নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: অকাল হোলি খেলার প্রস্তুতি তৃণমূলের। ফলাফল প্রকাশ হওয়ার আগে থেকেই দেদার বিক্রি হচ্ছে আবির। সবুজ আবিরের চাহিদা সবচেয়ে বেশি বলে জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি, তাসা, ব্যান্ডপার্টি, সিং বাজনার কলাকুশলিরা দিনরাত এক করে প্র্যাকটিস করে যাচ্ছেন। উপ নির্বাচনের ফল প্রকাশ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা আগে থেকেই সিং বাজনা, তাসা বাজনার দেদার বুকিং শুরু করেছে তৃণমূল। শুধু মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকাতেই নয়। পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকার তৃণমূল কর্মীরা জয় নিশ্চিত ধরে নিয়েই দেদার বাজনা বুকিং করছেন। তবে, বিজেপির তরফে বাজনার জন্য মৌখিক বুকিং করা হলেও, বায়না করা হয়নি। বাজনদাররা জানাচ্ছেন, শনিবার দুপুরের পর থেকে বাজনার চাহিদা আরও বাড়বে।
Advertisement
সিং বাজনার এক শিল্পী বিকাশ রাসা বলেন, উপ নির্বাচনের ফলের আগে থেকেই বুকিং শুরু হয়েছে। তৃণমূল কর্মীরা বুকিং করছে বেশি। তবে চাহিদার তুলনায় বাজনা শিল্পীর সংখ্যা কম। তাই ফল প্রকাশের দিন হয়তো অনেককেই নিরাশ হয়ে ফিরতে হবে।
শহরের আবির বিক্রেতা বিশু পাণ্ডব বলেন, আবির ভালোই বিক্রি হচ্ছে। সবুজ আবির অনেকেই কিনে নিয়ে গিয়েছে। তবে গেরুয়া আবিরও রেখেছি। রাজনীতিতে কিছুই বলা যায় না। শনিবার সকাল থেকে আবির বিক্রি আরও বেড়ে যাবে।
জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরের নিমতলা চক সংলগ্ন এলাকায় বংশ পরম্পরায় বাজনা শিল্পীরা থাকেন। বছরের পর বছর বাজনা বাজিয়ে আসছেন তাঁরা। বর্তমানে এই এলাকায় একশোর বেশি পরিবার রয়েছে। এক বাজনা শিল্পীর কথায়, এই উপ নির্বাচনে তৃণমূলের পাল্লা ভারী। তাই তৃণমূলের তরফে বেশি বুকিং হয়েছে। এক বিজেপি নেতা বলেন, প্রচারে অনেকটাই এগিয়ে ছিল তৃণমূল। বহু এলাকায় বিজেপির প্রচার হয়নি। এছাড়া দলের সংগঠন অনেকটাই তলানিতে। তাই আগে থেকে বাজনা বুকিং করার সাহস পাচ্ছেন না নেতারা। গত বিধানসভা নির্বাচনে বেশি আশা করে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। সেকথা অনেকেরই মনে আছে। এদিন তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা বলেন, একেবারে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দান সম্পন্ন হয়েছে। মানুষ নিজের ভোট নিজেই দিয়েছেন। বিরোধীরা ভোট নিয়ে একটাও অভিযোগ করতে পারেনি। অবশ্যই ভোটে জয় নিয়ে একশো শতাংশ আশাবাদী। আসলে মানুষ উন্নয়ন দেখে ভোট দেয়। বিরোধীরা মানুষের পাশে থাকে না। তাই মানুষও তাঁদের পাশে আর নেই। আগের প্রতিটা নির্বাচনে সেই দিক ফুটে উঠেছে।
জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, গণতন্ত্রের উৎসবে সকলেই শামিল হতে চায়। তৃণমূল আশা করে রয়েছে ঠিকই। কিন্তু আশা পূর্ণ হবে না। যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হতে পারেননি। তবে যে দলই জিতুক, তাদের নেতাকর্মীরা অবশ্যই উৎসবে মেতে উঠবেন। এটাই তো গণতন্ত্র।
শহরের আবির বিক্রেতা বিশু পাণ্ডব বলেন, আবির ভালোই বিক্রি হচ্ছে। সবুজ আবির অনেকেই কিনে নিয়ে গিয়েছে। তবে গেরুয়া আবিরও রেখেছি। রাজনীতিতে কিছুই বলা যায় না। শনিবার সকাল থেকে আবির বিক্রি আরও বেড়ে যাবে।
জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহরের নিমতলা চক সংলগ্ন এলাকায় বংশ পরম্পরায় বাজনা শিল্পীরা থাকেন। বছরের পর বছর বাজনা বাজিয়ে আসছেন তাঁরা। বর্তমানে এই এলাকায় একশোর বেশি পরিবার রয়েছে। এক বাজনা শিল্পীর কথায়, এই উপ নির্বাচনে তৃণমূলের পাল্লা ভারী। তাই তৃণমূলের তরফে বেশি বুকিং হয়েছে। এক বিজেপি নেতা বলেন, প্রচারে অনেকটাই এগিয়ে ছিল তৃণমূল। বহু এলাকায় বিজেপির প্রচার হয়নি। এছাড়া দলের সংগঠন অনেকটাই তলানিতে। তাই আগে থেকে বাজনা বুকিং করার সাহস পাচ্ছেন না নেতারা। গত বিধানসভা নির্বাচনে বেশি আশা করে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। সেকথা অনেকেরই মনে আছে। এদিন তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা বলেন, একেবারে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দান সম্পন্ন হয়েছে। মানুষ নিজের ভোট নিজেই দিয়েছেন। বিরোধীরা ভোট নিয়ে একটাও অভিযোগ করতে পারেনি। অবশ্যই ভোটে জয় নিয়ে একশো শতাংশ আশাবাদী। আসলে মানুষ উন্নয়ন দেখে ভোট দেয়। বিরোধীরা মানুষের পাশে থাকে না। তাই মানুষও তাঁদের পাশে আর নেই। আগের প্রতিটা নির্বাচনে সেই দিক ফুটে উঠেছে।
জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, গণতন্ত্রের উৎসবে সকলেই শামিল হতে চায়। তৃণমূল আশা করে রয়েছে ঠিকই। কিন্তু আশা পূর্ণ হবে না। যেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হতে পারেননি। তবে যে দলই জিতুক, তাদের নেতাকর্মীরা অবশ্যই উৎসবে মেতে উঠবেন। এটাই তো গণতন্ত্র।



