সংবাদদাতা, রামপুরহাট: অবৈধ কারবারিদের কাছে দাম কম। তাই তাদের কাছ থেকেই বিস্ফোরক কিনছেন পাথর খাদান ব্যবসায়ীদের একাংশ। এর জেরেই বাড়ছে অবৈধ বিস্ফোরকের কারবার। ধরা পড়লেও তেমন কেউ গ্রেপ্তার হয় না। বৈধ কারবারিদের মতে, ‘অদৃশ্য সেটিং’এর জন্যই অবৈধ বিস্ফোরক কারবারের রমরমা বাড়ছে বীরভূমে।
Advertisement
২০২২ সালের জুন মাসে মহম্মদবাজারে অভিযান চালিয়ে ৮১ হাজার জিলেটিন স্টিক এবং ২৭ হাজার কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করে এসটিএফ। তদন্তে নামে এনআইএ। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মনোজ ঘোষ নামে বানিওর পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য তথা পাথর ব্যবসায়ীর অফিস ও বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিস্ফোরক উদ্ধার করেছিল এনআইএ। বর্তমানে মনোজ জেল হেফাজতে আছেন। বিস্ফোরক পাচার যোগে মুরারই-২ ব্লকের কুশমোড়-২ অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত অঞ্চল সভাপতি ইসলাম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। গ্রেপ্তার করা হয় মুরারইয়ের বাসিন্দা আইটি ইঞ্জিনিয়ার মীর মহম্মদ নূরে জামান নামে এক যুবককে। ওই বছর আগস্টে রামপুরহাট থানার রদিপুরে পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ১২ হাজার জিলেটিন স্টিক উদ্ধার করে পুলিস। নলহাটির মধুপুরে একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে প্রচুর বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। গতবছর ২৫জানুয়ারি রামপুরহাটের ঝাড়খণ্ড সীমানা লাগোয়া হস্তিকাঁদা থেকে বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। গত মঙ্গলবারও হস্তিকাঁদা জঙ্গলে একটি গোডাউন থেকে উদ্ধার হয় বিপুল বিস্ফোরক। পাঁচদিন পেরিয়ে গেলেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিস। সূত্রের দাবি, শিল্পাঞ্চলের অনেকেই এই কারবারে যুক্ত। গ্রামের শেষ প্রান্তে বা জঙ্গলে টিন বা খড়ের চালার বাড়ি বানিয়ে রমরমিয়ে কারবার চলছে।
বৈধ ব্যবসায়ীদের দাবি, জেলার মল্লারপুর, পাঁচামি ও নলহাটিতে বৈধ বিস্ফোরক কারবার রয়েছে। যদিও এই মুহূর্তে পিডিসিএলের অধীনে জায়গাটা চলে আসায় পাঁচামির কারবার বন্ধ রয়েছে। তাঁরা বলেন, অবৈধ কারবারিরা ডিটোনেটর ও জিলেটিন স্টিক কিছুটা কম দামে খুচরো বিক্রি করছে। অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের দামও কম। ফলে অনেক খাদান ব্যবসায়ী অবৈধ কারবারিদের কাছ থেকে বিস্ফোরক কিনছে। লাভ বেশি হওয়ায় অনেকে ঝুঁকি জেনেও রাতারাতি বড়লোক হতে এই অবৈধ কারবারে নামছে।
সূত্রের দাবি, তেলেঙ্গানা ও ওড়িশার সুন্দরগড় জেলার সেনাপার্বত এলাকা থেকে বিস্ফোরকগুলি ঝাড়খণ্ড হয়ে বীরভূমের পাথর শিল্পাঞ্চলে আনা হচ্ছে। আন্তঃরাজ্য বিস্ফোরক পাচার চক্রের হাত রয়েছে।
বৈধ কারবারিরা বলছেন, অবৈধ কারবার সম্পর্কে প্রশাসনও জানে। এই কারবারের রমরমার পিছনে অদৃশ্য সেটিং রয়েছে। নইলে এত দূর রাস্তা পার করে এখানে আসছে কীভাবে? অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে এই কারবার চলছে। যে কোনও সময় বড়সড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে। কিছুদিন আগেই খয়রাশোলে মজুত বিস্ফোরক থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে। এসব নিয়ে এত ছেলেখেলা বন্ধ করা উচিত প্রশাসনের।
সূত্রের দাবি, রামপুরহাট, মহম্মদবাজার, নলহাটি, রাজগ্রাম পাথর শিল্পাঞ্চলজুড়ে অবৈধভাবে বিস্ফোরকের কারবার চলছে। যদিও ২০১৭ সাল থেকেই জেলায় ২১৭টি খাদানের মধ্যে ২১১টি বন্ধের নোটিস দেয় পরিবেশ আদালত। সেগুলি কাগজকলমে বন্ধ থাকলেও অধিকাংশই চালু রয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে বিস্ফোরকের চাহিদাও তুঙ্গে। তাতেই এই কারবারের রমরমা বেড়েই চলছে। সেখান থেকে বোমা তৈরির সামগ্রী সহজেই চলে আসে দুষ্কৃতীদের হাতে। যদিও পুলিস জানাচ্ছে, তারা তৎপর রয়েছে। সেকারণে বিস্ফোরক উদ্ধার হচ্ছে।
বৈধ ব্যবসায়ীদের দাবি, জেলার মল্লারপুর, পাঁচামি ও নলহাটিতে বৈধ বিস্ফোরক কারবার রয়েছে। যদিও এই মুহূর্তে পিডিসিএলের অধীনে জায়গাটা চলে আসায় পাঁচামির কারবার বন্ধ রয়েছে। তাঁরা বলেন, অবৈধ কারবারিরা ডিটোনেটর ও জিলেটিন স্টিক কিছুটা কম দামে খুচরো বিক্রি করছে। অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের দামও কম। ফলে অনেক খাদান ব্যবসায়ী অবৈধ কারবারিদের কাছ থেকে বিস্ফোরক কিনছে। লাভ বেশি হওয়ায় অনেকে ঝুঁকি জেনেও রাতারাতি বড়লোক হতে এই অবৈধ কারবারে নামছে।
সূত্রের দাবি, তেলেঙ্গানা ও ওড়িশার সুন্দরগড় জেলার সেনাপার্বত এলাকা থেকে বিস্ফোরকগুলি ঝাড়খণ্ড হয়ে বীরভূমের পাথর শিল্পাঞ্চলে আনা হচ্ছে। আন্তঃরাজ্য বিস্ফোরক পাচার চক্রের হাত রয়েছে।
বৈধ কারবারিরা বলছেন, অবৈধ কারবার সম্পর্কে প্রশাসনও জানে। এই কারবারের রমরমার পিছনে অদৃশ্য সেটিং রয়েছে। নইলে এত দূর রাস্তা পার করে এখানে আসছে কীভাবে? অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে এই কারবার চলছে। যে কোনও সময় বড়সড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটতে পারে। কিছুদিন আগেই খয়রাশোলে মজুত বিস্ফোরক থেকে বিস্ফোরণ ঘটেছে। এসব নিয়ে এত ছেলেখেলা বন্ধ করা উচিত প্রশাসনের।
সূত্রের দাবি, রামপুরহাট, মহম্মদবাজার, নলহাটি, রাজগ্রাম পাথর শিল্পাঞ্চলজুড়ে অবৈধভাবে বিস্ফোরকের কারবার চলছে। যদিও ২০১৭ সাল থেকেই জেলায় ২১৭টি খাদানের মধ্যে ২১১টি বন্ধের নোটিস দেয় পরিবেশ আদালত। সেগুলি কাগজকলমে বন্ধ থাকলেও অধিকাংশই চালু রয়েছে বলে অভিযোগ। ফলে বিস্ফোরকের চাহিদাও তুঙ্গে। তাতেই এই কারবারের রমরমা বেড়েই চলছে। সেখান থেকে বোমা তৈরির সামগ্রী সহজেই চলে আসে দুষ্কৃতীদের হাতে। যদিও পুলিস জানাচ্ছে, তারা তৎপর রয়েছে। সেকারণে বিস্ফোরক উদ্ধার হচ্ছে।



