সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: তিস্তার চর থেকে খাবারের খোঁজে বেরিয়ে ধূপগুড়ি মহকুমার নাথুয়ার জঙ্গলে ঠাঁই নিয়েছে ৬০ থেকে ৭০টির মতো হাতি। আর মাত্র তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার হেক্টরের জঙ্গলে এতগুলো হাতিকে নিয়ে বিপদে পড়েছেন নাথুয়া রেঞ্জের বনকর্মীরা। হাতির দল যে কোনও মুহূর্তে জলঢাকা নদী সংলগ্ন বগরিবাড়ির নদী বাঁধ পেরিয়ে লোকালয়ে ঢুকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা। তাই হাতির দলটিকে নিয়ে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করেছে বনদপ্তর। এই নিয়ে রবিবার গধেয়ারকুঠি গ্রাম স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ডিএফও দ্বিজপ্রতিম সেন। উপস্থিত ছিলেন নাথুয়ার রেঞ্জার শ্যামাপ্রসাদ চাকলাদার সহ স্থানীয় প্রধান ও প্রশাসনিক ব্যক্তিরা। বৈঠকের মধ্যে দিয়ে কুইক রেসপন্স টিম গঠন করা হয়। গ্রামবাসীদের রাত জাগতে কয়েকটি টিমে ভাগ করে দেওয়া হয় সার্চলাইট।
Advertisement
দুর্গাপুজো থেকে কালীপুজো পর্যন্ত হাতি ৭৮ জনের ঘর ভেঙেছে। ৭টির মতো গোরু, ৪২টি মতো ছাগল মেরেছে। এছাড়াও আমগুড়ি ও গধেয়ারকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫০বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। হাতির হামলার আশঙ্কায় গ্রামবাসীরা হাতির দলটিকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে হাতির দলে শাবক থাকায় আপাতত সেটি সম্ভব নয় বলে বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।
নাথুয়ার জঙ্গলটি আগাগোড়া বন্যপ্রাণীদের পছন্দের। এখানে যেমন মনোরম পরিবেশ, তেমনই হাতি সহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীর প্রিয় খাবারও রয়েছে। তাই গোরুমারা থেকে যেমন গণ্ডার এখানে ছুটে আসে, তেমনই প্রতিবছর বিভিন্ন জায়গার হাতিরা এই জঙ্গলের ঢুঁ মারতে ভোলে না। নাথুয়া রেঞ্জ সূত্রে খবর, দুর্গাপুজোর আগে এই জঙ্গলে ৩০-৩৫টির মতো হাতি এসে ঠাঁই নেয়। সম্প্রতি আরও হাতি এসে ঠাঁই নেওয়ায় হাতির সংখ্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ থেকে ৭০টির মতো। বর্তমানে সেই দলে অসংখ্য হাতির শাবক রয়েছে। জলঢাকা নদী পেরিয়ে গোরুমারা জঙ্গলে হাতির দলটিকে ফেরানোর চেষ্টা করা হলে শাবকের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। আর তাই আপাতত হাতির দলটিকে এই জঙ্গলে রাখা হবে। কিন্তু, লোকালয়ে ক্ষতি না হয় এজন্য তিনটি গাড়ি নিয়মিত টহল দেবে।
নাথুয়ার রেঞ্জার বলেন, আমরা হাতির দলটিকে কড়া পাহারায় রেখেছি। দলের মধ্যে শাবকও রয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, তিস্তাচর সংলগ্ন হাতির দলটি এখানে এসে ঠাঁই নিয়েছে।
নাথুয়ার জঙ্গলটি আগাগোড়া বন্যপ্রাণীদের পছন্দের। এখানে যেমন মনোরম পরিবেশ, তেমনই হাতি সহ অন্যান্য বন্যপ্রাণীর প্রিয় খাবারও রয়েছে। তাই গোরুমারা থেকে যেমন গণ্ডার এখানে ছুটে আসে, তেমনই প্রতিবছর বিভিন্ন জায়গার হাতিরা এই জঙ্গলের ঢুঁ মারতে ভোলে না। নাথুয়া রেঞ্জ সূত্রে খবর, দুর্গাপুজোর আগে এই জঙ্গলে ৩০-৩৫টির মতো হাতি এসে ঠাঁই নেয়। সম্প্রতি আরও হাতি এসে ঠাঁই নেওয়ায় হাতির সংখ্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ থেকে ৭০টির মতো। বর্তমানে সেই দলে অসংখ্য হাতির শাবক রয়েছে। জলঢাকা নদী পেরিয়ে গোরুমারা জঙ্গলে হাতির দলটিকে ফেরানোর চেষ্টা করা হলে শাবকের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। আর তাই আপাতত হাতির দলটিকে এই জঙ্গলে রাখা হবে। কিন্তু, লোকালয়ে ক্ষতি না হয় এজন্য তিনটি গাড়ি নিয়মিত টহল দেবে।
নাথুয়ার রেঞ্জার বলেন, আমরা হাতির দলটিকে কড়া পাহারায় রেখেছি। দলের মধ্যে শাবকও রয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, তিস্তাচর সংলগ্ন হাতির দলটি এখানে এসে ঠাঁই নিয়েছে।



