সংবাদদাতা, সিউড়ি: অগ্নিকাণ্ডের পর সিউড়ি বড়চাতুরী ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মূল ভবনে তালা পড়েছে। অন্য একটি ভবনে চালু রয়েছে শুধু জরুরি বিভাগ ও আউটডোর পরিষেবা। প্রসূতি মায়েদের ডেলিভারিও এই হাসপাতালে বন্ধ রয়েছে। ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না রোগীদের। ফলে বিপাকে পড়তে হচ্ছে এই এলাকার বাসিন্দাদের। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে ইন্ডোর পরিষেবা বন্ধ থাকায় রোগীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
Advertisement
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ এপ্রিল সিউড়ি-১ ব্লকের খটঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের বড়চাতুরী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রধান ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল। মূল ভবনের ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি ছিল। সেখানেও আগুন ছড়ায়। হাসপাতালের মেডিসিন স্টোর বেশি ক্ষতি হয়েছিল। আগুন হাসপাতালের ল্যাব ও ফিমেল ওয়ার্ডেও ছড়িয়ে পড়েছিল। ঘটনার সময় সেই ফিমেল ওয়ার্ডে চারজন রোগী এবং তাদের আত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন। সেই ঘটনায় রোগীদের কোনও ক্ষতি না হলেও হাসপাতালের ওয়ার্ড ও ভবনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা যায়। তারপর থেকেই রোগীদের সেখান থেকে সরিয়ে দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয় হাসপাতালের ভবন। যা এখনও বন্ধ রয়েছে।
ওই ভবনে রক্ত পরীক্ষাকেন্দ্র, জেনারেল বিভাগ, এএনসি ক্লিনিক, অনুসন্ধানকেন্দ্র, মেডিসিন বিভাগ, জরুরি বিভাগ, স্টোর রুম সহ সবকিছুই ছিল। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ন’মাস ধরে হাসপাতালে কোনও প্রসূতির সন্তান প্রসব করানো হয়নি। শুধু সেখানে জরুরি পরিষেবা এবং আউটডোর পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে একটি রুমে ল্যাবের কিছু কাজ করা হচ্ছে। বাকি রোগীদের রেফার করা হচ্ছে প্রায় ন’কিলোমিটার দূরে সিউড়ি হাসপাতালে।
স্বাস্থ্য আধিকারিকদের দাবি, এই হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নত করার জন্য একটি আবেদন পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হতে পারে এই হাসপাতাল পুনরুজ্জীবিত করতে। এমনই দাবি আধিকারিকদের। সেই মতো প্ল্যান পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখনও রাজ্য সরকারের তরফে অর্থের বরাদ্দ না আসায় বন্ধ হয়ে রয়েছে এই হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পরিষেবা। খটঙ্গা এলাকার বাসিন্দা বন্দনা বাগদি, পূজা বাগদি বলেন, হাসপাতালে বাচ্চা প্রসব হচ্ছে না।
ওই ভবনে রক্ত পরীক্ষাকেন্দ্র, জেনারেল বিভাগ, এএনসি ক্লিনিক, অনুসন্ধানকেন্দ্র, মেডিসিন বিভাগ, জরুরি বিভাগ, স্টোর রুম সহ সবকিছুই ছিল। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ন’মাস ধরে হাসপাতালে কোনও প্রসূতির সন্তান প্রসব করানো হয়নি। শুধু সেখানে জরুরি পরিষেবা এবং আউটডোর পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে একটি রুমে ল্যাবের কিছু কাজ করা হচ্ছে। বাকি রোগীদের রেফার করা হচ্ছে প্রায় ন’কিলোমিটার দূরে সিউড়ি হাসপাতালে।
স্বাস্থ্য আধিকারিকদের দাবি, এই হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নত করার জন্য একটি আবেদন পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হতে পারে এই হাসপাতাল পুনরুজ্জীবিত করতে। এমনই দাবি আধিকারিকদের। সেই মতো প্ল্যান পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এখনও রাজ্য সরকারের তরফে অর্থের বরাদ্দ না আসায় বন্ধ হয়ে রয়েছে এই হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য পরিষেবা। খটঙ্গা এলাকার বাসিন্দা বন্দনা বাগদি, পূজা বাগদি বলেন, হাসপাতালে বাচ্চা প্রসব হচ্ছে না।



