো নিয়ে সারাদিন মাতিয়ে রাখবে গোটা কাটোয়া শহর।
শনিবার কাটোয়ার কার্তিক পুজো। রবিবার শহরে শোভাযাত্রা ঘুরবে। প্রতিটি পুজো মণ্ডপে শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে। আলোর রোশনাই আর থিমের মণ্ডপে সেজে উঠেছে কাটোয়া শহর।
কাটোয়ার কার্তিক লড়াইকে ঘিরে এখন চূড়ান্ত ব্যস্ততা শহরজুড়ে। ভাগীরথীর তীরবর্তী পুরানো শহর কাটোয়ায় বহুবছর ধরে কার্তিক পুজো করে আসছেন বাসিন্দারা। কার্তিক লড়াই শহরের মূল উৎসব। অভিনব থিমের মণ্ডপ, চন্দননগরের আলোর কেরামতি যেন কাটোয়াকে রূপকথার দেশ করে তোলে। পাশাপাশি পূর্বস্থলীতেও এখন বড় বড় মণ্ডপগুলিতে প্রস্তুতি চলছে। কাটোয়া শহরে ছোটবড় মিলিয়ে প্রায় দু’ শোর কাছাকাছি কার্তিকপুজো হয়। তারমধ্যে বিগ বাজেটের পুজোর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে কাটোয়া ও পূর্বস্থলীতে বিভিন্ন থিম দিয়ে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে মণ্ডপগুলি। কার্তিকপুজোর জনপ্রিয়তা কম নয়। প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ লোক শামিল হন এই উৎসবে। কার্তিকপুজোয় তিল ধারণের জায়গা থাকে না কাটোয়া ও পূর্বস্থলীজুড়ে। শোভাযাত্রা ঘিরে প্রস্তুত হচ্ছে পুলিসও। মোতায়েন রাখা হবে প্রচুর পুলিস। আলোর রোশনাই, প্রতিমা প্রভৃতি নিয়ে প্রতিটি ক্লাব পাল্লা দিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে। রাজ্যের সেরা বাজনা নিয়েও রাতভর চলে ক্লাবগুলির প্রতিযোগিতা। ক্লাবগুলি বিভিন্ন রকমের বাজনা, আলো নিয়ে সারাদিন মাতিয়ে রাখবে গোটা কাটোয়া শহর।



