সংবাদদাতা, পতিরাম: সন্তান না হওয়ায় এক বধূকে ডাইনির অপবাদ। প্রতিবাদ করায় বধূ ও তাঁর স্বামীকে মারধর করে এবং হাঁসুয়া নিয়ে তাড়া করার অভিযোগ উঠল। নিজের ভাসুর ও ননদের বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ উঠেছে। নিজের পরিবারের সদস্যদের হাতে মার খেয়ে মঙ্গলবার রাতে থানায় পালিয়ে আসে ওই দম্পতি। বুধবার সকালে বালুরঘাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই আদিবাসী বধূ। অভিযোগ পেয়েই তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। ডাইনি অপবাদ ও মারধরের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে বিভিন্ন মহল। এবিষয়ে বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, ওই মহিলার কাছে অভিযোগ পেয়ে পুরো ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে।
Advertisement
আক্রান্ত ওই বধূর বাড়ি বালুরঘাট শহর সংলগ্ন মাহিনগর এলাকায়। ওই মহিলার স্বামী বাড়ির কাছেই একটি ছোট দোকান করেন। বছর পাঁচেক হল তাঁর বিয়ে হয়েছে। এখনও নিঃসন্তান ওই বধূ। অভিযোগ, এই বিষয়টি নিয়ে তাঁর ভাসুর ও ননদরা মিলে বধূকে নানা কটুক্তি করে। এমনকী, ওই পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তার দায় ওই বধূকে দেওয়া হয়। ডাইনি অপবাদ দিয়ে নানাভাবে অপমান ও অত্যাচার করা হয়। ডাইনি অপবাদ দিয়ে ওই বধূকে কার্যত একঘরে করে রাখা হয়েছে।
অত্যাচারের মাত্রা এখানেই শেষ নয়। অভিযোগ, ওই বধূকে একা পেয়ে তাঁর ভাসুর শ্লীলতাহানিরও চেষ্টা করে। বিষয়টি জানার পর মঙ্গলবার বধূর স্বামী প্রতিবাদ করেন। এরপরেই পরিবারের বাকি লোকেরা মিলে ওই দম্পতিকে মারধর করে। এমনকী হাঁসুয়া নিয়ে তাড়া করা হয় তাঁদের। রাতেই বালুরঘাট থানার দ্বারস্থ হন বধূ ও তাঁর স্বামী। বুধবার সকালে থানায় এসে ভাসুর, জা, ননদ সহ অনেকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই বধূ।
বুধবার থানার বাইরে আক্রান্ত বধূ বলেন, সন্তান না হওয়ায় আমাকে ডাইনি অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। নানা কারণে অনেকে কটুক্তি করছে। আমাদের একঘরে করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে হাঁসুয়া নিয়ে স্বামী ও আমাকে মারতে আসে। আমরা কোনওমতে পালিয়ে থানায় আসি। ওই বধূর স্বামী বলেন, আমার স্ত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়। ডাইনি অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। কেউ অসুস্থ হলে আমার স্ত্রীর ওপর দোষ চাপানো হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই অত্যাচার চলছে। নিরাপত্তার দাবিতে আমরা থানায় এসেছি।
ডাইনি অপবাদ দিয়ে মারধর, অত্যাচারের মতো গুরুতর বিষয়টি বালুরঘাটের বিডিও সম্বল ঝায়ের কানেও গিয়েছে। তিনি বলেন, ডাইনি অপবাদ পুরোপুরি কুসংস্কার। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এব্যাপারে আমাদের প্রচার চলছে।
বৃহস্পতিবারই ওই গ্রামে গিয়ে এলাকার মানুষকে সচেতন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ। সংগঠনটির জেলা সম্পাদক অনিমেষ লাহিড়ী বলেন, ডাইনি অপবাদ পুরোপুরি ভিত্তিহীন। এটা কুসংস্কার। ডিপিএসসি চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের আদিবাসী সেলের জেলা সভাপতি সন্তোষ হাঁসদা বলেন, ওই গ্রামে গিয়ে দু’পক্ষকে নিয়ে বসে সমাধান করব।
অত্যাচারের মাত্রা এখানেই শেষ নয়। অভিযোগ, ওই বধূকে একা পেয়ে তাঁর ভাসুর শ্লীলতাহানিরও চেষ্টা করে। বিষয়টি জানার পর মঙ্গলবার বধূর স্বামী প্রতিবাদ করেন। এরপরেই পরিবারের বাকি লোকেরা মিলে ওই দম্পতিকে মারধর করে। এমনকী হাঁসুয়া নিয়ে তাড়া করা হয় তাঁদের। রাতেই বালুরঘাট থানার দ্বারস্থ হন বধূ ও তাঁর স্বামী। বুধবার সকালে থানায় এসে ভাসুর, জা, ননদ সহ অনেকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই বধূ।
বুধবার থানার বাইরে আক্রান্ত বধূ বলেন, সন্তান না হওয়ায় আমাকে ডাইনি অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। নানা কারণে অনেকে কটুক্তি করছে। আমাদের একঘরে করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে হাঁসুয়া নিয়ে স্বামী ও আমাকে মারতে আসে। আমরা কোনওমতে পালিয়ে থানায় আসি। ওই বধূর স্বামী বলেন, আমার স্ত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়। ডাইনি অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। কেউ অসুস্থ হলে আমার স্ত্রীর ওপর দোষ চাপানো হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই অত্যাচার চলছে। নিরাপত্তার দাবিতে আমরা থানায় এসেছি।
ডাইনি অপবাদ দিয়ে মারধর, অত্যাচারের মতো গুরুতর বিষয়টি বালুরঘাটের বিডিও সম্বল ঝায়ের কানেও গিয়েছে। তিনি বলেন, ডাইনি অপবাদ পুরোপুরি কুসংস্কার। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এব্যাপারে আমাদের প্রচার চলছে।
বৃহস্পতিবারই ওই গ্রামে গিয়ে এলাকার মানুষকে সচেতন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞান মঞ্চ। সংগঠনটির জেলা সম্পাদক অনিমেষ লাহিড়ী বলেন, ডাইনি অপবাদ পুরোপুরি ভিত্তিহীন। এটা কুসংস্কার। ডিপিএসসি চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের আদিবাসী সেলের জেলা সভাপতি সন্তোষ হাঁসদা বলেন, ওই গ্রামে গিয়ে দু’পক্ষকে নিয়ে বসে সমাধান করব।



