নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: অধ্যক্ষের ঘরে তালা। নয়া জট জলপাইগুড়ির আনন্দ চন্দ্র কমার্স কলেজে। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই কলেজের অধ্যক্ষ সিদ্ধার্থ সরকারকে ‘বাধ্যতামূলক ছুটি’তে পাঠায় কলেজ পরিচালন সমিতি। এর বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন অধ্যক্ষ। তাঁর দাবি, কলেজ পরিচালন সমিতি এভাবে অধ্যক্ষকে ‘বাধ্যতামূলক ছুটি’তে পাঠাতে পারে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। এদিকে, এরপরই অধ্যক্ষকে ‘সাসপেন্ড’ করেছে কলেজ পরিচালন সমিতি। যদিও তিনি সাসপেনশনের চিঠি পাননি বলে শুক্রবার দাবি করেছেন অধ্যক্ষ সিদ্ধার্থ সরকার। তাঁর বক্তব্য, আদালতের নির্দেশের পর আমি কলেজে গিয়েছিলাম। কিন্তু অধ্যক্ষের ঘরে ঢুকতে পারিনি। ঘরে তালা মারা রয়েছে। এনিয়ে আমি থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষাদপ্তরকেও জানিয়েছি।
Advertisement
কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি তথা আইনজীবী দেবাশিস দত্ত অবশ্য বলেন, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ফের ডিসিপ্লিনারি কমিটি গঠন হবে। সেই কমিটি স্পেশাল অডিট করাবে। রিপোর্ট না জমা পড়া পর্যন্ত আইন মেনে অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতির দাবি, অধ্যক্ষ দায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়েই তাঁর চেম্বারে তালা মেরে চলে গিয়েছেন। ফলে গুরুত্বপূর্ণ নথি লোপাট হতে পারে, এই আশঙ্কায় আরও একটি তালা দেওয়া হয়েছে ওই ঘরে। দেবাশিসবাবু বলেন, অধ্যক্ষের নামে আলাদা রেজিস্টার খাতা চালু করা হয়েছে। তিনি তাতে সই করবেন। মাইনে পাবেন। কিন্তু তদন্ত রিপোর্ট জমা না পড়া পর্যন্ত তিনি কলেজের কোনও কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন না। একজন অধ্যাপককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনিই কলেজের প্রশাসনিক কাজ সামলাচ্ছেন।
এনিয়ে অধ্যক্ষের পাল্টা বক্তব্য, প্রথমত, আমি কোনও সাসপেনশনের চিঠি পাইনি। দ্বিতীয়ত, এভাবে পরিচালন সমিতির সভাপতি আমাকে সাসপেন্ড করতে পারেন না। সামনে পরীক্ষা রয়েছে। আমি কলেজে যাব। কাজও করব। বাধা পেলে ফের আইনের দ্বারস্থ হব।
কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতির দাবি, অধ্যক্ষ দায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়েই তাঁর চেম্বারে তালা মেরে চলে গিয়েছেন। ফলে গুরুত্বপূর্ণ নথি লোপাট হতে পারে, এই আশঙ্কায় আরও একটি তালা দেওয়া হয়েছে ওই ঘরে। দেবাশিসবাবু বলেন, অধ্যক্ষের নামে আলাদা রেজিস্টার খাতা চালু করা হয়েছে। তিনি তাতে সই করবেন। মাইনে পাবেন। কিন্তু তদন্ত রিপোর্ট জমা না পড়া পর্যন্ত তিনি কলেজের কোনও কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন না। একজন অধ্যাপককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনিই কলেজের প্রশাসনিক কাজ সামলাচ্ছেন।
এনিয়ে অধ্যক্ষের পাল্টা বক্তব্য, প্রথমত, আমি কোনও সাসপেনশনের চিঠি পাইনি। দ্বিতীয়ত, এভাবে পরিচালন সমিতির সভাপতি আমাকে সাসপেন্ড করতে পারেন না। সামনে পরীক্ষা রয়েছে। আমি কলেজে যাব। কাজও করব। বাধা পেলে ফের আইনের দ্বারস্থ হব।



