নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ২০১৪ সালে দুর্গাপুজোর অষ্টমীর দিন বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল বর্ধমানের খাগড়াগড়। তার রেশ শুধু বর্ধমানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল। জেএমবি জঙ্গিরা পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে দক্ষিণবঙ্গের প্রাণকেন্দ্র বর্ধমান শহরে ডেরা বেঁধেছিল। তারপর ১০ বছর কেটে গিয়েছে। খাগড়াগড় থেকে এখনও নজর সরেনি গোয়েন্দাদের। এই এলাকায় আগের থেকে বহু জনবসতি বেড়েছে। রেললাইনের ধার পর্যন্ত বাড়ি তৈরি হয়ে গিয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, বহু বহিরাগত এখানে এসে বসবাস করছে। অনেকে বাড়ি ভাড়া নিয়ে রয়েছে। এই এলাকায় কেউ বাড়ি ভাড়া নিলে পুলিসকে জানানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। ওই পরিবারগুলির পরিচয়পত্রও জমা নেওয়ার জন্য বলা হয়। কিন্তু অনেকেই তা করছে না বলে অভিযোগ। এক আধিকারিক বলেন, খাগড়াগড়ে জনবসতি অনেক বেশি। বিভিন্ন ভাষাভাষির লোক এখানে রয়েছে। অনেকে কাজের জন্য বাড়ি ভাড়া নিয়ে রয়েছে। সবার উপর নজরদারি চালানো সম্ভব নয়। খাগড়াগড় এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, এই এলাকায় জমির দাম অনেক বেড়ে গিয়েছে। কয়েক বছরে বহু নতুন বাড়ি তৈরি হয়েছে। অনেককেই এলাকার বাসিন্দারা চেনেন না। কোথায় কী কাজ হচ্ছে তা সবার পক্ষে জানা সম্ভব নয়। আর এক আধিকারিক বলেন, ২০১৪ সালের মতো ঘটনা যাতে না হয় তারজন্য নজরদারি রয়েছে। এলাকায় নতুন কারা এসেছে তা নিয়েও খোঁজ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন।



