নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে অগ্নিমূল্য অপরিশোধিত তেলের দাম। যুদ্ধের প্রভাব সরাসরি পড়েছে সাধারণ মানুষের পকেটেও। গত ২ সপ্তাহে ৪ বার বেড়েছে পেট্রল ও ডিজেলের দাম। গড়ে লিটার পিছু সাড়ে সাত টাকা মহার্ঘ হয়েছে জ্বালানি। যদিও তেলের দাম বাড়িয়েও লোকসানের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি তেল সংস্থাগুলি। কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, দাম বৃদ্ধির পরেও দৈনিক গড়ে সাড়ে পাঁচশো কোটি টাকার লোকসান হচ্ছে সরকারি তেল কোম্পানিগুলির। দামবৃদ্ধির আগে এর পরিমাণ ছিল হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি।
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে ফের চড়ল আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেলের দর। এদিন দাম বেড়েছে ২ শতাংশ। ফলে লোকসানের বহর আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। ফলে আগামীদিনে দেশের বাজারে পেট্রপণ্যের ফের মূল্যবৃদ্ধি ঘটানো হতে পারে বলে বিভিন্ন মহলের আশঙ্কা।
বুধবার বিবৃতি দিয়ে মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘পেট্রল, ডিজেল ও এলপিজি বিক্রি করে দৈনিক গড়ে ৫৫০ কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে সরকারি তেল সংস্থাগুলির।’ এই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই পুরো লোকসানের বোঝা সাধারণ মানুষের উপর চাপায়নি তেল সংস্থাগুলি। তবে শিল্প কারখানাগুলির ক্ষেত্রে জ্বালানির দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নির্ধারিত হচ্ছে। পাশাপাশি কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আরও একবার জানানো হয়েছে, দেশে জ্বালানির সংকট নেই।