নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: অজয় নদই মুধুভাণ্ড। নদের দু’পাশজুড়ে বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বেপরোয়াভাবে বালি লুট হচ্ছে। নদীর ভেজা ওভারলোডেড বালিবোঝাই লরি ছুটছে গ্রামের রাস্তায়। যে কোনও সময় প্রাণহানির আশঙ্কায় ভুগছেন নদীর পাড়ের বাসিন্দারা। শুক্রবার অবৈধ বালি কারবার নিয়েই বীরভূমের কাঁকরতলার শিমুলডিহি গ্রামে উত্তেজনা ছড়ায়। বালিবোঝাই লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে একটি হাঁসের মৃত্যু হয়। গ্রামবাসীরা লরি আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখায়। বাসিন্দারা লরির চালক ও খালাসির কাছে চালান দেখতে চাইলেও তা দেখাতে পারেনি বলে অভিযোগ।
Advertisement
সিউড়ি সদরের মহকুমা শাসক সুপ্রতিক সিনহা বলেন, হাঁস মারা যাওয়ার পর চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিডিওকে বিষয়টি দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকায় অবৈধভাবে বালি তোলা হচ্ছে বলে খবর পেয়েছি। কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খয়রাশোল ব্লকের পারসুণ্ডি পঞ্চায়েতের অজয় নদের বিনুই ঘাট থেকে বেপরোয়াভাবে বালি তোলা হচ্ছে। নদীতে মেশিন নামিয়ে ভিজে বালি লরিতে লোড করে তা শিমুলডিহির পাশ দিয়ে নবসন বিনোদপুর হয়ে রসা পাঠানো হচ্ছে। সেখান থেকে হজরতপুর হয়ে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে উঠে পড়ছে লরিগুলি। ওভারলোডেড লরি যাওয়ায় গ্রামের রাস্তার দফারফা হয়ে যাচ্ছে। ভিজে বালি নিয়ে যাওয়ায় গ্রামের রাস্তাগুলি জলে ভর্তি হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মনোতোষ ঘোষ, সঞ্জু লায়েক, বাপি মণ্ডল বলেন, দিনেরবেলায়ও অত্যন্ত দ্রুতগতিতে লরিগুলি যাতায়াত করে। আমরা বারবার গাড়ি আস্তে চালানোর আর্জি জানালেও শোনা হয়নি। এদিন হাঁস মারা গিয়েছে। যে গতিতে গাড়ি চলে তাতে যে কোনও সময় দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে। গাড়িগুলিতে কোনও চালান ছিল না। শুধু এই এলাকায় নয়, খয়রাশোল ও দুবরাজপুর ব্লকজুড়েই রমরমিয়ে চলছে অবৈধ বালির কারবার। খয়রাশোল ব্লকের ভীমগড়ে রেলব্রিজের কাছ থেকে বেপরোয়াভাবে বালি তোলা হচ্ছে। একইভাবে দুবরাজপুরের লোবা এলাকাতেও বালির কারবার চলার অভিযোগ রয়েছে।
অজয়ের উত্তর পাড়ে বীরভূমে যখন অবৈধ বালি কারবার নিয়ে মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে তেমনই নদের দক্ষিণ প্রান্তে পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও একই চিত্র। কাঁকরতলা থানার বিনুই ঘাট নিয়ে এদিন উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিনুই মৌজার চালান দেখিয়েই জামুড়িয়া ব্লকের চুরুলিয়া পঞ্চায়েতের চিচুড়বিল, পশ্চিম বড়কোলা মৌজা থেকে বিপুল বালি তোলা হচ্ছে। অর্থাৎ একই চালানে দুই জেলা থেকে বালি লুট করছে কারবারিরা। চুরুলিয়ার বীরকুল্টি গ্রাম ঘিরে গজিয়ে উঠেছে দু’টি বালিঘাট। সেখান থেকে মেশিনে করে ইচ্ছেমতো বালি তুলে ১২-১৬ চাকা লরিতে বোঝাই করে বীরকুল্টি গ্রাম ও হাইস্কুলের পাশ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বালির গাড়ির চাপে রাস্তার পিচ উঠে গিয়েছে। ছাই দিয়ে বালির গাড়ি যাওয়ার রাস্তা বানিয়েছে কারবারিরাই। সেখান থেকে জামুড়িয়ার চুরুলিয়ায় যে রেলপথ ছিল সেই রাস্তা ধরে তা উঠছে জামুড়িয়ার সেকপুরে। প্রাণ হাতে নিয়ে বীরকুল্টি গ্রামে বসবাস করছেন মানুষজন। অভিযোগ, প্রতিবাদ করলেই তাকে মারধর করা হয়। ‘প্রভাবশালী’দের ভয়ে সবার মুখে কুলুপ। অতিরিক্ত জেলাশাসক অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অবৈধ বালির কারবার রুখতে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। কোনও অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।
স্থানীয় বাসিন্দা মনোতোষ ঘোষ, সঞ্জু লায়েক, বাপি মণ্ডল বলেন, দিনেরবেলায়ও অত্যন্ত দ্রুতগতিতে লরিগুলি যাতায়াত করে। আমরা বারবার গাড়ি আস্তে চালানোর আর্জি জানালেও শোনা হয়নি। এদিন হাঁস মারা গিয়েছে। যে গতিতে গাড়ি চলে তাতে যে কোনও সময় দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে। গাড়িগুলিতে কোনও চালান ছিল না। শুধু এই এলাকায় নয়, খয়রাশোল ও দুবরাজপুর ব্লকজুড়েই রমরমিয়ে চলছে অবৈধ বালির কারবার। খয়রাশোল ব্লকের ভীমগড়ে রেলব্রিজের কাছ থেকে বেপরোয়াভাবে বালি তোলা হচ্ছে। একইভাবে দুবরাজপুরের লোবা এলাকাতেও বালির কারবার চলার অভিযোগ রয়েছে।
অজয়ের উত্তর পাড়ে বীরভূমে যখন অবৈধ বালি কারবার নিয়ে মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে তেমনই নদের দক্ষিণ প্রান্তে পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও একই চিত্র। কাঁকরতলা থানার বিনুই ঘাট নিয়ে এদিন উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বিনুই মৌজার চালান দেখিয়েই জামুড়িয়া ব্লকের চুরুলিয়া পঞ্চায়েতের চিচুড়বিল, পশ্চিম বড়কোলা মৌজা থেকে বিপুল বালি তোলা হচ্ছে। অর্থাৎ একই চালানে দুই জেলা থেকে বালি লুট করছে কারবারিরা। চুরুলিয়ার বীরকুল্টি গ্রাম ঘিরে গজিয়ে উঠেছে দু’টি বালিঘাট। সেখান থেকে মেশিনে করে ইচ্ছেমতো বালি তুলে ১২-১৬ চাকা লরিতে বোঝাই করে বীরকুল্টি গ্রাম ও হাইস্কুলের পাশ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বালির গাড়ির চাপে রাস্তার পিচ উঠে গিয়েছে। ছাই দিয়ে বালির গাড়ি যাওয়ার রাস্তা বানিয়েছে কারবারিরাই। সেখান থেকে জামুড়িয়ার চুরুলিয়ায় যে রেলপথ ছিল সেই রাস্তা ধরে তা উঠছে জামুড়িয়ার সেকপুরে। প্রাণ হাতে নিয়ে বীরকুল্টি গ্রামে বসবাস করছেন মানুষজন। অভিযোগ, প্রতিবাদ করলেই তাকে মারধর করা হয়। ‘প্রভাবশালী’দের ভয়ে সবার মুখে কুলুপ। অতিরিক্ত জেলাশাসক অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অবৈধ বালির কারবার রুখতে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। কোনও অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।



