শ্রীকান্ত পড়্যা, তমলুক: তমলুক লোকসভার সবক’টি বিধানসভা থেকেই লিড নিয়ে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। অথচ, উন্নয়নের প্রশ্নে তাঁর কাছে সব বিধানসভা সমান গুরুত্ব পেল না। তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সম্প্রতি তাঁর তহবিলের ৮১লক্ষ ৬৭হাজার ৯১৭টাকা মূল্যে ১৯টি প্রকল্প ডিএম অফিসে জমা করেছেন। তারমধ্যে ১৭টি প্রকল্পই নন্দীগ্রাম বিধানসভা এলাকার জন্য। ওই একটি বিধানসভা এলাকায় কাজের জন্য ৬৩লক্ষ ৭০হাজার টাকা মূল্যের ১৭টি স্কিম জমা পড়েছে। এছাড়া, তমলুক বিধানসভার এলাকায় দু’টি স্কুল বিল্ডিং নির্মাণে ১৮লক্ষ টাকার প্রকল্প জমা করেছেন। উন্নয়নের প্রশ্নে নন্দীগ্রাম তাঁর কাছে সুয়োরানি হলেও তমলুক লোকসভার অন্য বিধানসভাগুলি আক্ষরিক অর্থেই দুয়োরানি। এটা জানাজানি হতেই বিজেপি নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ ঝরে পড়ছে। যদিও সাংসদ বলেন, আমি এনিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।
Advertisement
১৮তম লোকসভা গঠনের পর সাংসদ তহবিলে এলাকা উন্নয়নের জন্য পাঁচ কোটি টাকা করে বরাদ্দ হয়েছে। তারমধ্যে ১০লক্ষ টাকা কন্টিনজেন্সি খাতে খরচ হবে। বাকি ৪কোটি ৯০লক্ষ টাকা উন্নয়নে ব্যবহার করা হবে। আগে প্রতিটি জেলার ট্রেজারিতে টাকা আসত। এখন নিয়ম বদল হয়েছে। সরাসরি টাকা পাঠানো হয় না। গোটা প্রক্রিয়াটি অনলাইন সিস্টেমে আনা হয়েছে। সংসদ সদস্য স্থানীয় ক্ষেত্র বিকাশ যোজনা ওয়েবসাইট থেকে সংসদ সদস্য কোটায় অর্থ মঞ্জুর, প্রকল্প জমা, ইউসি জমা প্রভৃতি করা হয়।
ইতিমধ্যে তমলুক এবং কাঁথির সাংসদ কোটায় ১০কোটি টাকা বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। আগামী এক বছরের জন্য ওই দুই সংসদ সদস্য প্রকল্প জমা করবেন। তার ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন প্রকল্প অনুমোদন করবে।
এখনও পর্যন্ত তমলুকের সাংসদ ১৯টি স্কিমের তালিকা জমা করেছেন। প্রকল্পমূল্য ধরা হয়েছে ৮১লক্ষ ৬৭হাজার ৯১৭টাকা। রাস্তা, পানীয় জল, স্ট্রিট লাইট, স্কুলভবন প্রভৃতি কাজ রয়েছে। তারমধ্যে ৩৪লক্ষ টাকা মূল্যের সাতটি প্রকল্পের কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, ১৯টির মধ্যে ১৭টি স্কিম শুধুমাত্র নন্দীগ্রাম বিধানসভার জন্য। এছাড়া, তমলুক বিধানসভার খারুই হাইস্কুলের উন্নয়নে ১০লক্ষ টাকা এবং সাতকালুয়া প্রাইমারি স্কুল ভবন সংস্কারে আট লক্ষ টাকার প্রকল্প জমা করেছেন।
তমলুকের সংসদ সদস্যের জমা দেওয়া তালিকায় হলদিয়া, ময়না, নন্দকুমার, কোলাঘাট কিংবা মহিষাদল বিধানসভার কোনও কাজের উল্লেখ নেই। সম্প্রতি বন্যায় কোলাঘাটের বিস্তীর্ণ এলাকায় রাস্তাঘাট, সাঁকো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংসদ সদস্য নিজে দেড়িয়াচক ও ভোগপুর পঞ্চায়েত এলাকা পরিদর্শনের সময় স্থানীয়রা এবিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণও করেছিলেন। কিন্তু, কোলাঘাটের একটিও স্কিম উল্লেখ করা হয়নি। নন্দীগ্রামের মতো হলদিয়া এবং ময়না বিধানসভাও বিজেপির। নন্দীগ্রামের জন্য প্রায় ৬৪লক্ষ টাকার ১৭টি স্কিমের তালিকা জমা পড়লেও ময়না কিংবা হলদিয়ার জন্য কোনও কাজের উল্লেখ নেই। আর এনিয়েই বিজেপি নেতাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে।
নন্দকুমার পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপির সদস্য গৌরাঙ্গ মান্না বলেন, আমাদের ব্লকে অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। আমরা সাংসদকে তার তালিকাও দিয়েছি। এমপি-র জমা দেওয়া স্কিম তালিকায় একচেটিয়া নন্দীগ্রাম এলাকার কেন, সেটা উনিই ভালো বলতে পারবেন। আশা করব, আগামী দিনে অন্যান্য বিধানসভা এলাকার কাজকর্মও তাঁর কাছে গুরুত্ব পাবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ময়নার বিজেপির এক মণ্ডল সভাপতি বলেন, একচেটিয়া নন্দীগ্রাম এলাকার স্কিম জমা নিয়ে দলেই হইচই হয়েছে। তানিয়ে সাংসদের কাছে ক্ষোভও জানানো হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে তিনি অন্যান্য বিধানসভা এলাকার কাজের তালিকা জমা করবেন বলে কথা দিয়েছেন।
ইতিমধ্যে তমলুক এবং কাঁথির সাংসদ কোটায় ১০কোটি টাকা বরাদ্দ হয়ে গিয়েছে। আগামী এক বছরের জন্য ওই দুই সংসদ সদস্য প্রকল্প জমা করবেন। তার ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন প্রকল্প অনুমোদন করবে।
এখনও পর্যন্ত তমলুকের সাংসদ ১৯টি স্কিমের তালিকা জমা করেছেন। প্রকল্পমূল্য ধরা হয়েছে ৮১লক্ষ ৬৭হাজার ৯১৭টাকা। রাস্তা, পানীয় জল, স্ট্রিট লাইট, স্কুলভবন প্রভৃতি কাজ রয়েছে। তারমধ্যে ৩৪লক্ষ টাকা মূল্যের সাতটি প্রকল্পের কাজের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, ১৯টির মধ্যে ১৭টি স্কিম শুধুমাত্র নন্দীগ্রাম বিধানসভার জন্য। এছাড়া, তমলুক বিধানসভার খারুই হাইস্কুলের উন্নয়নে ১০লক্ষ টাকা এবং সাতকালুয়া প্রাইমারি স্কুল ভবন সংস্কারে আট লক্ষ টাকার প্রকল্প জমা করেছেন।
তমলুকের সংসদ সদস্যের জমা দেওয়া তালিকায় হলদিয়া, ময়না, নন্দকুমার, কোলাঘাট কিংবা মহিষাদল বিধানসভার কোনও কাজের উল্লেখ নেই। সম্প্রতি বন্যায় কোলাঘাটের বিস্তীর্ণ এলাকায় রাস্তাঘাট, সাঁকো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংসদ সদস্য নিজে দেড়িয়াচক ও ভোগপুর পঞ্চায়েত এলাকা পরিদর্শনের সময় স্থানীয়রা এবিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণও করেছিলেন। কিন্তু, কোলাঘাটের একটিও স্কিম উল্লেখ করা হয়নি। নন্দীগ্রামের মতো হলদিয়া এবং ময়না বিধানসভাও বিজেপির। নন্দীগ্রামের জন্য প্রায় ৬৪লক্ষ টাকার ১৭টি স্কিমের তালিকা জমা পড়লেও ময়না কিংবা হলদিয়ার জন্য কোনও কাজের উল্লেখ নেই। আর এনিয়েই বিজেপি নেতাদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে।
নন্দকুমার পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপির সদস্য গৌরাঙ্গ মান্না বলেন, আমাদের ব্লকে অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। আমরা সাংসদকে তার তালিকাও দিয়েছি। এমপি-র জমা দেওয়া স্কিম তালিকায় একচেটিয়া নন্দীগ্রাম এলাকার কেন, সেটা উনিই ভালো বলতে পারবেন। আশা করব, আগামী দিনে অন্যান্য বিধানসভা এলাকার কাজকর্মও তাঁর কাছে গুরুত্ব পাবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ময়নার বিজেপির এক মণ্ডল সভাপতি বলেন, একচেটিয়া নন্দীগ্রাম এলাকার স্কিম জমা নিয়ে দলেই হইচই হয়েছে। তানিয়ে সাংসদের কাছে ক্ষোভও জানানো হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে তিনি অন্যান্য বিধানসভা এলাকার কাজের তালিকা জমা করবেন বলে কথা দিয়েছেন।



