সংবাদদাতা, রামপুরহাট: গত বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর নলহাটিতে ব্যবসায়ী খুনে ফেরার অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী জেহেদি হাসান ওরফে ছোটন শেখকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। তার খোঁজ দিতে পারলে ৫০হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল সিবিআই। কয়েকমাস আগে তার নামে ওয়ারেন্ট জারি করেছিল রামপুরহাট আদালত। অবশেষে খুনের ৩২ মাস পর রবিবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করে। সোমবার তাকে আদালতের ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে তোলা হয়। বিচারক ধৃতের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন তাকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন।
Advertisement
২০২১সালের ১৪মে নলহাটির পাইকপাড়া থেকে মধুরা গ্রামে যাওয়ার ক্যানেলপাড়ের রাস্তার ধারের মাঠ থেকে মনোজ জয়সওয়াল(৩৭) নামে ওই যুবকের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁকে পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি দাবি করে, ওই যুবক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। তৃণমূল সেটা সহ্য করতে না পেরে ফলাফল ঘোষণার পর তাঁকে পিটিয়ে খুন করে। যদিও ওই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক যোগ নেই বলে পাল্টা দাবি করে তৃণমূল নেতৃত্ব। পরিবারের পক্ষ থেকে ছ’জনের নামে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিসের তদন্তে উঠে আসে, ব্যবসা সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের জেরেই এই খুন। সেইমতো মইনুদ্দিন শেখ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে আজিমুদ্দিন শেখ ও ইমরান শেখ নামে আরও দুই অভিযুক্ত থানায় আত্মসমর্পণ করে। অভিযুক্তরা সকলেই মৃতের পূর্বপরিচিত। ওই বছরের ১৮আগস্ট ফেরার অভিযুক্ত জেহেদি হাসান ওরফে ছোটন ও ফারুক আলি ওরফে বাদলের নামে হুলিয়া জারি করে রামপুরহাট আদালত।
ওইবছর সেপ্টেম্বর মাসে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার জেরে বেশ কয়েকটি খুনের তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সিবিআই পরে বাদল শেখ ও চাঁদ মহম্মদকে গ্রেপ্তার করে। যদিও ছোটন অধরা ছিল। ২০২২সালের ১৩মে ছ’জন অভিযুক্তের নামে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। সেইসঙ্গে ছোটনের খোঁজ দিতে পারলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। কয়েক মাস আগে সিবিআইয়ের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত ছোটনের নামে ওয়ারেন্ট জারি করে। পরবর্তী সময়ে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয় আদালত। অবশেষে তাকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ছোটন নলহাটি হীরালাল ভকত কলেজের প্রাক্তন জিএস। এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই ছোটন পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। রবিবার নলহাটির ৮নম্বর ওয়ার্ডের বিধুপাড়ার বাড়িতে সে ফেরে। পুলিস খবর পেয়ে সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে মইনুদ্দিন, ইমরান, বাদল ও আজিমুদ্দিন জেলে রয়েছে। চাঁদ মহম্মদ জামিনে। সরকারি আইনজীবী সৈকত হাটি বলেন, ছোটনকে বাদ রেখেই ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে এই মামলার ট্রায়াল চলছে। তাই ধৃতকে এদিন সেই কোর্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২১ ও ২২ জানুয়ারি এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে। -নিজস্ব চিত্র
ওইবছর সেপ্টেম্বর মাসে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার জেরে বেশ কয়েকটি খুনের তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সিবিআই পরে বাদল শেখ ও চাঁদ মহম্মদকে গ্রেপ্তার করে। যদিও ছোটন অধরা ছিল। ২০২২সালের ১৩মে ছ’জন অভিযুক্তের নামে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। সেইসঙ্গে ছোটনের খোঁজ দিতে পারলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। কয়েক মাস আগে সিবিআইয়ের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত ছোটনের নামে ওয়ারেন্ট জারি করে। পরবর্তী সময়ে তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেয় আদালত। অবশেষে তাকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। ছোটন নলহাটি হীরালাল ভকত কলেজের প্রাক্তন জিএস। এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। পুলিস জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই ছোটন পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। রবিবার নলহাটির ৮নম্বর ওয়ার্ডের বিধুপাড়ার বাড়িতে সে ফেরে। পুলিস খবর পেয়ে সেখান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে মইনুদ্দিন, ইমরান, বাদল ও আজিমুদ্দিন জেলে রয়েছে। চাঁদ মহম্মদ জামিনে। সরকারি আইনজীবী সৈকত হাটি বলেন, ছোটনকে বাদ রেখেই ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে এই মামলার ট্রায়াল চলছে। তাই ধৃতকে এদিন সেই কোর্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২১ ও ২২ জানুয়ারি এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে। -নিজস্ব চিত্র



