নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ট্রেনের কামরার ফ্লোর এবং প্ল্যাটফর্মের মধ্যে দেড়-দু’ফুটের ব্যবধান। এর ফলে ভিড়ের মাঝে অনেক সময় পিছলে যাচ্ছে পা। অহরহ হোঁচট খাচ্ছেন রেলযাত্রীরা। তাড়াহুড়োর মধ্যে ট্রেনে উঠতে গিয়ে বা নামার সময়েও আহত হচ্ছেন অনেকে। এই ব্যাপারে সবথেকে বেশি ভোগান্তি হচ্ছে প্রবীণ এবং মহিলাদের। নিউদিল্লি স্টেশনে পদপিষ্টের ঘটনায় রেলের তদন্তে ‘খলনায়ক’ হিসেবে এবার উঠে আসছে প্ল্যাটফর্ম।
Advertisement
মন্ত্রক সূত্রের খবর, দিল্লি ডিভিশনের এই হাই-প্রোফাইল স্টেশনে রেল লাইন থেকে ট্রেনের মেঝের ব্যবধান কমবেশি ৪.২৫ ফুট। আবার মাটি থেকে প্ল্যাটফর্মের উচ্চতা কমবেশি ২.৭৫ ফুট। অর্থাৎ, প্ল্যাটফর্ম এবং ট্রেনের মেঝের মধ্যে ব্যবধান অন্তত দেড় ফুট। কোথাও তা দু’ফুট। ফলে ট্রেন থেকে যাত্রীদের কার্যত লাফিয়ে নামতে হয় প্ল্যাটফর্মে। গত শনিবার রাতে প্রয়াগরাজ ‘এক্সপ্রেস’ এবং ‘স্পেশাল’ ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যে চরম বিভ্রান্তির জেরে হুড়োহুড়িতে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিক তদন্তে ইতিমধ্যে সামনে এসেছে। বৃহস্পতিবার রেলের একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হুড়োহুড়ির ক্ষেত্রে প্ল্যাটফর্মের ভূমিকাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। কারণ বহু যাত্রীই ওই সময় ট্রেনগুলিতে উঠে পড়েছিলেন। প্রয়াগরাজগামী ট্রেনের নাম নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়তেই অনেকে ভিড়ের মধ্যেই লাফিয়ে নামতে যান। প্ল্যাটফর্ম এবং ট্রেনের মেঝের মধ্যে ব্যবধান বেশি থাকায় অনবধানতাবশত বেশ কয়েকজন হুমড়ি খেয়ে পড়ে যান। তাঁদের উপর দিয়েই ছুটোছুটি শুরু করে দেন অনেকে। সবমিলিয়ে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে ওঠে।
ঘটনার পর অবশ্য নিউদিল্লি স্টেশনের রিডেভেলপমেন্ট নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব স্বয়ং। বৃহস্পতিবারই এই ব্যাপারে তিনি রেল আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন। সূত্রের খবর, গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে প্ল্যাটফর্ম এবং ট্রেনের মেঝের ‘ব্যবধানে’র বিষয়টিকে।
ঘটনার পর অবশ্য নিউদিল্লি স্টেশনের রিডেভেলপমেন্ট নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব স্বয়ং। বৃহস্পতিবারই এই ব্যাপারে তিনি রেল আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন। সূত্রের খবর, গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে প্ল্যাটফর্ম এবং ট্রেনের মেঝের ‘ব্যবধানে’র বিষয়টিকে।



