সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ইসলামপুরের আলিনগর-স্টেশন রোডে রেল ক্রসিংয়ে ওভারব্রিজের দাবিতে সরব হয়েছে বিভিন্ন মহল। এই দাবি আদায়ে নানা কর্মসূচি নিতে আলিনগর-স্টেশনরোড ওভারব্রিজ ডিমান্ড কমিটিও তৈরি হয়েছে।
Advertisement
কমিটির পক্ষ থেকে এর আগে ডিআরএম থেকে জিএম পর্যন্ত দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু কাজ হয়নি। ওভার ব্রিজের দাবিতে এবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করেছে ডিমান্ড কমিটি। আগামী ১৪ ডিসেম্বর আলুয়াবাড়ি রোড স্টেশনে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অবস্থান বিক্ষোভে বসছে চলেছেন কমিটির সদস্যরা। রেল কর্তৃপক্ষকে দাবি ও কর্মসূচি সম্পর্কে ইতিমধ্যে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ইসলামপুর পুরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের একাংশ রেললাইনের পূর্বদিকে। বাকি অংশ রেললাইনের পশ্চিম দিকে। আলিনগর, হুসেনপুর, লোকনাথ নগর ও খেরবাড়ির মানুষ প্রতিদিন রেল ক্রসিং পেরিয়ে শহরে যাওয়া-আসা করেন। সংলগ্ন বিহার থেকেও প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ইসলামপুরে আসেন। ট্রেনের সংখ্যা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পাওয়াতে ঘনঘন পড়ে রেলগেট। এতে গতি থমকে যায়। এতে ভোগান্তির অন্ত থাকে না। যানজটের সৃষ্টি হয়। এই অবস্থা প্রতিকারে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর দাবি ওভার ব্রিজের। কিন্তু রেল কর্তৃপক্ষের কোনও হেলদোল নেই বলে অভিযোগ।
স্থানীয় কাউন্সিলার তথা ডিমান্ড কমিটির সভাপতি গুরুদাস সাহা বলেন, বাসিন্দাদের দীর্ঘক্ষণ রেলগেটে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অ্যাম্বুলেন্সও আটকে পড়ে। ওভারব্রিজের জন্য রেলের পর্যাপ্ত জমিও আছে। তারপরও কাজ হচ্ছে না। গুরুদাস জানান, ডিআরএম ও জিএমকে আমাদের দাবি জানানো হয়েছিল। কাজ হয়নি। এবার আমরা আন্দলনে নামছি। ১৪ ডিসেম্বর অবস্থান বিক্ষোভের পরে রেলের পক্ষ থেকে সদর্থক পদক্ষেপ না নিলে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে। রেল সূত্রে জানা গেছে, ফান্ড এলে ওভারব্রিজ কিংবা আন্ডারপাস নির্মাণ হবে।
ইসলামপুর পুরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের একাংশ রেললাইনের পূর্বদিকে। বাকি অংশ রেললাইনের পশ্চিম দিকে। আলিনগর, হুসেনপুর, লোকনাথ নগর ও খেরবাড়ির মানুষ প্রতিদিন রেল ক্রসিং পেরিয়ে শহরে যাওয়া-আসা করেন। সংলগ্ন বিহার থেকেও প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ইসলামপুরে আসেন। ট্রেনের সংখ্যা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পাওয়াতে ঘনঘন পড়ে রেলগেট। এতে গতি থমকে যায়। এতে ভোগান্তির অন্ত থাকে না। যানজটের সৃষ্টি হয়। এই অবস্থা প্রতিকারে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর দাবি ওভার ব্রিজের। কিন্তু রেল কর্তৃপক্ষের কোনও হেলদোল নেই বলে অভিযোগ।
স্থানীয় কাউন্সিলার তথা ডিমান্ড কমিটির সভাপতি গুরুদাস সাহা বলেন, বাসিন্দাদের দীর্ঘক্ষণ রেলগেটে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। অ্যাম্বুলেন্সও আটকে পড়ে। ওভারব্রিজের জন্য রেলের পর্যাপ্ত জমিও আছে। তারপরও কাজ হচ্ছে না। গুরুদাস জানান, ডিআরএম ও জিএমকে আমাদের দাবি জানানো হয়েছিল। কাজ হয়নি। এবার আমরা আন্দলনে নামছি। ১৪ ডিসেম্বর অবস্থান বিক্ষোভের পরে রেলের পক্ষ থেকে সদর্থক পদক্ষেপ না নিলে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে। রেল সূত্রে জানা গেছে, ফান্ড এলে ওভারব্রিজ কিংবা আন্ডারপাস নির্মাণ হবে।



