নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মুর্শিদাবাদের সর্বত্র চলছে নাড়া পোড়ানো। প্রকাশ্যে নাড়া পোড়ানো হলেও কৃষিদপ্তর ও পরিবেশ দপ্তর কোনও পদক্ষেপ করছে না বলেই অভিযোগ মানুষের। বহরমপুর, নবগ্রাম, কান্দি, সাগরদিঘি, খড়গ্রাম, হরিহরপাড়া, নওদা, ভরতপুর, সালার, রানিনগর সর্বত্র একই ছবি। এখন জমি থেকে ধান কেটে ঘরে তোলার সময়। জমিতে থাকা ধানের গোড়া তুলে এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে। তারপর জমিতে শুকিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সকাল, দুপুর এমনকী সন্ধ্যার দিকেও আগুন জ্বালানো হচ্ছে জমিতে। যার ফলে ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছে গোটা এলাকা। পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলেই দাবি পরিবেশবিদদের।
Advertisement
অনেকেই দ্রুত রবি ফসল চাষ করার জন্য জমি প্রস্তুত করতে চান। নাড়া পুড়িয়ে দিলে সময় ও শ্রম দুই বাঁচে। তাই দ্রুত নাড়া পোড়ানো হচ্ছে। দিনের বেলায় আগুন ধরানোয় কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছে গোটা এলাকা। অনেক ব্লকেই জাতীয় সড়ক ও রাজ্য সড়কের ধারে অবলীলায় নাড়া পোড়ানো চলছে। যে কারণে দৃশ্যমানতা কমে গিয়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা বাড়ছে। মুখে সচেতনতার কথা বললেও দু’-একটা জায়গায় কৃষিদপ্তরের লাগানো বোর্ড ছাড়া সচেতনতা প্রচারের চিহ্নমাত্র নেই কোথাও। কৃষিদপ্তরের নজরদারির অভাবে একের পর ব্লকে চলছে নাড়া পোড়ানো।
জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন) মোহনলাল কুমার বলেন, আমরা চাষিদের সবসময়ে সচেতন করি। তাঁদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। বিভিন্ন পুজো প্যান্ডেলে ফ্লেক্স টাঙাই। মাইকিং করা হয়। আগে অনেক বেশি নাড়া পোড়ানো হতো। প্রচারের ফলে নাড়া পোড়ানো অনেক কমেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে বহরমপুর, হরিহিরপাড়া, নবগ্রাম ও রেজিনগর ব্লকের এলাকায় গিয়ে দেখা গেল বেশকিছু চাষের জমিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। এক খেতমজুর বলেন, জমির মালিক বলছে যত তাড়াতাড়ি হোক জমি পরিষ্কার করে দিতে হবে। তাই সর্ষে চাষের আগে আমরা ধান গাছের গোড়া সব পুড়িয়ে দিচ্ছি। এটা ছাড়া তো তাড়াতাড়ি জমি খালি করার কোনও উপায় নেই।
বহরমপুর-জলঙ্গি রাজ্য সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে এক সর্ষে চাষির সঙ্গে কথা হচ্ছিল। রাস্তার ধারে ধানের অবশিষ্টাংশে আগুন লাগিয়ে দিয়ে তিনি দূরে অপেক্ষা করছিলেন। তিনি বলেন, ফসল তোলার পর এক সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে। দ্রুত জমি থেকে ফসলের গোড়া তুলে কোথায় নিয়ে যাব। তাই এক জায়গায় রেখে আগুন ধরিয়ে দিলাম। তাড়াতাড়ি জমি ফাঁকা হয়ে গেল। কৃষিদপ্তরের আপত্তি থাকলে, তারা এসে জমি পরিষ্কার করে দিক এবং ফসলের অবশিষ্টাংশ নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুক।
নবগ্রাম এলাকার এক প্রবীণ চাষি বলেন, অন্যান্য বার কৃষিদপ্তরের তরফ থেকে প্রচার করা হয়। আমরাও চেষ্টা করি যাতে পরিবেশ দূষণ না হয়। এবার তো তেমন কোনও প্রচার নেই। তাই দিনের বেলাতেও অনেকেই নাড়া পুড়িয়ে দিচ্ছে।
জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা (প্রশাসন) মোহনলাল কুমার বলেন, আমরা চাষিদের সবসময়ে সচেতন করি। তাঁদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। বিভিন্ন পুজো প্যান্ডেলে ফ্লেক্স টাঙাই। মাইকিং করা হয়। আগে অনেক বেশি নাড়া পোড়ানো হতো। প্রচারের ফলে নাড়া পোড়ানো অনেক কমেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে বহরমপুর, হরিহিরপাড়া, নবগ্রাম ও রেজিনগর ব্লকের এলাকায় গিয়ে দেখা গেল বেশকিছু চাষের জমিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। এক খেতমজুর বলেন, জমির মালিক বলছে যত তাড়াতাড়ি হোক জমি পরিষ্কার করে দিতে হবে। তাই সর্ষে চাষের আগে আমরা ধান গাছের গোড়া সব পুড়িয়ে দিচ্ছি। এটা ছাড়া তো তাড়াতাড়ি জমি খালি করার কোনও উপায় নেই।
বহরমপুর-জলঙ্গি রাজ্য সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে এক সর্ষে চাষির সঙ্গে কথা হচ্ছিল। রাস্তার ধারে ধানের অবশিষ্টাংশে আগুন লাগিয়ে দিয়ে তিনি দূরে অপেক্ষা করছিলেন। তিনি বলেন, ফসল তোলার পর এক সপ্তাহ হয়ে গিয়েছে। দ্রুত জমি থেকে ফসলের গোড়া তুলে কোথায় নিয়ে যাব। তাই এক জায়গায় রেখে আগুন ধরিয়ে দিলাম। তাড়াতাড়ি জমি ফাঁকা হয়ে গেল। কৃষিদপ্তরের আপত্তি থাকলে, তারা এসে জমি পরিষ্কার করে দিক এবং ফসলের অবশিষ্টাংশ নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুক।
নবগ্রাম এলাকার এক প্রবীণ চাষি বলেন, অন্যান্য বার কৃষিদপ্তরের তরফ থেকে প্রচার করা হয়। আমরাও চেষ্টা করি যাতে পরিবেশ দূষণ না হয়। এবার তো তেমন কোনও প্রচার নেই। তাই দিনের বেলাতেও অনেকেই নাড়া পুড়িয়ে দিচ্ছে।



