নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: বছর শেষের রাত মানেই নৈশ পার্টি। রঙিন দুনিয়ায় ডুব দিয়ে বাড়ি ফেরা। তবে এবার বার বা অন্য কোথাও পার্টি থেকে গলা ভিজিয়ে বাইক বা গাড়ি চালালে শ্রীঘরে যেতে হতে পারে। প্রতিটি থানায় পাঠানো হচ্ছে বিশেষ যন্ত্র। শরীরে কতটা মদ রয়েছে তা সহজেই বোঝা যাবে। লাইসেন্স বাতিল হওয়ার পাশাপাশি যেতে হবে শ্রীঘরে। দুর্ঘটনা কমাতে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিস এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত কয়েক বছরে জেলায় দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরেই দুর্ঘটনায় ২৭৯জনের মৃত্যু হয়েছে। ৬১৬জন জখম হয়েছেন। প্রতি বছরই বছর শেষে দুর্ঘটনা সংখ্যা বেড়ে যায়। ২৪ডিসেম্বর থেকে বছরের শেষ দিন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে।
Advertisement
পুলিস আধিকারিকদের দাবি, এই কয়েকদিন অনেকেই বেসামাল হয়ে গাড়ি চালান। বারবার সতর্ক করার পরও তাঁদের হুঁশ ফেরে না। সেকারণেই এবার কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বর্ধমান শহরের উল্লাস, বীরহাটা, গোলাপবাগ এলাকায় সন্ধ্যার পর থেকে বিশেষ চেকিং চলবে। পুলিসের কাছে পর্যাপ্ত মেশিন এসেছে। পূর্ব বর্ধমানের পুলিস সুপার সায়ক দাস বলেন, মদ্যপ অবস্থায় কোনওভাবেই গাড়ি চালানো যাবে না। যারা নিয়ম মানবে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিস জানিয়েছে, জাতীয় সড়কে ‘রং রুট’ ধরে যাতায়াত করতে গিয়ে অনেকে দুর্ঘটনায় পড়ছেন। এবার থেকে উল্টো রাস্তায় বাইক চালালে জরিমানা দিতে হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই উল্লাসে পুলিস অভিযান শুরু করেছে। এক ট্রাফিক পুলিস আধিকারিক বলেন, প্রথম কয়েকদিন বাইক চালকদের সতর্ক করা হবে। তারপরও তারা একই ভুল করলে জরিমানা আদায় করা হবে। বাইক চালকদের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। জাতীয় সড়কে এমনিতেই দ্রুতগতিতে গাড়ি ছোটে। একই লেনে উল্টোদিক থেকে কোনও গাড়ি এলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়। প্রতিবারই বছরের শেষ কয়েকদিন বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এবার আরও কড়াকড়ি করা হচ্ছে। অনেক সময় মদ্যপ অবস্থায় থাকলেও চালকরা তা অস্বীকার করেন। কিন্তু পুলিস কর্মীদের হাতে বিশেষ যন্ত্র থাকলে তারা তা অস্বীকার করতে পারবে না। ব্রিদ অ্যানালাইজার মুখের কাছে নিলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। শরীরে কত পরিমাণ মদ রয়েছে তা তৎক্ষণাৎ বোঝা যাবে। বর্ধমান শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ থানা এলাকাগুলিতেও বিশেষ এই মেশিন পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনা কমানোর জন্য জেলায় কয়েকটি নতুন ট্রাফিক পোস্ট করা হচ্ছে। এছাড়া গাড়ির গতিবেগ মাপার জন্য মেশিন আনা হয়েছে। এখন তা বেশি করে বর্ধমান-আরামবাগ রোডে ব্যবহার করা হচ্ছে। পরবর্তীকালে অন্যান্য রাস্তাগুলিতেও মেশিন বসিয়ে গতিবেগ মাপা হবে।
পুলিস জানিয়েছে, জাতীয় সড়কে ‘রং রুট’ ধরে যাতায়াত করতে গিয়ে অনেকে দুর্ঘটনায় পড়ছেন। এবার থেকে উল্টো রাস্তায় বাইক চালালে জরিমানা দিতে হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকেই উল্লাসে পুলিস অভিযান শুরু করেছে। এক ট্রাফিক পুলিস আধিকারিক বলেন, প্রথম কয়েকদিন বাইক চালকদের সতর্ক করা হবে। তারপরও তারা একই ভুল করলে জরিমানা আদায় করা হবে। বাইক চালকদের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। জাতীয় সড়কে এমনিতেই দ্রুতগতিতে গাড়ি ছোটে। একই লেনে উল্টোদিক থেকে কোনও গাড়ি এলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বেড়ে যায়। প্রতিবারই বছরের শেষ কয়েকদিন বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এবার আরও কড়াকড়ি করা হচ্ছে। অনেক সময় মদ্যপ অবস্থায় থাকলেও চালকরা তা অস্বীকার করেন। কিন্তু পুলিস কর্মীদের হাতে বিশেষ যন্ত্র থাকলে তারা তা অস্বীকার করতে পারবে না। ব্রিদ অ্যানালাইজার মুখের কাছে নিলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে। শরীরে কত পরিমাণ মদ রয়েছে তা তৎক্ষণাৎ বোঝা যাবে। বর্ধমান শহরের পাশাপাশি গ্রামীণ থানা এলাকাগুলিতেও বিশেষ এই মেশিন পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনা কমানোর জন্য জেলায় কয়েকটি নতুন ট্রাফিক পোস্ট করা হচ্ছে। এছাড়া গাড়ির গতিবেগ মাপার জন্য মেশিন আনা হয়েছে। এখন তা বেশি করে বর্ধমান-আরামবাগ রোডে ব্যবহার করা হচ্ছে। পরবর্তীকালে অন্যান্য রাস্তাগুলিতেও মেশিন বসিয়ে গতিবেগ মাপা হবে।



