সংবাদদাতা, রামপুরহাট: অণ্ডাল বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রচুর নগদ সহ গ্রেপ্তার হওয়া সাগর যাদব বীরভূম বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য তাপস যাদবের ছেলে। ২০২১ সালে তাপসবাবু নলহাটি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী হয়ে পরাজিত হন। পুলিসের দাবি, ধৃতরা ডাকাতির উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছিল। গাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ২০ লক্ষ টাকার উৎসের খোঁজ শুরু করেছে তারা। স্বভাবতই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলাজুড়ে। দলের নেতার ছেলে গ্রেপ্তার হওয়ায় অস্বস্তিতে জেলা বিজেপি। তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, কারা তোলাবাজ সেটা এবার প্রকাশ্য দিবালোকে পরিষ্কার হয়ে গেছে। প্রচুর টাকা উদ্ধার হয়েছে এবং তারা অসৎ উদ্দেশ্যে এক জায়গায় জড়ো হয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের চেষ্টা করছিল। পুলিস নিরপেক্ষ তদন্ত করুক এবং এর পিছনে কার হাত আছে, সেটা খুঁজে বের করুক। যদিও বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, এঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। তাপসবাবু ছেলেটাকে কন্ট্রোল করতে পারেনি। ছেলে এখন ভাবছে বাবা মা আমার শত্রু। তাপসবাবু কিন্তু ভালো লোক।
Advertisement
রবিবার রাতে অণ্ডালের কাজি নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরের পাশে রাস্তার ধারে একটি চারচাকা বিলাসবহুল গাড়ি দাঁড়িয়েছিল। সন্দেহ হওয়ায় অণ্ডাল থানার পুলিস গাড়িতে তল্লাশি চালায়। উদ্ধার হয় নগদ ২০ লক্ষ টাকা, হাতুড়ি সহ চুরি করার নানা সরঞ্জাম। এ ব্যাপারে কোনও সদুত্তর দিতে না পারায় পুলিস গাড়িতে থাকা চারজনকে গ্রেপ্তার করে। তার মধ্যে নলহাটির ১০ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড় পাড়ার বছর পঁচিশের সাগর যাদবও রয়েছে। বাকি তিনজন অণ্ডাল থানা এলাকার বাসিন্দা। আটক করা হয় বিলাসবহুল গাড়িটি। বর্তমানে আদালতের নির্দেশে পুলিস হেফাজতে রয়েছে অভিযুক্তরা।
সোমবার রাতে সেই খবর নলহাটিতে ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে যায়। ধৃত সাগরের বাবা পেশায় পাথর ব্যবসায়ী। এলাকায় শিল্পপতি হিসাবে পরিচিত। একই সঙ্গে তিনি বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য। ২০২১ সালে তিনি পদ্মফুল চিহ্নে ভোটেও দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর ছেলে ডাকাতির কেসে ধরা পড়ায় এলাকাজুড়ে কানাঘুষো শুরু হয়েছে। এলাকায় অনেকেই বলছেন, এলাকায় সাগরের দুর্নাম আছে। সমাজবিরোধীদের সঙ্গে তার ওঠাবসা। ফলে প্রতিবেশীদের তাকে নিয়ে খুব একটা আগ্রহ নেই। যদিও এলাকার বাসিন্দা তথা বিজেপির প্রাক্তন জেলা সহ সভাপতি অনিল সিং বলেন, সাগর পয়সাওয়ালা বাড়ির ছেলে। উদ্ধার হওয়া টাকা তাঁর নিজেরই। আমার মনে হয়, তাপসবাবু বিজেপিতে যুক্ত। দলের কারও কারও কথা না শোনার জন্য তাঁর ছেলে রাজনীতির শিকার হতে পারে ।
বর্তমানে তাপসবাবু হার্টের চিকিৎসায় বেঙ্গালুরুতে রয়েছেন। তাঁকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। ছেলে খুব বেয়াদব। কিন্তু অণ্ডালে কী করতে গিয়েছিল? উত্তরে তাপসবাবু বলেন, ওখানে তো কিছু করে না, ফলে কী করতে গিয়েছিল বলতে পারব না। আমি বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসাধীন রয়েছি। যত সব দুর্বৃত্তের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব। কত বন্ধু ছাড়ালাম। আবার নতুন করে বন্ধু করছে। তিনি বলেন, ঘরে অশান্তি করছিল। সেই মতো তাকে আমার একটি পাথরের ব্যবসা ছেড়ে দেওয়া হয়। মাসে মাসে আয়ের টাকার হিসাব দেওয়ার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু হিসেব দেয় না, আমাকেও কিছু জানায় না। তবে ডাকাতির কেস টিকবে না।
সোমবার রাতে সেই খবর নলহাটিতে ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে যায়। ধৃত সাগরের বাবা পেশায় পাথর ব্যবসায়ী। এলাকায় শিল্পপতি হিসাবে পরিচিত। একই সঙ্গে তিনি বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য। ২০২১ সালে তিনি পদ্মফুল চিহ্নে ভোটেও দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর ছেলে ডাকাতির কেসে ধরা পড়ায় এলাকাজুড়ে কানাঘুষো শুরু হয়েছে। এলাকায় অনেকেই বলছেন, এলাকায় সাগরের দুর্নাম আছে। সমাজবিরোধীদের সঙ্গে তার ওঠাবসা। ফলে প্রতিবেশীদের তাকে নিয়ে খুব একটা আগ্রহ নেই। যদিও এলাকার বাসিন্দা তথা বিজেপির প্রাক্তন জেলা সহ সভাপতি অনিল সিং বলেন, সাগর পয়সাওয়ালা বাড়ির ছেলে। উদ্ধার হওয়া টাকা তাঁর নিজেরই। আমার মনে হয়, তাপসবাবু বিজেপিতে যুক্ত। দলের কারও কারও কথা না শোনার জন্য তাঁর ছেলে রাজনীতির শিকার হতে পারে ।
বর্তমানে তাপসবাবু হার্টের চিকিৎসায় বেঙ্গালুরুতে রয়েছেন। তাঁকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। ছেলে খুব বেয়াদব। কিন্তু অণ্ডালে কী করতে গিয়েছিল? উত্তরে তাপসবাবু বলেন, ওখানে তো কিছু করে না, ফলে কী করতে গিয়েছিল বলতে পারব না। আমি বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসাধীন রয়েছি। যত সব দুর্বৃত্তের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব। কত বন্ধু ছাড়ালাম। আবার নতুন করে বন্ধু করছে। তিনি বলেন, ঘরে অশান্তি করছিল। সেই মতো তাকে আমার একটি পাথরের ব্যবসা ছেড়ে দেওয়া হয়। মাসে মাসে আয়ের টাকার হিসাব দেওয়ার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু হিসেব দেয় না, আমাকেও কিছু জানায় না। তবে ডাকাতির কেস টিকবে না।



