Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর হাসপাতালে ‘ঘর দখল’, সুপারের আপত্তি, চিঠি সিএমওএইচ’কে

অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর হাসপাতালে ‘ঘর দখল’, সুপারের আপত্তি, চিঠি সিএমওএইচ’কে
  • ৬ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: অবসর নেওয়ার পরও একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী কেন হাসপাতালের ঘর দখল করে বসে থাকবেন? এবার এই প্রশ্ন তুলে সরব হলেন খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার ধীমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তৃণমূলের কর্মচারী ফেডারেশনের ওই নেতাকে বহিরাগত বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁর মতে ওই অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী বেআইনিভাবে প্রতিদিন হাসপাতালে ঢুকছেন। কিছুদিন ছুটি কাটিয়ে মঙ্গলবার কাজে যোগ দিয়েই সুপার এনিয়ে সিএমওএইচ’কে চিঠি দেন। তিনি আর জি করের প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন। এই ঘটনায় খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সিএমওএইচ সৌম্যশঙ্কর ষড়ঙ্গী বলেন, এরকম কোনও চিঠি এখনও দেখিনি। আগে দেখি তারপর মন্তব্য করব। 
Advertisement
প্রসঙ্গত সুপারের দীর্ঘদিন অফিসে না আসাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি শোরগোল পড়ে। অভিযোগ ওঠে সুপার অফিসে আসছেন না। এরপরই সিএমওএইচ তাঁর কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেন। ডেপুটি সিএমওএইচ’কে তদন্ত করে রিপোর্টও দিতে বলা হয়েছে। সুপার অবশ্য জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা। তাঁর দাবি, তিনি সরকারি নিয়ম মেনেই স্টেশন লিভ নেন। এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। তিনি এও বলেন, আমি সিএমওএইচ’র কাছে সব তথ্য পাঠিয়ে দিয়েছি। এরপর আবার এদিনের এই ঘটনায় হাসপাতালে চর্চা শুরু হয়েছে। 
সুপার বলেন, ওই কর্মচারী দীর্ঘদিন আগে চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। এখন তিনি হাসপাতালের কেউ নন। কিন্তু একজন ‘বহিরাগত’ হয়ে তিনি ‘বেআইনি’ ভাবে প্রতিদিন হাসপাতালে ঢুকছেন। একটা ঘর দখল করে বসে থাকছেন। আমি বিষয়টি এদিনই সিএমওএইচ’কে জানিয়েছি। সুপার আরও বলেন, আর জি কর কাণ্ডের পর কোনও বহিরাগত হাসপাতালে ঢুকতে পারে না। কোনও কর্মচারী ওই ঘরে গিয়ে বসলে আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু হাসপাতালের কেউ নন, এরকম একজন কেন বসে থাকবেন।
ওই অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী দিলীপ সরখেল বলেন, এরকম চিঠির কথা আমার জানা নেই। তবে আমি বহিরাগত নই। হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার সময় থেকে কাজ করেছি। ২০০৮ সালে অবসর নিই। এখন আমি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশনের খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতাল ইউনিটের উপদেষ্টা। ওই ঘর আমাদের সংগঠনের অফিস। সেখানে আমি আসতে পারি। বসে কাজ করতে পারি। সেটাই আমি করি। আমাদের সংগঠনের আইনে বলা আছে একজন অবসরপ্রাস্ত কর্মচারী উপদেষ্টা হিসেবে থাকতে পারেন। আমার সংগঠন সেই অধিকার আমাকে দিয়েছে। আমার সংগঠন যদি আসতে না বলে, আমি আসব না। সুপারের এব্যাপারে কিছু বলার অধিকার নেই। 
সম্পর্কিত সংবাদ