সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: নবদ্বীপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ পথ জওহরলাল নেহরু রোড। এই রোডের চারিচারাবাজার মোড়ের পাশে রয়েছে চারিচারাবাজার। প্রতিদিন এই বাজারে এসে একশ্রেণির মানুষ যত্রতত্র রাস্তার উপর দাঁড় করিয়ে রাখছেন সাইকেল, স্কুটি, বাইক, টোটো। এরফলে নিত্যদিনই যানজটে নাকাল হতে হচ্ছে বাজার করতে আসা সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পথচারীদের। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি অবিলম্বে বাজারের সময় এই রাস্তায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হোক।
Advertisement
নবদ্বীপ পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের পুরনো এই চারিচারাবাজার। নবদ্বীপ শহরে ঢোকার জওহরলাল নেহরুর রোড একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। একদিকে পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড আর অন্যদিকে ১৫ নম্বর ওয়ার্ড। এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার দু’দিকে বাজার করতে এসে কিছু মানুষ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাস্তায় গাড়ি রাখেন। ওইসব যানবাহনের জন্য আটকে থাকা রাস্তা দিয়ে ঠিকমতো যাতায়াত করা যায় না। বিশেষ করে সকাল ৮ টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত এই সমস্যা বেশি হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রাস্তার উপর থেকে এই এসব যানবাহন সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।
প্রতিদিন এই বাজারে নবদ্বীপের রাধাবাজার, নন্দীপাড়া, দেয়ারাপাড়া, ব্যানার্জিপাড়া, অন্নপূর্ণাতলা, পাঁচমাথা রোড, ভূঁইচারাপাড়া সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষ বাজার করতে আসেন। এমনিতেই রাস্তাটির এই অংশটি খুবই সংকীর্ণ, তারমধ্যে রাস্তাজুড়ে প্রতিদিন এইভাবে যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকায় নবদ্বীপ ধাম স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে ট্রেনযাত্রী এবং বাসযাত্রীরা যাতায়াত করতে নাকাল হন। এই রাস্তাটি দণ্ডপানিতলা, রাধাবাজার, পোড়ামাতলা সহ বিভিন্ন মঠ-মন্দির যাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। তবে সব থেকে সমস্যা হয় অ্যাম্বুলেন্স যাতায়াত করার সময়। স্কুলের সময় ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে পড়ুয়াদের সমস্যায় পড়ার বিষয়টি তো রয়েইছে।
স্থানীয় স্টেশনারি ব্যবসায়ী অপূর্ব ঘোষ বলেন, এই রাস্তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যদি সকল ৮ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য সিভিকের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে হয়তো এই যানজট থেকে অনেকটাই রেহাই পাওয়া যাবে। স্থানীয় বাসিন্দা ইন্দ্রজিৎ গুপ্ত বলেন, স্থানীয় দোকানদার থেকে শুরু করে প্রবীণ নাগরিকদেরও অসুবিধায় পড়তে হয়। মাঝেমধ্যে ছোটখাট দুর্ঘটনা লেগেই থাকছে। স্থানীয় কাউন্সিলার নির্মল দেব বলেন, আমি নিজে ওই বাজারে বাজারে করতে যাই। সেই সময় যানবাহন চালকদের অনুরোধ করি। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয় না। ওই এলাকায় ট্রাফিকের ব্যবস্থা করার বিষয়ে প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব।
প্রতিদিন এই বাজারে নবদ্বীপের রাধাবাজার, নন্দীপাড়া, দেয়ারাপাড়া, ব্যানার্জিপাড়া, অন্নপূর্ণাতলা, পাঁচমাথা রোড, ভূঁইচারাপাড়া সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষ বাজার করতে আসেন। এমনিতেই রাস্তাটির এই অংশটি খুবই সংকীর্ণ, তারমধ্যে রাস্তাজুড়ে প্রতিদিন এইভাবে যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকায় নবদ্বীপ ধাম স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে ট্রেনযাত্রী এবং বাসযাত্রীরা যাতায়াত করতে নাকাল হন। এই রাস্তাটি দণ্ডপানিতলা, রাধাবাজার, পোড়ামাতলা সহ বিভিন্ন মঠ-মন্দির যাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ। তবে সব থেকে সমস্যা হয় অ্যাম্বুলেন্স যাতায়াত করার সময়। স্কুলের সময় ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে পড়ুয়াদের সমস্যায় পড়ার বিষয়টি তো রয়েইছে।
স্থানীয় স্টেশনারি ব্যবসায়ী অপূর্ব ঘোষ বলেন, এই রাস্তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যদি সকল ৮ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য সিভিকের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে হয়তো এই যানজট থেকে অনেকটাই রেহাই পাওয়া যাবে। স্থানীয় বাসিন্দা ইন্দ্রজিৎ গুপ্ত বলেন, স্থানীয় দোকানদার থেকে শুরু করে প্রবীণ নাগরিকদেরও অসুবিধায় পড়তে হয়। মাঝেমধ্যে ছোটখাট দুর্ঘটনা লেগেই থাকছে। স্থানীয় কাউন্সিলার নির্মল দেব বলেন, আমি নিজে ওই বাজারে বাজারে করতে যাই। সেই সময় যানবাহন চালকদের অনুরোধ করি। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয় না। ওই এলাকায় ট্রাফিকের ব্যবস্থা করার বিষয়ে প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব।



