নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: নিউটাউনে ১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই কিনারা করেছে বিধাননগর কমিশনারেট। গ্রেপ্তার হয়েছে অভিযুক্ত টোটো চালক। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সহ টেকনিক্যাল প্রমাণ, বায়োলজিক্যাল প্রমাণ হাতে এসেছে পুলিসের। যে জায়গায় এই অপরাধ ঘটেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে নিউটাউনের সেই লোহাপুল এলাকার নিখুঁত ম্যাপিং এবং তদন্তের জন্য ড্রোন উড়িয়েছে পুলিস। তারের বেড়ার ছোট্ট কাটা অংশ দিয়ে ঢোকার শুরু থেকে ভিতরে ঘটনাস্থল পর্যন্ত ফিতে দিয়ে মেপে মাপজোকও করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য কী কী করা দরকার, তাও সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন পুলিস আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই লোহাপুল এলাকার উল্টোদিকে বাজারের দিকে এবং জ্যোতিনগর নতুনবাজারে বেশ কয়েকটি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। পুলিসের সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্থানীয় বাজার কমিটি ওই ক্যামেরা বসিয়েছে। নিউটাউন কলকাতা ডেভেলপমেন্ট অথরিটিও (এনকেডিএ) পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা বসানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। তার প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে অভিমান করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল ১৪ বছরের এক কিশোরী। পরের দিন ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে নিউটাউনের লোহাপুল এলাকায় তার অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার হয়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সহ বেশ কিছু তথ্য হাতে আসার পর পুলিস ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে সৌমিত্র রায় নামের এক টোটোচালককে গ্রেপ্তার করে। জেরায় সে অপরাধ স্বীকার করেছে। তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, অভিমান ভাঙার পর কিশোরী বাড়ি ফিরতে চেয়েছিল। সেকারণে জগৎপুরে সৌমিত্র রায়ের টোটোয় ওঠে। কিন্তু, সে বাড়ি না পৌঁছে দিয়ে নিউটাউনের লোহাপুলে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ ও খুন করে।
অভিযুক্তকে নিয়ে বুধবার ঘটনা পুনর্নির্মাণ করেছে পুলিস। বৃহস্পতিবারও পুলিস ঘটনাস্থলে তদন্তে যায়। তদন্তের স্বার্থে ওই জায়গাটি ঘিরে রাখা হয়েছে। কারণ, সেখান থেকে প্রচুর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এখনও সংগ্রহ করা হচ্ছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ম্যাপিংয়ের কাজের জন্যই এদিন ড্রোন ওড়ানো হয়েছিল। সেই সঙ্গে ভিতরে আরও কোনও তথ্য মেলে কি না, তারও খোঁজ করেছে ড্রোন। কারণ, এলাকাটি পরিত্যক্ত। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই জায়গাটি নির্জন। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন তাঁরা। পুলিস জানিয়েছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যেমন পর্যাপ্ত আলো, সিসি ক্যামেরা এসব নিয়ে ইতিমধ্যেই এনকেডিএ পদক্ষেপ নিয়েছে। শীঘ্রই কার্যকর হবে।
অভিযুক্তকে নিয়ে বুধবার ঘটনা পুনর্নির্মাণ করেছে পুলিস। বৃহস্পতিবারও পুলিস ঘটনাস্থলে তদন্তে যায়। তদন্তের স্বার্থে ওই জায়গাটি ঘিরে রাখা হয়েছে। কারণ, সেখান থেকে প্রচুর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এখনও সংগ্রহ করা হচ্ছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ম্যাপিংয়ের কাজের জন্যই এদিন ড্রোন ওড়ানো হয়েছিল। সেই সঙ্গে ভিতরে আরও কোনও তথ্য মেলে কি না, তারও খোঁজ করেছে ড্রোন। কারণ, এলাকাটি পরিত্যক্ত। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই জায়গাটি নির্জন। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন তাঁরা। পুলিস জানিয়েছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যেমন পর্যাপ্ত আলো, সিসি ক্যামেরা এসব নিয়ে ইতিমধ্যেই এনকেডিএ পদক্ষেপ নিয়েছে। শীঘ্রই কার্যকর হবে।



