সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: নার্সদের উদ্দেশ্যে করে কলবুকে কোন চিকিৎসক ‘ইডিয়ট’ লিখেছিলেন তা আজও জানা যায়নি। মৌখিক অভিযোগ জানানোর পর সাতদিন কেটে গিয়েছে। এখনও দোষী ধরা পড়েনি। তাই মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপারকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন নার্সরা। দোষীকে খুঁজে বের করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গড়ার সিদ্ধান্ত নিল।
Advertisement
গত ২৭ জানুয়ারি রাতে প্রসূতি বিভাগে এক প্রসূতির ক্যাথেটার পরানো নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। কলবুকে তা নিয়ে নার্সদের উদ্দেশ্যে কে বা কারা ইডিয়ট লেখেন। ঘটনায় ওই রাতে প্রসূতি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কেউ জড়িত বলেই সকলের সন্দেহ। কিন্তু কে লিখেছেন, তা এখনও জানা যায়নি। মঙ্গলবার হাসপাতাল সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিকের কাছে এ ব্যাপারে নার্সরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করে দোষীকে খুঁজে বের করার দাবি জানান।
ঘটনায় অপমানিত বোধ করায় নার্সরা ২৮ জানুয়ারি ওই কলবুক দেখিয়ে সুপারের কাছে মৌখিক অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সুপার প্রসূতি বিভাগের প্রধানকে ঘটনায় জড়িত ডাক্তারকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়ে নার্সদের আশ্বাস দিয়েছিলেন, যেই কাজটি করে থাকুক তার শাস্তি হবে। তারপর সাত দিনের বেশি কেটে গেলে কেউ চিহ্নিত হননি। নার্সদের অভিযোগ, চিকিৎসক বলেই এই ঘটনায় দোষীকে খুঁজে বের করার ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দিচ্ছে না। যাঁরা দেখবেন তাঁরা সকলেই চিকিৎসক। আর চিকিৎসকরা চিকিৎসকদের সব ক্ষেত্রে আড়াল করে থাকেন।
সুপার বলেন, নার্সদের কাছ থেকে মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পর প্রসূতি বিভাগের প্রধানের সঙ্গে আলোচনা করে এই বিষয়টি বের করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু বিভাগীয় প্রধান এবং ওই রাতের ইউনিট ইনচার্জ খুঁজে বের করতে পারেননি, কে কলবুকে ইডিয়েট লিখেছিলেন। এখন স্থির হয়েছে, তদন্ত কমিটি করে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।
ঘটনায় অপমানিত বোধ করায় নার্সরা ২৮ জানুয়ারি ওই কলবুক দেখিয়ে সুপারের কাছে মৌখিক অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সুপার প্রসূতি বিভাগের প্রধানকে ঘটনায় জড়িত ডাক্তারকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়ে নার্সদের আশ্বাস দিয়েছিলেন, যেই কাজটি করে থাকুক তার শাস্তি হবে। তারপর সাত দিনের বেশি কেটে গেলে কেউ চিহ্নিত হননি। নার্সদের অভিযোগ, চিকিৎসক বলেই এই ঘটনায় দোষীকে খুঁজে বের করার ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দিচ্ছে না। যাঁরা দেখবেন তাঁরা সকলেই চিকিৎসক। আর চিকিৎসকরা চিকিৎসকদের সব ক্ষেত্রে আড়াল করে থাকেন।
সুপার বলেন, নার্সদের কাছ থেকে মৌখিক অভিযোগ পাওয়ার পর প্রসূতি বিভাগের প্রধানের সঙ্গে আলোচনা করে এই বিষয়টি বের করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু বিভাগীয় প্রধান এবং ওই রাতের ইউনিট ইনচার্জ খুঁজে বের করতে পারেননি, কে কলবুকে ইডিয়েট লিখেছিলেন। এখন স্থির হয়েছে, তদন্ত কমিটি করে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।



