অভিষেক পাল, বহরমপুর: বাংলাদেশি জঙ্গি ধৃত শাদ রবি ওরফে সাব শেখ নওদা পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন এক সদস্যার স্বামীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। নওদাতে এলে ওই নেতার বাড়িতেই উঠত সে। দীর্ঘদিন ধরে আস্থানা গেড়ে থাকত। শুধু তাই নয়, এখানে থেকেই সে ভোটার তালিকায় নাম তুলেছিল বলেই সূত্রের খবর। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই পঞ্চায়েত সমিতির গত বোর্ডের এক সদস্যার দূর সম্পর্কের আত্মীয় হয় এই কুখ্যাত জঙ্গি। দুর্লভপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় শাদের বেশ ভালই যাতায়াত ছিল। নিষিদ্ধ জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) এবং আনসারুল্লা বাংলা টিমের (এবিটি) শীর্ষ জঙ্গিদের সঙ্গে যোগ রয়েছে তার। এবিটির প্রধান জসিমুদ্দিন রহমানির নির্দেশে বাংলাদেশ থেকে মুর্শিদাবাদে আসে শাদ। এখানে এসেই স্লিপার সেল তৈরির কাজে মন দেয়। গোপনে মডিউল বানাতে দুর্লভপুরকে ঠেক বানিয়েছিল বলেও জানা তদন্তের সূত্রে প্রকাশ। সবমিলিয়ে, নওদার জঙ্গি পাকড়াও কাণ্ডে নেতাদের যোগসূত্রের বিষয়টি বেশ ভাবাচ্ছে পুলিসকে।
Advertisement
নওদা পঞ্চায়েত সমিতির বর্তমান সভাপতি শহিদুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, ‘সাব শেখ নামের ওই ব্যক্তি বেশ কিছু বছর আগে পূর্বতন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যার বাড়িতে এসে উঠেছিল। ওঁদের বাড়ির আত্মীয় হয় এই জঙ্গি। তখন আমরা কেউ বুঝতে পারিনি। ওই সময়ই ক্ষমতায় থাকার দরুন ওই সদস্যার সাহায্য নিয়ে ভোটার লিস্টে নাম তুলে থাকতে পারে সে। এলাকার মানুষজন এটা শোনার পর থেকেই আতঙ্কিত। আমিও এই এলাকার বাসিন্দা। মানুষজনকে বুঝিয়ে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছি।’
নওদা ব্লকের তৃণমূল ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ বলেন, ‘এক সময় জেলা পরিষদের সভাধিপতির সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ওই সদস্যার স্বামীর। তার হাত ধরেই ওরা দলে ঢুকেছিল। ওই নেতা এখন কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। তারপর থেকে ওই সদস্যা এবং তার স্বামী তৃণমূল সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন। দলীয় কোনও কর্মসূচিতে ওঁরা থাকেন না। এখন তো ওঁদের নামে মারাত্মক অভিযোগ শুনছি। বাংলাদেশ থেকে এসে ধৃত জঙ্গি নাকি ওদের বাড়িতেই উঠত। তবে, এখন বিধায়কের অনেক অনুষ্ঠানে ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে দেখা যায়।
যদিও ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী বলেন, ‘ধৃত জঙ্গি সাব শেখ আমাদের কেউ হয় না। আত্মীয়ও নয়। তবে আমাদের এলাকায় ওর আসা যাওয়া ছিল। এখানকার একটি বাড়িতে কিছুদিন ওকে থাকতে দেখেছি। আমার কিংবা আমার পরিবারের সঙ্গে ওর কোনও যোগ নেই। আমার স্ত্রী গতবারের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা ছিল ঠিকই, তবে এখন আমরা তৃণমূল সংগঠনের সঙ্গে সেভাবে যুক্ত নই। শুধুমাত্র তৃণমূল কর্মী হিসেবে স্থানীয় বিধায়কের সঙ্গে আছি।’
স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক শাহিনা মমতাজ বেগম (খান) বলেন, ‘ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী আমাদের কর্মসূচিতে অংশ নেন ঠিকই। কিন্তু ওই কুখ্যাত জঙ্গির সঙ্গে যদি তাদের পরিবারের কারও যোগ থাকে, সেটা খুবই অন্যায় কাজ। এটাকে কখনই আমি সমর্থন করি না। আর ওরা দলের অনুষ্ঠানে অংশ নেন, তবে ওরা কোনও পদে কিংবা সংগঠনে নেই।’
বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, ‘দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে কখনও আপোষ করা উচিত নয়। শাসকদলের নেতাদের সঙ্গে এই সমস্ত জঙ্গিদের ওতপ্রোত যোগ পাওয়া যাচ্ছে। তাই তদন্তের স্বার্থে শাসকদলের পাশাপাশি সমস্ত রাজনৈতিক দলের ইন্ধন খতিয়ে দেখা দরকার। আমরা উপযুক্ত তদন্ত চাইছি।’
নওদা ব্লকের তৃণমূল ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ বলেন, ‘এক সময় জেলা পরিষদের সভাধিপতির সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ওই সদস্যার স্বামীর। তার হাত ধরেই ওরা দলে ঢুকেছিল। ওই নেতা এখন কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। তারপর থেকে ওই সদস্যা এবং তার স্বামী তৃণমূল সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন। দলীয় কোনও কর্মসূচিতে ওঁরা থাকেন না। এখন তো ওঁদের নামে মারাত্মক অভিযোগ শুনছি। বাংলাদেশ থেকে এসে ধৃত জঙ্গি নাকি ওদের বাড়িতেই উঠত। তবে, এখন বিধায়কের অনেক অনুষ্ঠানে ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে দেখা যায়।
যদিও ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী বলেন, ‘ধৃত জঙ্গি সাব শেখ আমাদের কেউ হয় না। আত্মীয়ও নয়। তবে আমাদের এলাকায় ওর আসা যাওয়া ছিল। এখানকার একটি বাড়িতে কিছুদিন ওকে থাকতে দেখেছি। আমার কিংবা আমার পরিবারের সঙ্গে ওর কোনও যোগ নেই। আমার স্ত্রী গতবারের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা ছিল ঠিকই, তবে এখন আমরা তৃণমূল সংগঠনের সঙ্গে সেভাবে যুক্ত নই। শুধুমাত্র তৃণমূল কর্মী হিসেবে স্থানীয় বিধায়কের সঙ্গে আছি।’
স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক শাহিনা মমতাজ বেগম (খান) বলেন, ‘ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী আমাদের কর্মসূচিতে অংশ নেন ঠিকই। কিন্তু ওই কুখ্যাত জঙ্গির সঙ্গে যদি তাদের পরিবারের কারও যোগ থাকে, সেটা খুবই অন্যায় কাজ। এটাকে কখনই আমি সমর্থন করি না। আর ওরা দলের অনুষ্ঠানে অংশ নেন, তবে ওরা কোনও পদে কিংবা সংগঠনে নেই।’
বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি শাখারভ সরকার বলেন, ‘দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে কখনও আপোষ করা উচিত নয়। শাসকদলের নেতাদের সঙ্গে এই সমস্ত জঙ্গিদের ওতপ্রোত যোগ পাওয়া যাচ্ছে। তাই তদন্তের স্বার্থে শাসকদলের পাশাপাশি সমস্ত রাজনৈতিক দলের ইন্ধন খতিয়ে দেখা দরকার। আমরা উপযুক্ত তদন্ত চাইছি।’



