গুয়াহাটি: দক্ষিণ আফ্রিকার ৪৮৯ রানের জবাবে ভারতের ২০১। চাইলে আয়োজক দেশকে ফলো-অন করিয়ে লজ্জা আরও বাড়াতে পারতেন বাভুমা। কিছুটা সহৃদয় হলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক। তবে ঘরের মাঠে টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটিং ভরাডুবি নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ইডেনে প্রথম টেস্টে হারার পর অনেকেরই আশা ছিল, ভুল শুধরে ঘুরে দাঁড়াবেন ঋষভরা। তেমন সম্ভাবনা চোখেই পড়ল না দ্বিতীয় টেস্টে। বরং হোয়াইট-ওয়াশের আতঙ্ক চেপে বসেছে ভারতীয় শিবিরে। ব্যাটিং অর্ডার বার বার পরিবর্তন করা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন রবি শাস্ত্রী। কমেন্ট্রির সময় প্রাক্তন কোচ রাখঢাক না করেই টিম ম্যানেজমেন্টকে একহাত নিয়ে বললেন, ‘সিরিজের শুরু থেকেই টিম সিলেকশন নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছিল। মনে হয়েছিল, এসব পিছনে ফেলে এগিয়ে যাবে ভারতীয় দল। কিন্তু এমন কুৎসিত ব্যাটিং দেখে আমি বিস্মিত। টিম ম্যানেজমেন্ট ঠিক কী চাইছে, কিছুই বোধগম্য হচ্ছে না। ইডেনে খেলানো হয়েছিল চার স্পিনার। কিন্তু একজন স্পিনারকে বল করানো হয়েছিল মাত্র এক ওভার। তাহলে স্পেশ্যালিস্ট ব্যাটার নয় কেন? শুধু কী তাই, গত টেস্টে ওয়াশিংটন সুন্দর ব্যাট করেছিল তিন নম্বরে। গুয়াহাটিতে নামল আটে। কিন্তু কেন? চারে তো পাঠানো যেত। তিন নম্বর ব্যাটিং পজিশন নিয়ে বড় বেশিই পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে। ব্যাপারটা দাঁড়িয়েছে মিউজিক্যাল চেয়ারের মতো।’ উল্লেখ্য, গৌতম গম্ভীর কোচ হওয়ার পর ১৮ টেস্টে তিন নম্বরে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ৭ ব্যাটারকে খেলানো হয়েছে। কিন্তু রাহুল দ্রাবিড় তো অনেক বড় ব্যাপার, চেতেশ্বর পূজারার অভাব ঢাকার মতো কাউকে পাওয়া যায়নি। গম্ভীর যখন দ্রাবিড়ের থেকে কোচের দায়িত্ব নিলেন, তখন শুভমানই তিনে নামতেন। কোহলি অবসর নেওয়ার পর তাঁকে চারে সেট করা হয়। গিলের জায়গায় করুণ নায়ার, সাই সুদর্শন, দেবদূত পাদিক্কাল, লোকেশ রাহুল এবং ওয়াশিংটন সুন্দরকে খেলানো হয়েছে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে। কিন্তু কেউই ভরসা জোগাতে পারেননি। তার ফল ভুগতে হচ্ছে টিম ইন্ডিয়াকে।



