সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: নিতুড়িয়া ব্লকের সড়বড়ি গ্রামের অদূরে নকল মদ তৈরির কারখানার সন্ধান মিলেছিল। এবার নিতুড়িয়ার গোপালপুর গ্রামের কাছে দ্বিতীয় একটি নকল মদের কারখানার হদিশ মিলল। বুধবার রাতে বিশাল পুলিস বাহিনী ওই কারখানায় অভিযান চালায়। এই কারখানাটি থেকেও দামি কোম্পানির স্টিকার লাগানো প্রায় ২ হাজার বিদেশি মদের বোতল, মদ তৈরির সরঞ্জাম, বেশ কিছু ট্যাঙ্কার ও মদের সিল ও প্যাকেজিঙের কাজে ব্যবহৃত মেশিনপত্র উদ্ধার হয়েছে। ঘটনায় মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতেরা প্রত্যেকে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার ধৃতদের রঘুনাথপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের ১০ দিনের পুলিস হেফাজত মঞ্জুর করেন। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে এলাকার এক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা জড়িত।
Advertisement
জেলা পুলিস সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দ্বিতীয় দিন আরও একটি কারখানায় অভিযান চালানো হয়েছে। সেখানে মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির স্টিকার লাগানো প্রায় ২ হাজার মদের বোতল উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত রয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পুলিস সড়বড়ি গ্রামের অদূরে পাঞ্চেৎ-সড়বড়ি সড়কের পাশে একটি পাঁচিল ঘেরা নকল মদ তৈরির কারখানায় অভিযান চালায়। কারখানা থেকে ৭৫ হাজার বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির স্টিকার লাগানো মদের বোতল উদ্ধার হয়। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে মদ তৈরির কাঁচামাল উদ্ধার হয়। ঘটনায় নয় জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় এক নাবালিকাকে। ধৃতদের মধ্যে পাঁচজনকে পুলিস হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তাতেই দ্বিতীয় কারখানার হদিশ মেলে।
রঘুনাথপুর মহকুমা পুলিসের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, এলাকার কয়েকজন ছাড়াও অন্য রাজ্যের কয়েকটি মদ প্রস্তুতকারক সংস্থার কিছু ব্যক্তি ঘটনায় জড়িত। যাদের মাধ্যমে নকল মদ আসল হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হতো। কোম্পানির লোকেরাই মদের সিল, ঢাকনা, স্টিকার সমস্ত কিছু সরবরাহ করত। যারা বোতলের সিলের কাজ করত তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ফলে সেই সব মদের বোতল একেবারে আসল বলে মনে হতো। তবে বিদেশি মদে যে পরিমাণ অ্যালকোহল সহ অন্যান্য কাঁচামাল থাকে, এই মদের বোতলে সেই পরিমাণেই সমস্ত কাঁচামাল রয়েছে কিনা তা ফরেন্সিক দলের সদস্যরা খতিয়ে দেখছেন। ইতিমধ্যে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য ওই কারখানাগুলি থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ বলেন, একটি পেট্রল পাম্পের সামনে বিপজ্জনক অ্যালকোহল নিয়ে ব্যবসা করা হচ্ছিল। যে কোনও দিন বড় বিপদ হতে পারত। এলাকায় এত বড় কারবার চলত, অথচ পুলিস কিছুই জানত না?
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার পুলিস সড়বড়ি গ্রামের অদূরে পাঞ্চেৎ-সড়বড়ি সড়কের পাশে একটি পাঁচিল ঘেরা নকল মদ তৈরির কারখানায় অভিযান চালায়। কারখানা থেকে ৭৫ হাজার বিভিন্ন বিদেশি কোম্পানির স্টিকার লাগানো মদের বোতল উদ্ধার হয়। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে মদ তৈরির কাঁচামাল উদ্ধার হয়। ঘটনায় নয় জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় এক নাবালিকাকে। ধৃতদের মধ্যে পাঁচজনকে পুলিস হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তাতেই দ্বিতীয় কারখানার হদিশ মেলে।
রঘুনাথপুর মহকুমা পুলিসের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, এলাকার কয়েকজন ছাড়াও অন্য রাজ্যের কয়েকটি মদ প্রস্তুতকারক সংস্থার কিছু ব্যক্তি ঘটনায় জড়িত। যাদের মাধ্যমে নকল মদ আসল হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হতো। কোম্পানির লোকেরাই মদের সিল, ঢাকনা, স্টিকার সমস্ত কিছু সরবরাহ করত। যারা বোতলের সিলের কাজ করত তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ফলে সেই সব মদের বোতল একেবারে আসল বলে মনে হতো। তবে বিদেশি মদে যে পরিমাণ অ্যালকোহল সহ অন্যান্য কাঁচামাল থাকে, এই মদের বোতলে সেই পরিমাণেই সমস্ত কাঁচামাল রয়েছে কিনা তা ফরেন্সিক দলের সদস্যরা খতিয়ে দেখছেন। ইতিমধ্যে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য ওই কারখানাগুলি থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ বলেন, একটি পেট্রল পাম্পের সামনে বিপজ্জনক অ্যালকোহল নিয়ে ব্যবসা করা হচ্ছিল। যে কোনও দিন বড় বিপদ হতে পারত। এলাকায় এত বড় কারবার চলত, অথচ পুলিস কিছুই জানত না?
বিজেপি বিধায়ক বিবেকানন্দ বাউরি বলেন, এলাকার প্রাক্তন বিধায়কের তত্ত্বাবধানে সমস্ত কাজ হচ্ছিল। সড়বড়ির যেখানে নকল মদ তৈরি হচ্ছিল সেখান থেকে ২০০ মিটার দূরে আবগারি দপ্তরে অফিস। সামনেই থানা। পুলিস সবই জানত। তাই মনে হয় না ঘটনার সঠিক তদন্ত হবে। জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, পুলিস নিজের মতো করে তদন্ত করছে।



