নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া: বছরের শেষ দিনেও বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ঢিলেঢালা নিরাপত্তা চোখে পড়ে। মঙ্গলবার বাঁকুড়ার অতিরিক্ত পুলিস সুপার (সদর) সিদ্ধার্থ দোর্জি হাসপাতালে যান। সেখানকার পুলিস ক্যাম্পের পরিকাঠামোর পাশাপাশি সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। তাঁর সঙ্গে ক্যাম্পের ইনচার্জ, সদর ট্রাফিকের ওসি, বাঁকুড়ার রিজার্ভ ইন্সপেক্টর সহ অন্যান্য আধিকারিকরাও ছিলেন। এদিন বাঁকুড়া মেডিক্যালের নার্সিং কলেজের নিরাপত্তা নিয়ে অতিরিক্ত পুলিস সুপার উষ্মা প্রকাশ করেন।
Advertisement
তিনি বলেন, এদিন আমি মূলত হাসপাতালের পুলিস ক্যাম্পের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে যাই। সেখানে সংস্কারের কাজ চলছে। পরে হাসপাতাল ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করি। পুলিস আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে সিসি ক্যামেরা বসানো সহ অন্যান্য বিষয় নজর দেওয়ার জন্য আধিকারিকদের বলা হয়েছে। অবাঞ্ছিত যানবাহন যাতে হাসপাতাল চত্বরে প্রবেশ করতে না পারে, তা দেখার জন্য সদর ট্রাফিকের ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিন অতিরিক্ত পুলিস সুপার নার্সিং কলেজে গিয়ে দেখেন নিরাপত্তারক্ষী না থাকায় এক সিনিয়র ছাত্রী পাহারা দিচ্ছেন। নার্সিং কলেজের মূল ফটক কার্যত হাট করে খোলা ছিল। ওই চত্বরে সিসি ক্যামেরাও সেভাবে চোখে পড়েনি। বিষয়টি নিয়ে অ্যাডিশনাল এসপি নার্সিংয়ের ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা ভয়ে বা আতঙ্কে রয়েছেন কি না, তা জানতে চান। ছাত্রীদের কাছে ক্যাম্পের পুলিস আধিকারিকদের ফোন নম্বর আছে কি না, তাও জেনে নেন। এক নার্সিং ছাত্রী বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তারক্ষী এদিন ছুটিতে ছিলেন। তাই আমরা সিনিয়র হিসেবে নিরাপত্তা দেখভাল করেছি।
এনিয়ে নার্সিং কর্তৃপক্ষের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বাঁকুড়া মেডিক্যালের এমএসভিপি অর্পণকুমার গোস্বামী বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশে হাসপাতালে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ অনেকটাই হয়ে গিয়েছে। তবে তা আমাদের এখনও হস্তান্তর করা হয়নি। সর্বত্র নিরাপত্তা রক্ষী মোতায়েন থাকে।
উল্লেখ্য, বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসের দক্ষিণ দিকে নার্সিং কলেজ ও হস্টেল রয়েছে। ওই এলাকায় আগে প্রায়ই দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যের অভিযোগ উঠত। সেখানে থাকা একটি গলি পথে পাঁচিল তুলে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা হয়। যদিও পাঁচিল টপকে মাঝেমধ্যে ছিঁচকে চোর হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ে বলে অভিযোগ। কিছুদিন আগে দু’জনকে ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিসের হাতে তুলে দেয়। আর জি কর কাণ্ডের পর রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা রক্ষী নিয়োগ, সিসি ক্যামেরা বসানো সহ একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারের তরফে বিষয়টি দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিস ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়। বাঁকুড়ার জেলাশাসক ও পুলিস সুপার হাসপাতালে গিয়ে বৈঠকও করেন। সেখানে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইসব বিষয় কতটা কার্যকর হয়েছে, তা এদিন অতিরিক্ত পুলিস সুপার খতিয়ে দেখেন।
এদিন অতিরিক্ত পুলিস সুপার নার্সিং কলেজে গিয়ে দেখেন নিরাপত্তারক্ষী না থাকায় এক সিনিয়র ছাত্রী পাহারা দিচ্ছেন। নার্সিং কলেজের মূল ফটক কার্যত হাট করে খোলা ছিল। ওই চত্বরে সিসি ক্যামেরাও সেভাবে চোখে পড়েনি। বিষয়টি নিয়ে অ্যাডিশনাল এসপি নার্সিংয়ের ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা ভয়ে বা আতঙ্কে রয়েছেন কি না, তা জানতে চান। ছাত্রীদের কাছে ক্যাম্পের পুলিস আধিকারিকদের ফোন নম্বর আছে কি না, তাও জেনে নেন। এক নার্সিং ছাত্রী বলেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তারক্ষী এদিন ছুটিতে ছিলেন। তাই আমরা সিনিয়র হিসেবে নিরাপত্তা দেখভাল করেছি।
এনিয়ে নার্সিং কর্তৃপক্ষের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বাঁকুড়া মেডিক্যালের এমএসভিপি অর্পণকুমার গোস্বামী বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশে হাসপাতালে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ অনেকটাই হয়ে গিয়েছে। তবে তা আমাদের এখনও হস্তান্তর করা হয়নি। সর্বত্র নিরাপত্তা রক্ষী মোতায়েন থাকে।
উল্লেখ্য, বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসের দক্ষিণ দিকে নার্সিং কলেজ ও হস্টেল রয়েছে। ওই এলাকায় আগে প্রায়ই দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যের অভিযোগ উঠত। সেখানে থাকা একটি গলি পথে পাঁচিল তুলে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা হয়। যদিও পাঁচিল টপকে মাঝেমধ্যে ছিঁচকে চোর হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ে বলে অভিযোগ। কিছুদিন আগে দু’জনকে ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিসের হাতে তুলে দেয়। আর জি কর কাণ্ডের পর রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলিতে নিরাপত্তা রক্ষী নিয়োগ, সিসি ক্যামেরা বসানো সহ একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সরকারের তরফে বিষয়টি দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিস ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়। বাঁকুড়ার জেলাশাসক ও পুলিস সুপার হাসপাতালে গিয়ে বৈঠকও করেন। সেখানে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেইসব বিষয় কতটা কার্যকর হয়েছে, তা এদিন অতিরিক্ত পুলিস সুপার খতিয়ে দেখেন।



