নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: রেশন দোকানে ২৫লক্ষ টাকা মূল্যের সামগ্রী কারচুপি! কোলাঘাট ব্লকের কোলা গ্রামে এমআর শপে ৬০০কুইন্টাল রেশনের চাল ও ৭০কুইন্টাল আটার হদিশ নেই। স্টক লিস্টের সঙ্গে গোডাউনে রেশন সামগ্রীর বিপুল ফারাক। খাদ্য দপ্তরের দুই চিফ ইন্সপেক্টর এবং এক ইন্সপেক্টরকে নিয়ে গঠিত টিম গত সোমবার আচমকা সুকুমার পালের ওই রেশন দোকানে হানা দেয়। সেখানেই বিপুল অনিয়ম সামনে আসে। ঘটনাস্থলেই অভিযুক্ত ডিলারকে সাসপেন্ড করা হয়। পাশাপাশি ৭৮বছর বয়সি সুকুমারবাবু ও তাঁর ছেলে কল্যাণ পালের বিরুদ্ধে কোলাঘাট থানায় এফআইআর করা হয়েছে। বয়সজনিত কারণে বাবার দোকান চালাতেন ছেলে। আপাতত অভিযুক্তের রেশন দোকানে তালা পড়েছে। ওই ডিলারের ১০হাজার ৮০০উপভোক্তা নিকটবর্তী ডিলার দীনেশ বাগের দোকান থেকে রেশন সামগ্রী সংগ্রহ করবেন। এই মর্মে দীনেশবাবুর দোকানে নোটিসও ঝোলানো হয়েছে।
Advertisement
কোলাঘাট ব্লকের কোলা গ্রামের ওই রেশন দোকানের বিরুদ্ধে কিছুদিন ধরেই অভিযোগ আসছিল। স্টক ঠিকমতো না থাকায় ডিলার রেশন সামগ্রী ঠিকমতো দিতে পারছিলেন না। বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য তমলুক মহকুমা খাদ্য নিয়ামক তিনজনের একটি টিম গঠন করেন। ওই টিমে ছিলেন খাদ্য দপ্তরের কোলাঘাটের চিফ ইন্সপেক্টর অশোক মজুমদার, তমলুকের চিফ ইন্সপেক্টর কার্তিক দাস এবং নন্দকুমারের ইন্সপেক্টর সৌমেন্দ্রনাথ ঘোষ। ৩০ডিসেম্বর বেলা ১টা নাগাদ ওই টিম রেশন দোকানে হানা দেয়। স্টক লিস্ট এবং মজুত থাকা রেশন সামগ্রী মিলিয়ে দেখতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার উপক্রম হয়।
খাদ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কুখাবাড় গ্রামের বাসিন্দা সুকুমার পালের নামে লাইসেন্স রয়েছে। তাঁর ছেলে কল্যাণ বাবার হয়ে দোকান চালান। ৬০০কুইন্টাল ৯১কেজি ৬৯০গ্রাম চাল হাপিস হয়ে গিয়েছে। তারমধ্যে আরকেএসওয়াই-১ কার্ডের উপভোক্তাদের জন্য বরাদ্দ ২৮৭কুইন্টাল চাল গায়েব। এছাড়াও পিএইচএইচ কার্ডের উপভোক্তাদের ২১৪কুইন্টাল চালের কোনও হিসেব নেই। মোট ৭০কুইন্টাল আটার গরমিল হয়েছে বলে খাদ্য দপ্তরের রিপোর্ট। তারমধ্যে শুধুমাত্র পিএইচএইচ কার্ডের উপভোক্তাদের জন্য বরাদ্দ ৬৭কুইন্টাল আটার কোনও হদিশ নেই।
এত বড় অনিয়মের ঘটনায় অবাক খাদ্যদপ্তরের ওই টিম। হিসেব কষে দেখা যায়, প্রায় ২৫লক্ষ টাকা মূল্যের রেশন সামগ্রীর অনিয়ম হয়েছে। এরপর ঘটনাস্থলেই ওই ডিলারকে শোকজ এবং সাসপেনশনের চিঠি ধরানো হয়। ওই টিম থানায় সপুত্র ডিলারের বিরুদ্ধে এফআইআর করে। অভিযুক্ত ডিলারের ছেলে কল্যাণ পাল বলেন, একটা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় কিছু রেশন সামগ্রী নষ্ট হয়ে যায়। তখন থেকেই ঘাটতি রয়ে গিয়েছে। আমাদের ১৫দিন সময় দিলে এই ঘাটতি পূরণ করে দেব। আমাদের শোকজ এবং সাসপেন্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারই শোকজের জবাব দিয়েছি।
খাদ্যদপ্তরের কোলাঘাটের চিফ ইন্সপেক্টর বলেন, কোলা গ্রামের ওই রেশন দোকান থেকে বেশকিছু অভিযোগ আসার পরই টিম গঠন করে ভিজিটের সিদ্ধান্ত হয়। সেই ভিজিটে বিপুল পরিমাণ রেশন সামগ্রীর ঘাটতি নজরে আসে। ডিলারকে শোকজ ও সাসপেন্ড করা হয়েছে। আপাতত ওই দোকানের উপভোক্তারা পাশের রেশন দোকান থেকে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করবেন।
খাদ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কুখাবাড় গ্রামের বাসিন্দা সুকুমার পালের নামে লাইসেন্স রয়েছে। তাঁর ছেলে কল্যাণ বাবার হয়ে দোকান চালান। ৬০০কুইন্টাল ৯১কেজি ৬৯০গ্রাম চাল হাপিস হয়ে গিয়েছে। তারমধ্যে আরকেএসওয়াই-১ কার্ডের উপভোক্তাদের জন্য বরাদ্দ ২৮৭কুইন্টাল চাল গায়েব। এছাড়াও পিএইচএইচ কার্ডের উপভোক্তাদের ২১৪কুইন্টাল চালের কোনও হিসেব নেই। মোট ৭০কুইন্টাল আটার গরমিল হয়েছে বলে খাদ্য দপ্তরের রিপোর্ট। তারমধ্যে শুধুমাত্র পিএইচএইচ কার্ডের উপভোক্তাদের জন্য বরাদ্দ ৬৭কুইন্টাল আটার কোনও হদিশ নেই।
এত বড় অনিয়মের ঘটনায় অবাক খাদ্যদপ্তরের ওই টিম। হিসেব কষে দেখা যায়, প্রায় ২৫লক্ষ টাকা মূল্যের রেশন সামগ্রীর অনিয়ম হয়েছে। এরপর ঘটনাস্থলেই ওই ডিলারকে শোকজ এবং সাসপেনশনের চিঠি ধরানো হয়। ওই টিম থানায় সপুত্র ডিলারের বিরুদ্ধে এফআইআর করে। অভিযুক্ত ডিলারের ছেলে কল্যাণ পাল বলেন, একটা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় কিছু রেশন সামগ্রী নষ্ট হয়ে যায়। তখন থেকেই ঘাটতি রয়ে গিয়েছে। আমাদের ১৫দিন সময় দিলে এই ঘাটতি পূরণ করে দেব। আমাদের শোকজ এবং সাসপেন্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারই শোকজের জবাব দিয়েছি।
খাদ্যদপ্তরের কোলাঘাটের চিফ ইন্সপেক্টর বলেন, কোলা গ্রামের ওই রেশন দোকান থেকে বেশকিছু অভিযোগ আসার পরই টিম গঠন করে ভিজিটের সিদ্ধান্ত হয়। সেই ভিজিটে বিপুল পরিমাণ রেশন সামগ্রীর ঘাটতি নজরে আসে। ডিলারকে শোকজ ও সাসপেন্ড করা হয়েছে। আপাতত ওই দোকানের উপভোক্তারা পাশের রেশন দোকান থেকে খাদ্যসামগ্রী সংগ্রহ করবেন।



