সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: একটা মোবাইল বাগাতে পারলেই পাঁচ দিনের নেশার খোরাকের বন্দোবস্ত পাকা। নেশায় আসক্তদের প্রথম লক্ষ্যই হচ্ছে মোবাইল চুরি। এক মোবাইল চোরকে হাতেনাতে পাকড়াওয়ের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই তথ্যই পেয়েছে বলে পুলিসের দাবি। মূলত নেশার খোরাক জোগাতেই মাদকাসক্তরা মোবাইল চুরির দিকে ঝুঁকছে। এছাড়া তাদের লক্ষ্য টোটোর ব্যাটারি চুরি। এছাড়াও সামনে যা পায় তা নিয়েই এরা চম্পট দেয় বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। চুরির দামি মোবাইল ও টোটোর ব্যাটারি সামান্য টাকায় বেচে দেয়। ইতিপূর্বে পুলিস নেশায় আসক্ত একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারও করেছে। অভিযুক্তরা জামিনে মুক্তি পেয়েই আবার নেশায় বুঁদ হচ্ছে।
Advertisement
এ প্রসঙ্গে জঙ্গিপুর পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, একাধিক এলাকায় হানা দেয় পুলিস। বিশেষ করে গাঁজা ও হেরোইনখোরদের গ্রেপ্তার করে কোর্টে তোলা হয়। অন্তত দু’ সপ্তাহ জেলে থাকলেও উপদ্রব থেকে সাময়িক রেহাই পায় মানুষ। কিন্তু এদের বিরুদ্ধে এর বেশি আর কিছু করা যায় না।
জানা গিয়েছে, জঙ্গিপুরে গত এক সপ্তাহে তিন যুবককে চুরির অভিযোগে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। দুই অভিযুক্তকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রীতিমতো গণধোলাই দেয় জনতা। গত রবিবার রঘুনাথগঞ্জ থানার উমরপুরে গোরুর হাট সংলগ্ন এলাকা থেকে এক যুবককে ধরে ফেলে টোটোর মালিক। যাত্রী নামিয়ে টোটোটি হাটের পাশেই রেখে চা খাচ্ছিলেন সুখচাঁদ শেখ। হঠাৎ দেখেন, এক যুবক টোটো থেকে ব্যাটারি বের করছে। চায়ের কাপ ফেলে ওই যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলে। ততক্ষণে ওইযুবক ব্যাটারির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সেটি বের করে নিয়েছে। তাকে দড়ি দিয়ে টোটোর সঙ্গে বেঁধে গণধোলাই দেওয়া হয়। উত্তেজিত জনতার প্রশ্নে সে বলে, এই ব্যাটারি দেড় থেকে দুই হাজারে বেচে দেয়। সেই টাকায় সে হেরোইন কেনে। গত বুধবার সকালে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে এক রোগীর পরিজনের মোবাইল চুরি করে সূতি থানার ছাপঘাটির এক যুবক। ওই মহিলা বিষয়টি বুঝতে পেরে চিৎকার শুরু করেন। হাসপাতালে আসা মানুষ ওই যুবককে ধরে ফেলে। তল্লাশিতে যুবকের পকেট থেকে মোবাইলটি উদ্ধার হয়। পরে যুবককে পুলিসের হাতে তুলে দেয় জনতা। প্রাথমিক জেরায় যুবক স্বীকার করে, কিছুদিন থেকে হেরোইন খাওয়ার নেশা হয়েছে। হেরোইন না খেয়ে থাকা যায় না। সকালে ও সন্ধ্যায় দিনে দু’বার হেরোইন লাগে। হেরোইন কিনতেই মোবাইল চুরি করেছিলাম। একটা মোবাইল চুরি করতে পারলেই চার থেকে পাঁচদিন দিব্যি চলে যায়।
অপরদিকে, গত মঙ্গলবার সকালে রঘুনাথগঞ্জের লক্ষীজোলায় চোর সন্দেহে এক যুবক পিলারের সঙ্গে বেঁধে উত্তমমধ্যম দেয় জনতা। ওই রাতে একটি পোল্ট্রির ফার্ম থেকে কয়েকটি মুরগি চুরি করে বলে অভিযোগ। রাতে তাকে ধরতে না পারায় সকালে তাকে দেখতে পেয়ে ধরে ফেলে গ্রামবাসী।
জানা গিয়েছে, জঙ্গিপুরে গত এক সপ্তাহে তিন যুবককে চুরির অভিযোগে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। দুই অভিযুক্তকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রীতিমতো গণধোলাই দেয় জনতা। গত রবিবার রঘুনাথগঞ্জ থানার উমরপুরে গোরুর হাট সংলগ্ন এলাকা থেকে এক যুবককে ধরে ফেলে টোটোর মালিক। যাত্রী নামিয়ে টোটোটি হাটের পাশেই রেখে চা খাচ্ছিলেন সুখচাঁদ শেখ। হঠাৎ দেখেন, এক যুবক টোটো থেকে ব্যাটারি বের করছে। চায়ের কাপ ফেলে ওই যুবককে হাতেনাতে ধরে ফেলে। ততক্ষণে ওইযুবক ব্যাটারির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সেটি বের করে নিয়েছে। তাকে দড়ি দিয়ে টোটোর সঙ্গে বেঁধে গণধোলাই দেওয়া হয়। উত্তেজিত জনতার প্রশ্নে সে বলে, এই ব্যাটারি দেড় থেকে দুই হাজারে বেচে দেয়। সেই টাকায় সে হেরোইন কেনে। গত বুধবার সকালে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে এক রোগীর পরিজনের মোবাইল চুরি করে সূতি থানার ছাপঘাটির এক যুবক। ওই মহিলা বিষয়টি বুঝতে পেরে চিৎকার শুরু করেন। হাসপাতালে আসা মানুষ ওই যুবককে ধরে ফেলে। তল্লাশিতে যুবকের পকেট থেকে মোবাইলটি উদ্ধার হয়। পরে যুবককে পুলিসের হাতে তুলে দেয় জনতা। প্রাথমিক জেরায় যুবক স্বীকার করে, কিছুদিন থেকে হেরোইন খাওয়ার নেশা হয়েছে। হেরোইন না খেয়ে থাকা যায় না। সকালে ও সন্ধ্যায় দিনে দু’বার হেরোইন লাগে। হেরোইন কিনতেই মোবাইল চুরি করেছিলাম। একটা মোবাইল চুরি করতে পারলেই চার থেকে পাঁচদিন দিব্যি চলে যায়।
অপরদিকে, গত মঙ্গলবার সকালে রঘুনাথগঞ্জের লক্ষীজোলায় চোর সন্দেহে এক যুবক পিলারের সঙ্গে বেঁধে উত্তমমধ্যম দেয় জনতা। ওই রাতে একটি পোল্ট্রির ফার্ম থেকে কয়েকটি মুরগি চুরি করে বলে অভিযোগ। রাতে তাকে ধরতে না পারায় সকালে তাকে দেখতে পেয়ে ধরে ফেলে গ্রামবাসী।



