Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ কর্মাধ্যক্ষরা

পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ কর্মাধ্যক্ষরা
  • ২২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানিকচক: রতুয়া-২ পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সভাপতির বিরুদ্ধে জেলা ও ব্লক প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানালেন দলের কর্মাধ্যক্ষরা। সভাপতি আমিরুদ্দিনের বিরুদ্ধে উন্নয়নমূলক কাজে বাধা দেওয়া, প্রতিটি জায়গায় সরকারি কর্মচারী ও সদস্যদের হেনস্তা, নিয়মিত পঞ্চায়েত সমিতিতে না আসা সহ বহু অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে। এই অভিযোগ ঘিরে ব্লকে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল আবার প্রকাশ্যে।

Advertisement

রতুয়া-২ পঞ্চায়েত সমিতির ২৪টি আসনের মধ্যে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৩ টি পেয়েছিল তৃণমূল। ১১টি পায় বিরোধীরা। কিন্তু সভাপতি নির্বাচনের সময় বিরোধীরা তৃণমূলের প্রতীকে জয়ী আমিরুদ্দিনের নাম প্রস্তাব করে। বিরোধীদের প্রস্তাবিত নামকেই সমর্থন করেন তৃণমূলের সদস্যরা। তবে সভাপতি চেয়ারে বসার পর থেকে সভাপতির কাজকর্ম দেখে ক্ষুব্ধ তৃণমূল সদস্যরা। অভিযোগ, পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে এলাকায় কোনও উন্নয়নমূলক কাজ করতে গেলেই বাধা দেন সভাপতি। সদস্য থেকে শুরু করে সরকারি কর্মচারীদের কাজে হস্তক্ষেপ করেন তিনি। সমিতির স্থায়ী কমিটিকে সঠিকভাবে কাজ করতে না দেওয়া, মিটিংয়ে সভাপতি দেরিতে আসায় সমস্ত কাজ আটকে থাকা সহ বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ পঞ্চায়েত সমিতির ৯ কর্মাধ্যক্ষ সহ সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানরা।
সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মহম্মদ নইমুদ্দিন বলেন, তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়ে সভাপতি বিরোধীদের ভূমিকা পালন করছেন। এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ করলেই তিনি বাধা দেন। ঠিকাদার থেকে শুরু করে সরকারি কর্মচারী, পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল সদস্যদের কাজেও হস্তক্ষেপ করেন। ফলে এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ থমকে। বাধ্য হয়ে মালদহ জেলা প্রশাসন এবং রাজ্য নেতৃত্বকে বিষয়টি লিখিত আকারে জানিয়েছি।
যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আমিরুদ্দিন। তিনি বলেন, উন্নয়নের কাজে কেউ দুর্নীতি করলেই আমি রুখে দাঁড়াই। সেজন্য মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে। কোনও প্রমাণ থাকলে অবশ্যই প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে আমার বিরুদ্ধে।
তবে তৃণমূলের সভাপতি এবং অন্য সদস্যদের মধ্যে এই বিবাদকে গোষ্ঠী কোন্দল বলে দাবি করছেন বিরোধী দলনেতা আব্দুল মান্নান। যদিও মালদহ জেলা তৃণমূলের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, ভুল বোঝাবুঝির কারণে এই ঘটনা। আমরা উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে সমাধান করব।
এবিষয়ে রতুয়া-২ এর বিডিও শেখর শেরপা বলেন, ছুটি থেকে ফিরে আজই এবিষয়ে শুনেছি। অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ