সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: গোরু বোঝাই লরি ধরতে জাতীয় সড়কে রীতিমতো ফিল্মি কায়দায় পাচারকারীদের সঙ্গে ‘টক্কার’ নিল ময়নাগুড়ি থানার পুলিস। প্রায় নয় কিমি রাস্তা তাড়া করে হুসলুরডাঙা টোল প্লাজার সামনে গাড়িটি দাঁড় করাতে সক্ষম হয় পুলিসের ভ্যান। পুলিস জানিয়েছে, আটক গাড়িটি অসম নম্বরের। গাড়ি থেকে ১৩টি গোরু উদ্ধার হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে গাড়ির চালক নাজির হোসেনকে। ধৃতের বাড়ি অসমে।
Advertisement
বৃহস্পতিবার ভোরে ময়নাগুড়ি থানায় গোপন সূত্রে খবর আসে একটি লরিতে গোরু পাচার করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ময়নাগুড়ি বিডিও অফিস মোড়ে পৌঁছে যায় পুলিসের টিম। নির্দিষ্ট নম্বরের লরিটি আসতেই দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন পুলিস কর্মীরা। কিন্তু লরির চালক দ্রুত গতিতে গাড়ি ছুটিয়ে পালিয়ে যেতে থাকে। পুলিস ভ্যান পিছু নেয়। অবশেষে প্রায় নয় কিমি পথ পেরিয়ে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে টোল প্লাজার সামনে এসে গাড়িটি দাঁড় করায় পুলিস। ত্রিপল দিয়ে গোরুগুলিকে ঢেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের ১০ তারিখ ময়নাগুড়ি থানার পুলিস দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে মোট ৭৬টি গবাদিপশু পাচারের আগে উদ্ধার করেছিল। ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, পুলিস সজাগ রয়েছে। ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক, সার্ক রোড সহ রাজ্য সড়কে ২৪ ঘণ্টাই নজরদারি চলছে। ধৃতকে বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয়েছিল। ধৃতের তিন দিনের পুলিস হেফাজত হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও মামাল হয়েছিল। এই ঘটনার সঙ্গে আর কে বা কারা জড়িত তা ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে জানার চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, চলতি মাসের ১০ তারিখ ময়নাগুড়ি থানার পুলিস দুই জায়গায় অভিযান চালিয়ে মোট ৭৬টি গবাদিপশু পাচারের আগে উদ্ধার করেছিল। ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, পুলিস সজাগ রয়েছে। ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক, সার্ক রোড সহ রাজ্য সড়কে ২৪ ঘণ্টাই নজরদারি চলছে। ধৃতকে বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হয়েছিল। ধৃতের তিন দিনের পুলিস হেফাজত হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও মামাল হয়েছিল। এই ঘটনার সঙ্গে আর কে বা কারা জড়িত তা ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে জানার চেষ্টা চলছে।



