সংবাদদাতা, রামপুরহাট: ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকান রয়েছে। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে বন্ধ। রাতের দিকে হাসপাতালের বাইরে বেসরকারি ওষুধের দোকানও বন্ধ থাকে। ফলে চরম সমস্যায় পড়েছেন রোগীর পরিজনরা। খোদ রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসে হয়রানির শিকার হচ্ছেন অনেকে।
Advertisement
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী প্রকল্পগুলির মধ্যে অন্যতম ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকান। রাজ্যে পালাবদলের পর ২০১২সালে অধিকাংশ মেডিক্যাল কলেজ, মহকুমা হাসপাতাল ও বেশকিছু সরকারি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকান চালু হয়। সরকারিভাবে টেন্ডার ডেকে বেসরকারি সংস্থাকে এই দোকানগুলি চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই দোকানগুলি থেকে ৫০ শতাংশের বেশি ছাড়ে ওষুধ পাওয়া যায়। এতে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন দুঃস্থ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষজন।
কিন্তু এর মধ্যেও রোগীদের অনেককে বাইরে থেকে দামি ওষুধ কিনে আনতে বাধ্য করছেন রামপুরহাট মেডিক্যালের চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা যে ওষুধ লিখছেন তা মেডিক্যাল চত্বরে থাকা ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকানে মিলছে না। এমন অভিযোগ দীর্ঘদিন থেকেই তুলে আসছিলেন রোগীর আত্মীয় পরিজনরা। এরই মধ্যে গত বেশ কিছুদিন ধরে ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকান বন্ধ রয়েছে। ফলে ন্যায্যমূল্যে যেটুকু ওষুধ মিলছিল তাও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বহু দুঃস্থ পরিবারের রোগী ও পরিজনরা। দিনসাতেক ধরে রামপুরহাট মেডিক্যালে ভর্তি থাকা এক রোগীর আত্মীয় সফিকুল আলম বলেন, ভাইকে ভর্তির পর থেকেই দেখছি ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকানটি বন্ধ। ভাইয়ের জন্য দু’টি দামি ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়েছে। দোকানটি খোলা থাকলে কিছুটা অর্থ সাশ্রয় হতো।
দিনদুয়েক আগে শিশুসন্তানকে মেডিক্যালে ভর্তি করেন নলহাটির শ্যামল মণ্ডল। তিনি জানান, গভীর রাতে ছেলে কান্নাকাটি শুরু করে। চিকিৎসক একটি ওষুধ লিখে দেন। ২৪ঘণ্টাই ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকান খুলে থাকার কথা। কিন্তু সেই দোকানটি বন্ধ ছিল। এত রাতে হাসপাতালের বাইরে কোনও ওষুধের দোকানও খোলা ছিল না। দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। অনেকক্ষণ পর পরিচিত একজনকে ফোন করে একটি ওষুধের দোকান খোলানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকানটি বন্ধ। ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রোগীর পরিজনদের। মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়েও সদুত্তর না পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে তাঁদের।
মেডিক্যালের এমএসভিপি পলাশ দাস বলেন, কবে থেকে নায্য মূল্যের ওষুধের দোকানটি বন্ধ তা খেয়াল নেই। তবে এখন বন্ধ সেটা ঠিক। নতুন ভেন্ডার দায়িত্ব পেয়েছে। তারা দোকানঘর গুছিয়ে তারপর শুরু করবে। সেইমতো ভিতরে কাজ করছে। তিন-চারদিনের মধ্যে দোকানটি খোলার জন্য বলা হয়েছে।
কিন্তু এর মধ্যেও রোগীদের অনেককে বাইরে থেকে দামি ওষুধ কিনে আনতে বাধ্য করছেন রামপুরহাট মেডিক্যালের চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা যে ওষুধ লিখছেন তা মেডিক্যাল চত্বরে থাকা ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকানে মিলছে না। এমন অভিযোগ দীর্ঘদিন থেকেই তুলে আসছিলেন রোগীর আত্মীয় পরিজনরা। এরই মধ্যে গত বেশ কিছুদিন ধরে ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকান বন্ধ রয়েছে। ফলে ন্যায্যমূল্যে যেটুকু ওষুধ মিলছিল তাও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বহু দুঃস্থ পরিবারের রোগী ও পরিজনরা। দিনসাতেক ধরে রামপুরহাট মেডিক্যালে ভর্তি থাকা এক রোগীর আত্মীয় সফিকুল আলম বলেন, ভাইকে ভর্তির পর থেকেই দেখছি ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকানটি বন্ধ। ভাইয়ের জন্য দু’টি দামি ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হয়েছে। দোকানটি খোলা থাকলে কিছুটা অর্থ সাশ্রয় হতো।
দিনদুয়েক আগে শিশুসন্তানকে মেডিক্যালে ভর্তি করেন নলহাটির শ্যামল মণ্ডল। তিনি জানান, গভীর রাতে ছেলে কান্নাকাটি শুরু করে। চিকিৎসক একটি ওষুধ লিখে দেন। ২৪ঘণ্টাই ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকান খুলে থাকার কথা। কিন্তু সেই দোকানটি বন্ধ ছিল। এত রাতে হাসপাতালের বাইরে কোনও ওষুধের দোকানও খোলা ছিল না। দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। অনেকক্ষণ পর পরিচিত একজনকে ফোন করে একটি ওষুধের দোকান খোলানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে ন্যায্যমূল্যের ওষুধের দোকানটি বন্ধ। ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রোগীর পরিজনদের। মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়েও সদুত্তর না পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে তাঁদের।
মেডিক্যালের এমএসভিপি পলাশ দাস বলেন, কবে থেকে নায্য মূল্যের ওষুধের দোকানটি বন্ধ তা খেয়াল নেই। তবে এখন বন্ধ সেটা ঠিক। নতুন ভেন্ডার দায়িত্ব পেয়েছে। তারা দোকানঘর গুছিয়ে তারপর শুরু করবে। সেইমতো ভিতরে কাজ করছে। তিন-চারদিনের মধ্যে দোকানটি খোলার জন্য বলা হয়েছে।



