সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়ার অগ্রদ্বীপে ভাগীরথী থেকে দেদার চলছিল সাদা পলিমাটি লুট। ট্রাক্টরে চাপিয়ে তা রাতের অন্ধকারে পাচারও চলছিল। অভিযান চালিয়ে তিনটি ট্রাক্টর আটক করল পুলিস। দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সাদা পলিমাটি বিভিন্ন ইটভাটায় সাপ্লাই দেওয়া হতো। ভাগীরথীর পাড় বরাবর এলাকা থেকেই ওই পলিমাটি কেটে নেওয়া হতো। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম লাল্টু চৌধুরী ও সঞ্জীব সরকার। তাদের বাড়ি অগ্রদ্বীপের সাহাপুর ও কালিকাপুর। বৃহস্পতিবার দু’জনকে কাটোয়া মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচদিন পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
Advertisement
ভাগীরথী থেকে দিনের পর দিন সাদা পলিমাটি লুট হচ্ছে। তা নৌকায় করে নদীয়া জেলায় পাচার করা হতো। ওই মাটি ইট ভাটাগুলিতেও সাপ্লাই দেওয়া হয়। মোটা টাকার কারবার চলে। প্রশাসন আগে অগ্রদ্বীপে সাদা পলিমাটি তোলার ঘাট ইজারা দিয়েছিল। কিন্তু ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। প্রশাসনকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অগ্রদ্বীপের সাহাপুর মৌজায় সাদা পলিমাটি তুলে ট্রাক্টরে করে পাচার করত এক ব্যক্তি। রাতে পুলিস হানা দিয়ে ওই পলিমাটি বোঝাই ট্রাক্টর আটক করে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাদা পলিমাটি কেটে নেওয়ায় ভাগীরথীর ভাঙনের কবলে পড়ছেন গ্রামের বাসিন্দারা। অগ্রদ্বীপের বেশ কয়েকটি এলাকা ভাগীরথীর ভাঙন কবলিত। ভাঙনের জেরে নদীগর্ভে ভিটেমাটি তলিয়ে গিয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, পলিমাটি কেটে নেওয়ায় বড় বড় গর্ত তৈরি হচ্ছে। পাড়ের আলগা মাটি ধসে যাচ্ছে। অগ্রদ্বীপে প্রায় ১২০০মিটার এলাকা ভাঙন কবলিত। সাহাপুর গ্রামটি কার্যত নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে বসেছে। সারাদিন ঝুপঝাপ শব্দ শোনা যায়।
গ্রামের বাসিন্দারা জানান, এভাবে একটু একটু করে সারাবছরই ভাগীরথী সাহাপুর গ্রামটিকে গিলছে। বাদ যায়নি এলাকার কৃষিজমিও। আমরা নদী তীরবর্তী এলাকায় প্রায় ২০-২৫ ঘর বাসিন্দা আছি। প্রতিনিয়ত ভাঙন হওয়ায় রাত জেগে পাহারা দিতে হয়। বর্ষাকালে আমরা আরও আতঙ্কে থাকি। ১৫ বছর আগে থেকেই আমাদের এলাকা ভাঙতে শুরু করে। বিঘার পর বিঘা জমি, বসতবাড়ি সবই নদীতে চলে গিয়েছে। সন্ধ্যা হলেই পলিমাটি লুটের কাজ শুরু হয়। পুলিসের নজর এড়াতে অনেক সময় নৌকায় করে নদীয়ার মাটিয়ারির দিকে চলে যায়। শীতকালে কুয়াশার জন্য কারবারে সুবিধা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সাদা পলিমাটি কেটে নেওয়ায় ভাগীরথীর ভাঙনের কবলে পড়ছেন গ্রামের বাসিন্দারা। অগ্রদ্বীপের বেশ কয়েকটি এলাকা ভাগীরথীর ভাঙন কবলিত। ভাঙনের জেরে নদীগর্ভে ভিটেমাটি তলিয়ে গিয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, পলিমাটি কেটে নেওয়ায় বড় বড় গর্ত তৈরি হচ্ছে। পাড়ের আলগা মাটি ধসে যাচ্ছে। অগ্রদ্বীপে প্রায় ১২০০মিটার এলাকা ভাঙন কবলিত। সাহাপুর গ্রামটি কার্যত নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে বসেছে। সারাদিন ঝুপঝাপ শব্দ শোনা যায়।
গ্রামের বাসিন্দারা জানান, এভাবে একটু একটু করে সারাবছরই ভাগীরথী সাহাপুর গ্রামটিকে গিলছে। বাদ যায়নি এলাকার কৃষিজমিও। আমরা নদী তীরবর্তী এলাকায় প্রায় ২০-২৫ ঘর বাসিন্দা আছি। প্রতিনিয়ত ভাঙন হওয়ায় রাত জেগে পাহারা দিতে হয়। বর্ষাকালে আমরা আরও আতঙ্কে থাকি। ১৫ বছর আগে থেকেই আমাদের এলাকা ভাঙতে শুরু করে। বিঘার পর বিঘা জমি, বসতবাড়ি সবই নদীতে চলে গিয়েছে। সন্ধ্যা হলেই পলিমাটি লুটের কাজ শুরু হয়। পুলিসের নজর এড়াতে অনেক সময় নৌকায় করে নদীয়ার মাটিয়ারির দিকে চলে যায়। শীতকালে কুয়াশার জন্য কারবারে সুবিধা হয়।



