সংবাদদাতা, রামপুরহাট: নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে সাজছে রাজ্যের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র তারাপীঠ। ফিবছর ৩১ ডিসেম্বরের রাতে এখানে হাজার হাজার ভক্তের ঢল নামে। এবার দু’দিন আগে থেকেই পর্যটকদের ঢল নামতে শুরু করেছে। অধিকাংশ হোটেল অগ্রিম বুকিং হয়ে গিয়েছে। ভক্তের ভিড়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা তারাপীঠ। বাড়ানো হয়েছে সিসি ক্যামেরার নজরদারি।
Advertisement
রাত পোহালেই নতুন বছর। তারাপীঠ এখন ব্যস্ত বছর শেষের আনন্দকে চেটেপুটে উপভোগ করতে। এই সময় কলকাতা যেমন আলোর মালায় সেজে ওঠে। ঠিক তেমনই সেজে উঠেছে তারাপীঠ। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ও আগত পর্যটকদের আনন্দ দিতে বিভিন্ন হোটেল কর্তৃপক্ষ গান বাজনার ব্যবস্থা করেছে। তেমনই নানা রকমের সুস্বাদু পদ নিয়ে প্রস্তুত রেস্তরাঁগুলি। অন্যবছর তারাপীঠে এই সময় ব্যাপক ভিড় থাকে। এবছর সেই ভিড় কয়েকগুণ বাড়বে বলে মনে করছে মন্দির কমিটি। তাই দেবী তারার মন্দিরকেও বিভিন্ন আলোয় সাজিয়ে তোলা হচ্ছে।
মন্দির কমিটির সম্পাদক ধ্রুব চট্টোপাধ্যায় বলেন, রবিবার রাত থেকেই ভক্তদের ঢল নামতে শুরু করেছে। বছরের প্রথম দিন ভিড় আরও বাড়বে। সকলেই যাতে মায়ের দর্শন পান সেজন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, ৩১ ডিসেম্বরের সন্ধ্যা থেকেই তারাপীঠের রাস্তায় ভিড় বাড়ে। রাত যতই বাড়ে মানুষের সমাগমও বেশি হয়। নানাভাবে নতুন বছরকে স্বাগত জানান তাঁরা। বিশেষ করে দ্বারকা ব্রিজের উপর ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টা বাজতেই নানা আতসবাজি পোড়ান তাঁরা।
তারাপীঠ হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুনীল গিরি বলেন, ৭০ শতাংশ হোটেল রুম বুকড। তাঁরা ৩১ ডিসেম্বর সকালেই হোটেলে চলে আসবেন। অনেকে এসে হোটেল ভাড়া নেবেন। ফলে ব্যাপক ভিড়ের আশা করাই যায়।
তবে আনন্দ যেন নিরানন্দের কারণ না হয়ে দাঁড়ায়। তাই মন্দিরের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী থেকে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনেরও এই দিনটির জন্য বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। তারাপীঠজুড়ে লাগানো রয়েছে ৪০টির বেশি সিসি ক্যামেরা। সর্বক্ষণ এলসিডি স্ক্রিনে নজরদারি চালানোর জন্য রোটেশন অনুযায়ী পুলিস কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোথাও অপ্রীতিকর কিছু নজরে এলেই কাছাকাছি থাকা পুলিস কর্মীদের তা জানিয়ে দেওয়া হবে কন্ট্রোল রুম থেকে।
প্রসঙ্গত, কৌশিকী অমাবস্যার ভিড়ে ব্যাণ্ডেল গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য রুখে দিয়েছিল পুলিস। তবে ছিনতাই, চুরির চেষ্টা ও বিশৃঙ্খলা করার অভিযোগে শতাধিক জনকে ধরে পুলিস। ব্যাণ্ডেল গ্যাং মূলত ভিড়কে টার্গেট করেই হাত সাফাইয়ে নামে। তাই এবারও ব্যাণ্ডেল গ্যাংয়ের হানার আশঙ্কা থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিস। এছাড়া বর্ষবরণের রাতে রাস্তার ধারে যত্রতত্র মদের আসর দেখলেই গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিস আধিকারিকরা।
মন্দির কমিটির সম্পাদক ধ্রুব চট্টোপাধ্যায় বলেন, রবিবার রাত থেকেই ভক্তদের ঢল নামতে শুরু করেছে। বছরের প্রথম দিন ভিড় আরও বাড়বে। সকলেই যাতে মায়ের দর্শন পান সেজন্য সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, ৩১ ডিসেম্বরের সন্ধ্যা থেকেই তারাপীঠের রাস্তায় ভিড় বাড়ে। রাত যতই বাড়ে মানুষের সমাগমও বেশি হয়। নানাভাবে নতুন বছরকে স্বাগত জানান তাঁরা। বিশেষ করে দ্বারকা ব্রিজের উপর ৩১ ডিসেম্বর রাত ১২টা বাজতেই নানা আতসবাজি পোড়ান তাঁরা।
তারাপীঠ হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুনীল গিরি বলেন, ৭০ শতাংশ হোটেল রুম বুকড। তাঁরা ৩১ ডিসেম্বর সকালেই হোটেলে চলে আসবেন। অনেকে এসে হোটেল ভাড়া নেবেন। ফলে ব্যাপক ভিড়ের আশা করাই যায়।
তবে আনন্দ যেন নিরানন্দের কারণ না হয়ে দাঁড়ায়। তাই মন্দিরের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী থেকে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনেরও এই দিনটির জন্য বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। তারাপীঠজুড়ে লাগানো রয়েছে ৪০টির বেশি সিসি ক্যামেরা। সর্বক্ষণ এলসিডি স্ক্রিনে নজরদারি চালানোর জন্য রোটেশন অনুযায়ী পুলিস কর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোথাও অপ্রীতিকর কিছু নজরে এলেই কাছাকাছি থাকা পুলিস কর্মীদের তা জানিয়ে দেওয়া হবে কন্ট্রোল রুম থেকে।
প্রসঙ্গত, কৌশিকী অমাবস্যার ভিড়ে ব্যাণ্ডেল গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য রুখে দিয়েছিল পুলিস। তবে ছিনতাই, চুরির চেষ্টা ও বিশৃঙ্খলা করার অভিযোগে শতাধিক জনকে ধরে পুলিস। ব্যাণ্ডেল গ্যাং মূলত ভিড়কে টার্গেট করেই হাত সাফাইয়ে নামে। তাই এবারও ব্যাণ্ডেল গ্যাংয়ের হানার আশঙ্কা থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিস। এছাড়া বর্ষবরণের রাতে রাস্তার ধারে যত্রতত্র মদের আসর দেখলেই গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিস আধিকারিকরা।



