সংবাদদাতা, পতিরাম: বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের নার্সিং ট্রেনিং স্কুলে দুষ্কৃতী তাণ্ডবের ঘটনায় যুক্ত আরও একজন। ওই অভিযুক্তর খোঁজে এবার তল্লাশি শুরু করেছে বালুরঘাট থানার পুলিস। এই ঘটনায় মঙ্গলবার অ্যাম্বুলেন্স চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মদ খেয়ে সে পাঁচিল টপকে নার্সিং ট্রেনিং স্কুলের ভিতরে ঢুকে পড়ে। ওই যুবককে আরও একজন সহযোগিতা করেছিল। পুলিস আরও এক অভিযুক্তর খোঁজে তল্লাশি চালালেও এই ঘটনায় জেলা হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নিরাপত্তার অভাব মানছেন খোদ হাসপাতাল সুপার। তাই নিরাপত্তা নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে পুলিস ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
বালুরঘাট সদর ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও একজনের খোঁজ চলছে। নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট পুলিস মোতায়েন রয়েছে। পেট্রোলিং বাড়ানো হয়েছে।
বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন, নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে আমাদের। নিরাপত্তার ফাঁক কোথায় রয়েছে, তা খতিয়ে দেখে পুলিসকে জানানো হবে।
আরজি কর কাণ্ডের পরও বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। হাসপাতালের পরিসর অনেকটাই বড়। হাসপাতালের ভিতরে পুরনো ভবন, সুপার স্পেশালিটি বিল্ডিং, বহির্বিভাগ, নার্সিং স্কুল, আবাসন সহ নানা ভবন রয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে মদের আসর ও মদ্যপদের আনাগোনার অভিযোগও সামনে আসে। এখনও অনেক জায়গা অন্ধকারে ঢেকে থাকে।
আরজি কর কাণ্ডের পর হাসপাতালে দফায় দফায় বৈঠকের পর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ভবনে বহু খালি ঘর সিল করা হয়। আবাসনও সিল করা হয়েছে। অনেক জায়গাতেই সিসি ক্যামেরা বসানো প্রয়োজন। হাসপাতালের নানা ওয়ার্ডের সামনে সিসি ক্যামেরা বসানোর কথা হয়েছিল। কিন্তু সেবিষয়ে এখনও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। নার্সিং স্কুলের হস্টেলেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই বলে অভিযোগ।
বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন, নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে আমাদের। নিরাপত্তার ফাঁক কোথায় রয়েছে, তা খতিয়ে দেখে পুলিসকে জানানো হবে।
আরজি কর কাণ্ডের পরও বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। হাসপাতালের পরিসর অনেকটাই বড়। হাসপাতালের ভিতরে পুরনো ভবন, সুপার স্পেশালিটি বিল্ডিং, বহির্বিভাগ, নার্সিং স্কুল, আবাসন সহ নানা ভবন রয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে মদের আসর ও মদ্যপদের আনাগোনার অভিযোগও সামনে আসে। এখনও অনেক জায়গা অন্ধকারে ঢেকে থাকে।
আরজি কর কাণ্ডের পর হাসপাতালে দফায় দফায় বৈঠকের পর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল ভবনে বহু খালি ঘর সিল করা হয়। আবাসনও সিল করা হয়েছে। অনেক জায়গাতেই সিসি ক্যামেরা বসানো প্রয়োজন। হাসপাতালের নানা ওয়ার্ডের সামনে সিসি ক্যামেরা বসানোর কথা হয়েছিল। কিন্তু সেবিষয়ে এখনও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। নার্সিং স্কুলের হস্টেলেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই বলে অভিযোগ।



