সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মধ্যে থাকা অবৈধ বাজার, জবরদখল সরিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিস ও জেলা প্রশাসনকে ফের চিঠি দিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গত শনিবার মাঝরাতে এসএনসিইউ›র কাছে হাসপাতালের আবর্জনায় আগুন লাগে। কাছেই রয়েছে প্রসূতি বিভাগ লাগোয়া অবৈধ বাজার। এই বাজারে আগুন ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে ব্যাপক ক্ষতি হতো। চিকিৎসাধীন রোগীদের প্রাণহানি হতে পারত। তাই পুনরাবৃত্তি রুখতে এই পদক্ষেপ নিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যদিও বাজার কে সরাবে, কোন পক্ষই বা মেডিক্যাল কলেজ চত্বরকে দখলমুক্ত করবে তা নিয়ে নতুন সরাসরি এগিয়ে আসছে না।
Advertisement
আর জি কর কাণ্ডের পর উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের একাধিক পরিদর্শন ও আলোচনায় হাসপাতাল চত্বর থেকে অবৈধ বাজার ও জবরদখল সরানোর সিদ্ধান্ত হয়। সম্প্রতি স্টেট অডিট সিকিউরিটি কমিটির চেয়ারম্যান সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ বৈঠকে এবং হাসপাতাল পরিদর্শন করে এই বাজার সরিয়ে দেওয়ার জন্য পুলিসকে নির্দেশ দিয়ে গিয়েছেন। একথা জানিয়ে হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিক বলেন, আর জি কর কাণ্ডের আগেও একাধিকবার এই অবৈধ বাজার সরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর জি কর কাণ্ডের পর নিরাপত্তার তাগিদে পুলিসের উপস্থিতিতে বাজার সরোনোর কথা হয়েছে। তারপরও কেন এই বাজার সরানো হচ্ছে না, বুঝতে পারছি না। শনিবারের অগ্নিকাণ্ডের পর আমরা উদ্বিগ্ন। তাই অবিলম্বে এই বাজার সরানোর জন্য পুলিস ও জেলা প্রশাসনকে ফের চিঠি দিয়েছি। শনিবার রাতে বড়সড় অগ্নিকাণ্ড থেকে হাসপাতাল রক্ষা পেয়েছে। তাতে এই বাজার অবিলম্বে সরিয়ে দেওয়াটা জরুরি।
কিন্তু বাজার কে সড়াবে, তা নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। পুলিসের একটি মহলের বক্তব্য, তারা আইন-শৃঙ্খলার দিকটি দেখবে। বাজার তারা সরাবে না। এটা হাসপাতাল দেখবে। হাসপাতাল সুপার বলেন, পুলিস ও জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের আলোচনায় এই বাজার সরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। কাজেই এব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু করবে না। বিষয়টি সকলেরই জানা।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের কমিশনার সি সুধাকরর বলেন, পুলিস এ ধরনের অবৈধ দখল সরাবে না। মেডিক্যাল কলেজ পঞ্চায়েত এলাকায় রয়েছে। তাই মাটিগাড়ার বিডিওকে দখল হটানোর নোটিস দিতে হবে। সেই নোটিস দিয়ে আমাদের সাহায্য চাইলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় পুলিস কর্মী সঙ্গে দেব।
তবে শুধু অবৈধ বাজার বা দখল মুক্তই নয়, এবার হাসপাতালে মধ্যে থাকা যত্রতত্র অ্যাম্বুলেন্স পার্কিংয়ে নিয়ন্ত্রণ আনতে উদ্যোগী হয়েছেন সুপার। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অতীতে বিভিন্ন ঘটনায় হাসপাতাল চত্বর থেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের রমরমা বন্ধ করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বেসেকারি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। তারপর দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালে সর্বত্রই বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দাঁড়িয়ে থাকছে। সুপার বলেন, এই দিকটি বিষয়টি পুলিসকে দেখতে হবে। সে ব্যাপারেও আমরা পুলিস ও জেলা প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছি।
কিন্তু বাজার কে সড়াবে, তা নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। পুলিসের একটি মহলের বক্তব্য, তারা আইন-শৃঙ্খলার দিকটি দেখবে। বাজার তারা সরাবে না। এটা হাসপাতাল দেখবে। হাসপাতাল সুপার বলেন, পুলিস ও জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের আলোচনায় এই বাজার সরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। কাজেই এব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু করবে না। বিষয়টি সকলেরই জানা।
শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের কমিশনার সি সুধাকরর বলেন, পুলিস এ ধরনের অবৈধ দখল সরাবে না। মেডিক্যাল কলেজ পঞ্চায়েত এলাকায় রয়েছে। তাই মাটিগাড়ার বিডিওকে দখল হটানোর নোটিস দিতে হবে। সেই নোটিস দিয়ে আমাদের সাহায্য চাইলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় পুলিস কর্মী সঙ্গে দেব।
তবে শুধু অবৈধ বাজার বা দখল মুক্তই নয়, এবার হাসপাতালে মধ্যে থাকা যত্রতত্র অ্যাম্বুলেন্স পার্কিংয়ে নিয়ন্ত্রণ আনতে উদ্যোগী হয়েছেন সুপার। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অতীতে বিভিন্ন ঘটনায় হাসপাতাল চত্বর থেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের রমরমা বন্ধ করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বেসেকারি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। তারপর দেখা যাচ্ছে, হাসপাতালে সর্বত্রই বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দাঁড়িয়ে থাকছে। সুপার বলেন, এই দিকটি বিষয়টি পুলিসকে দেখতে হবে। সে ব্যাপারেও আমরা পুলিস ও জেলা প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছি।



