সংবাদদাতা, মানকর: কাঁকসায় অজয় নদে তলিয়ে যাওয়া আর এক কিশোরের দেহ শুক্রবার উদ্ধার হল। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকেলে শিবপুর ঘাটের কাছে অজয় নদে স্নান করতে নেমে তলিয়ে যায় দুই কিশোর। বুধবার উদ্ধার হয় রাহুল রায়ের দেহ। শুভম মণ্ডল নামে আর কিশোর নিখোঁজ ছিল।এদিন দুপুর ১টা নাগাদ স্থানীয় জেলেরা শুভমের দেহ উদ্ধার করে। দুই কিশোরই দুর্গাপুরের চাষিপাড়ার টালিগঞ্জের বাসিন্দা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে দেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
Advertisement
প্রসঙ্গত মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৪টে নাগাদ তিন বন্ধু জয়দেব মেলা দেখতে গিয়েছিল। সেখানে রাহুল ও শুভম অজয় নদে স্নান করবে বলে ঠিক করে। গামছা পরে তারা নদে নেমে পরে। কিন্তু তারা তলিয়ে যায়। ঘটনার কথা জানতে পেরে কাঁকসা থানার পুলিস ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে আসে। ডুবুরি ও স্পিড বোট নিয়ে খোঁজ শুরু হয়। কিন্তু মঙ্গলবার অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় আর খোঁজ করা যায়নি। বুধবার সকাল থেকে দু’জন ডুবুরি ও একটি স্পিড বোট নিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু হয়। বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ রাহুলের দেহ উদ্ধার হয়। শুভমের কোনও সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার তল্লাশি চালানো হয়। শুক্রবার বীরভূম থেকে থার্টিন ব্যাটেলিয়নের সদস্যরা আসেন। এদিনও স্পিডবোট নিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু হয়। জলে নামানো হয় এলাকার ১০জন জেলেকে। তাঁরাই দুপুর ১টা নাগাদ শুভমের দেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অজয় নদ থেকে অবৈধভাবে বালি তোলায় বিভিন্ন জায়গায় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই স্নানের জন্য নদের যে কোনও জায়গায় নেমে পড়ে। প্রায় প্রতি বছরই এই ধরনের ঘটনা ঘটে। শুভমের বাবা মহাদেব মণ্ডল বলেন, অবৈধভাবে বালি তোলার জন্য উপর থেকে বোঝা সম্ভব নয় এখানে জলের গভীরতা কতটা আছে। যদি ব্যারিকেড দিয়ে সাবধান লেখা থাকত তাহলে এই বিপদ হতো না। এসিপি কাঁকসা সুমনকুমার জয়সওয়াল বলেন, অত্যাধিক ঠান্ডা থাকার জন্য ডুবুরিরা জলে বেশিক্ষণ থাকতে পারছিলেন না। তবে উদ্ধার কাজ জারি ছিল। দেহ উদ্ধার হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অজয় নদ থেকে অবৈধভাবে বালি তোলায় বিভিন্ন জায়গায় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই স্নানের জন্য নদের যে কোনও জায়গায় নেমে পড়ে। প্রায় প্রতি বছরই এই ধরনের ঘটনা ঘটে। শুভমের বাবা মহাদেব মণ্ডল বলেন, অবৈধভাবে বালি তোলার জন্য উপর থেকে বোঝা সম্ভব নয় এখানে জলের গভীরতা কতটা আছে। যদি ব্যারিকেড দিয়ে সাবধান লেখা থাকত তাহলে এই বিপদ হতো না। এসিপি কাঁকসা সুমনকুমার জয়সওয়াল বলেন, অত্যাধিক ঠান্ডা থাকার জন্য ডুবুরিরা জলে বেশিক্ষণ থাকতে পারছিলেন না। তবে উদ্ধার কাজ জারি ছিল। দেহ উদ্ধার হয়েছে।



