সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: অজানা জন্তুকে ধরতে বুধবার রঘুনাথপুরের গোবরান্দা গ্রামের চারপাশে ফাঁদ পাতা হয়েছে। পাশাপাশি তিনটি বিশেষ জায়গায় ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হয়েছে। গ্রামবাসীরা যাতে আতঙ্কিত না হয়, তারজন্য প্রশাসনের তরফে গ্রামবাসীদের সচেতন করা হয়েছে। অজানা জন্তু ধরা পড়লে গ্রামবাসীরা যেন তাকে মেরে না ফেলে এবং প্রশাসনকে বিষয়টি জানায় তার জন্য বিশেষভাবে সচেতন করা হয়। এলাকায় বিশাল পুলিস বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোবরান্দা গ্রামে তিনদিনে অজানা জন্তুর আক্রমণে ৩০টির বেশি ভেড়ার মৃত্যু হয়েছে। অজানা জন্তুটি শেষ গত রবিবার গ্রামে আক্রমণ চালায়। ওইদিন একটি বাড়িতে গোরু, ছাগল এবং ভেড়া এক সঙ্গে বাঁধা থাকলেও অজানা জন্তুটি শুধুমাত্র ভেড়াদের আক্রমণ করে। তাতেই সকলে হতবাক। এতগুলি ভেড়ার মৃত্যুতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।
পুলিস, বনদপ্তর ও গ্রামবাসীরা যৌথভাবে রাতে গ্রামে পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু, অজানা জন্তুর হদিশ মেলেনি।
বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, অজানা জন্তুর খোঁজে গ্রামের আশেপাশের জঙ্গলে বনদপ্তরে কর্মীরা তল্লাশি চালান। ফাঁদও পাতা হয়েছে। রঘুনাথপুর-২ বিডিও পঙ্কজ দাস বলেন, গ্রামে রাত পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রামবাসীরা যাতে আতঙ্কিত না হয় তার জন্য সচেতন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে পঞ্চায়েত সমিতির তরফে রিলিফ তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বনদপ্তরের তরফে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি ক্ষতিপূরণ পায়, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
রঘুনাথপুরের রেঞ্জার নীলাদ্রি সখা বলেন, অজানা জন্তু ধরার জন্য সব রকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। বনদপ্তরের কর্মীরা গ্রামে রাত দিন পড়ে রয়েছেন।
পুলিস, বনদপ্তর ও গ্রামবাসীরা যৌথভাবে রাতে গ্রামে পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু, অজানা জন্তুর হদিশ মেলেনি।
বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, অজানা জন্তুর খোঁজে গ্রামের আশেপাশের জঙ্গলে বনদপ্তরে কর্মীরা তল্লাশি চালান। ফাঁদও পাতা হয়েছে। রঘুনাথপুর-২ বিডিও পঙ্কজ দাস বলেন, গ্রামে রাত পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রামবাসীরা যাতে আতঙ্কিত না হয় তার জন্য সচেতন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে পঞ্চায়েত সমিতির তরফে রিলিফ তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বনদপ্তরের তরফে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি ক্ষতিপূরণ পায়, তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
রঘুনাথপুরের রেঞ্জার নীলাদ্রি সখা বলেন, অজানা জন্তু ধরার জন্য সব রকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। বনদপ্তরের কর্মীরা গ্রামে রাত দিন পড়ে রয়েছেন।



