সংবাদদাতা, কাটোয়া: জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়তেই কাটোয়ায় ভাগীরথীতে ফের ঘড়িয়ালের দর্শন মিলল। রবিবার থেকে অগ্রদ্বীপে ভাগীরথী নদীতে একটি পূর্ণবয়ষ্ক ঘড়িয়ালের দেখা মিলছে। ভাগীরথীর চর এলাকায় মাঝেমধ্যেই রোদ পোহাচ্ছে। ঘড়িয়াল দেখে মানুষজন উৎসাহিত হচ্ছেন। কেউ কেউ মোবাইলে ছবি তুলছেন। আবার কেউ কেউ ভয়ে জলে নামতে চাইছেন না। কাটোয়ার বনদপ্তরের রেঞ্জার শিবপ্রসাদ সিনহা বলেন, ঘড়িয়াল মানে মেছো কুমির। ওরা জলেই থাকে। মাছ খায়। ওদের দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ঘড়িয়ালটিকে কেউ যাতে বিরক্ত না করে তা দেখার জন্য দপ্তরের কর্মীদের মোতায়েন রাখা হয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদেরও সচেতন করা হচ্ছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার দুপুর থেকেই মাঝেমধ্যেই ঘড়িয়ালটিকে দেখা যাচ্ছে। গতবছর ভাগীরথী নদীতে কাটোয়ার কাশীগঞ্জ ঘাটের কাছ থেকে শ্মশানঘাট পর্যন্ত ভেসে যেতে দেখা যায় একটি ঘড়িয়ালকে। ঘড়িয়ালের বংশবিস্তার হতে পারে বলেও মত বিশেষজ্ঞদের। জলজ প্রাণী যত বংশবিস্তার করবে পরিবেশের পক্ষে ভালো বলে অনেকের অভিমত। উল্লেখ্য, ভাগীরথীতে গাঙ্গেয় ডলফিন বেড়ে যাওয়ায় ‘ডলফিন জোন’ তৈরি করতে হয়েছে। তবে পরিবেশপ্রেমীদের আশঙ্কা, ঘড়িয়ালকে কুমির ভেবে মেরে ফেলার আশঙ্কা রয়েছে। অগ্রদ্বীপে ঘড়িয়ালটিকে কয়েকজন দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ। কিন্তু ঘড়িয়ালটি জলে নেমে যায়।
প্রসঙ্গত, গত দু’বছর ধরে কাটোয়া ও কালনায় ভাগীরথীতে কুমিরেরও দেখা মিলেছিল। তাই নদীপাড়ের বাসিন্দারা কিছুটা আতঙ্কে রয়েছেন। তবে বনদপ্তরের পক্ষ থেকে বাসিন্দাদের ঘড়িয়াল ও কুমিরের তফাত বোঝাতে সচেতনতা শিবির করারও চিন্তাভাবনা নেওয়া হচ্ছে। তবে কাটোয়ায় ভাগীরথীতে ঘড়িয়াল দেখতে অনেকেই নদীর পাড়ে ভিড় জমাচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, গত দু’বছর ধরে কাটোয়া ও কালনায় ভাগীরথীতে কুমিরেরও দেখা মিলেছিল। তাই নদীপাড়ের বাসিন্দারা কিছুটা আতঙ্কে রয়েছেন। তবে বনদপ্তরের পক্ষ থেকে বাসিন্দাদের ঘড়িয়াল ও কুমিরের তফাত বোঝাতে সচেতনতা শিবির করারও চিন্তাভাবনা নেওয়া হচ্ছে। তবে কাটোয়ায় ভাগীরথীতে ঘড়িয়াল দেখতে অনেকেই নদীর পাড়ে ভিড় জমাচ্ছেন।



