সংবাদদাতা, চাঁচল: শেষ হয়েছে সংস্কারের কাজ। চাঁচল সদরের প্রাণকেন্দ্রে চকচক করছে সাদা রঙের সেই ভবন। তবে বছর শেষ হতে চললেও তা এখনও চালু হল না। এলাকার ঐতিহ্যবাহী রবীন্দ্রভবনের উদ্বোধন না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সংস্কৃতিমহলে। অনেকে জনপ্রতিনিধিদের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন। যদিও ভবন দ্রুত চালু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন চাঁচলের বিধায়ক নীহাররঞ্জন ঘোষ।
Advertisement
চাঁচল সদরে একাধিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সরকারি, বেসরকারি সংস্থা সহ একাধিক ঘরবিহীন ক্লাব রয়েছে। তাদের বড় মিটিং করতে হলে বেশি টাকা খরচ করে কনফারেন্স হল বুক করতে হয়। উৎসবের মরশুমে ভাড়া আরও চড়া।
জরাজীর্ণ ভবনটি একদশক ধরে ধুঁকছিল। সেটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন চাঁচলের বিধায়ক নীহারঞ্জন ঘোষ। দু’বছর হল উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের তহবিলে সেটিকে ঢেলে সাজানো হয়। তবে মাঝে কাজ ঢিমেতালে হওয়া নিয়েও সরব হন বাসিন্দারা। কাজ শেষ হলেও তা কেন চালু হচ্ছে না, প্রশ্ন তুলেছেন সংস্কৃতিপ্রেমীরা। মাঝে বর্ষায় বিভিন্ন নাট্যসংস্থা টাকা খরচ করে প্যান্ডেল করেই অনুষ্ঠান করেছে।
প্রতিবছর শীতকাল পড়তেই এলাকায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয় চাঁচলে। তাই সাজানো রবীন্দ্রভবন দ্রুত চালুর দাবি উঠেছে। চাঁচল সাংস্কৃতিক মঞ্চের সম্পাদক পার্থ চক্রবর্তী বলেন, কয়েকবছর ভবনটি বন্ধ থাকায় ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে বাইরে খোলা আকাশেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে হয়েছে। কয়েকবার বৃষ্টির জন্য ডামাডোলে গিয়েছে অনুষ্ঠান। শুনেছি ভবনটির কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু কেন চালু হচ্ছে না বুঝতে পারছি না।
চাঁচল সঙ্গীত নৃত্য কলাকেন্দ্রের কর্ণধার তথা সঙ্গীত শিল্পী শ্রীকান্ত রায়চৌধুরী বলেন, গতবছর জাতীয় সড়কের ধারে ঝুঁকি নিয়ে খুদেদের নিয়ে নৃত্য অনুষ্ঠান করেছিলাম। এবছরই যাতে রবীন্দ্রভবনটি চালু করা হয় বিধায়কের কাছে আবেদন রাখছি। বিধায়ক বলেন, ভবনটি সংস্কারের জন্য এতদিন কেউ উদ্যোগ নেননি। আমিই ঢেলে সাজিয়েছি। দুই শতাধিক চেয়ার বসানোর পাশাপাশি সমস্ত কাজ শেষ হয়েছে। ভিতরে ইলেকট্রিকের কিছু কাজ বাকি থাকায় চালু করা হয়নি। দ্রুত উদ্বোধন হবে।
জরাজীর্ণ ভবনটি একদশক ধরে ধুঁকছিল। সেটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন চাঁচলের বিধায়ক নীহারঞ্জন ঘোষ। দু’বছর হল উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের তহবিলে সেটিকে ঢেলে সাজানো হয়। তবে মাঝে কাজ ঢিমেতালে হওয়া নিয়েও সরব হন বাসিন্দারা। কাজ শেষ হলেও তা কেন চালু হচ্ছে না, প্রশ্ন তুলেছেন সংস্কৃতিপ্রেমীরা। মাঝে বর্ষায় বিভিন্ন নাট্যসংস্থা টাকা খরচ করে প্যান্ডেল করেই অনুষ্ঠান করেছে।
প্রতিবছর শীতকাল পড়তেই এলাকায় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয় চাঁচলে। তাই সাজানো রবীন্দ্রভবন দ্রুত চালুর দাবি উঠেছে। চাঁচল সাংস্কৃতিক মঞ্চের সম্পাদক পার্থ চক্রবর্তী বলেন, কয়েকবছর ভবনটি বন্ধ থাকায় ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে বাইরে খোলা আকাশেই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে হয়েছে। কয়েকবার বৃষ্টির জন্য ডামাডোলে গিয়েছে অনুষ্ঠান। শুনেছি ভবনটির কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু কেন চালু হচ্ছে না বুঝতে পারছি না।
চাঁচল সঙ্গীত নৃত্য কলাকেন্দ্রের কর্ণধার তথা সঙ্গীত শিল্পী শ্রীকান্ত রায়চৌধুরী বলেন, গতবছর জাতীয় সড়কের ধারে ঝুঁকি নিয়ে খুদেদের নিয়ে নৃত্য অনুষ্ঠান করেছিলাম। এবছরই যাতে রবীন্দ্রভবনটি চালু করা হয় বিধায়কের কাছে আবেদন রাখছি। বিধায়ক বলেন, ভবনটি সংস্কারের জন্য এতদিন কেউ উদ্যোগ নেননি। আমিই ঢেলে সাজিয়েছি। দুই শতাধিক চেয়ার বসানোর পাশাপাশি সমস্ত কাজ শেষ হয়েছে। ভিতরে ইলেকট্রিকের কিছু কাজ বাকি থাকায় চালু করা হয়নি। দ্রুত উদ্বোধন হবে।



