নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: বীরভূম জেলায় একাধিক সময় পুলিসকে হেনস্তার মুখে পড়তে হয়েছে। সেই সব ঘটনায় তদন্তের জাল গোটাতে অনেকক্ষেত্রে পুলিসকে বেগ পেতে হয়। সেক্ষেত্রে এবার জেলা পুলিসের বিভিন্ন থানার আইসি, ওসি থেকে শুরু করে সিআই, ডিএসপি, অ্যাডিশনাল পুলিস সুপারের গাড়িতেও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ক্যামেরা বসানো হবে। ইতিমধ্যে সেই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। গাড়ির সামনের দিকে অর্থাত্ ড্যাশ বোর্ডে সেই ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। আগামীতে জেলা পুলিসের সমস্ত গাড়িতেই অত্যাধুনিক ওই ক্যামেরা বসানো হবে। জেলা পুলিস সুপার আমনদীপ বলেন, নিরাপত্তা সহ বিভিন্ন ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করে রাখার ক্ষেত্রে এই ক্যামেরা বসানো হচ্ছে।
Advertisement
বিভিন্ন সময় পুলিসের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এছাড়াও আইন শৃঙ্খলার অবনতি সহ আরও একাধিক ঘটনায় তদন্তের জাল গোটাতে তথ্যের অভাবে পুলিসকে বেগ পেতে হয়। সেক্ষেত্রে বেশ কয়েক বছর বডি ক্যামেরা সংযোজন হয়েছে। মূলত কর্তব্যরত পুলিস কর্মীদের খাকি উর্দিতে সেই ক্যামেরা লাগানো থাকে। এবার নতুন সংযোজন অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ক্যামেরা। ইতিমধ্যে সেই ক্যামেরা লাগানোর কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। দ্রুত সেই কাজ সম্পন্ন করা হবে। পরবর্তী ধাপে জেলা পুলিসের সমস্ত গাড়িতেও সেই ক্যামেরা বসানো হবে। গাড়ির একদম সামনে দিকে ক্যামেরাগুলি বসানো হচ্ছে। এতে গাড়ির সামনে ঘটে চলা যে কোনও ঘটনা সহজেই ওই ক্যামেরায় বন্দি করা সম্ভব হবে। প্রযুক্তির সাহায্যে তা সংরক্ষিত করেও রাখা সম্ভব হবে। কোনও ঘটনার তদন্তের স্বার্থে পুলিস সেই ফুটেজ কাজে লাগাতে পারবে। মনে করা হচ্ছে, বডি ক্যামেরার পর ড্যাশ ক্যাম পুলিসি কাজে অনেকটাই গতি আনবে।
প্রায় এক মাস আগের ঘটনা। সিউড়ির মিনি স্টিল এলাকায় পুলিসের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। পুলিসের হাত থেকে এক তৃণমূল নেতাকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। যদিও ২৪ ঘণ্টা পেরনোর আগেই পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। অন্যদিকে সেই ঘটনাতেই পুলিসি হেনস্তার অভিযোগও উঠেছিল। এছাড়াও জেলার বোলপুর সাবডিভিশনে পুলিসকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার ঘটনাও ঘটেছিল। এই আবহে জেলা পুলিসের আইসি, ওসি, সিআই সহ একাধিক কর্তাদের গাড়িতে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ওই ক্যামেরার মাধ্যমে পুলিসের কাজে বাধাদানের বিষয়গুলিতে যেমন নজর রাখা সহজ হবে, তেমনই জেলা পুলিসের বিভিন্ন অভিযানের পূঙ্খানুপুঙ্খ তথ্যও সংরক্ষিত করা সম্ভব হবে। সামগ্রিকভাবে জেলা পুলিসের কাজের গতি অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রায় এক মাস আগের ঘটনা। সিউড়ির মিনি স্টিল এলাকায় পুলিসের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। পুলিসের হাত থেকে এক তৃণমূল নেতাকে ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। যদিও ২৪ ঘণ্টা পেরনোর আগেই পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। অন্যদিকে সেই ঘটনাতেই পুলিসি হেনস্তার অভিযোগও উঠেছিল। এছাড়াও জেলার বোলপুর সাবডিভিশনে পুলিসকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার ঘটনাও ঘটেছিল। এই আবহে জেলা পুলিসের আইসি, ওসি, সিআই সহ একাধিক কর্তাদের গাড়িতে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ওই ক্যামেরার মাধ্যমে পুলিসের কাজে বাধাদানের বিষয়গুলিতে যেমন নজর রাখা সহজ হবে, তেমনই জেলা পুলিসের বিভিন্ন অভিযানের পূঙ্খানুপুঙ্খ তথ্যও সংরক্ষিত করা সম্ভব হবে। সামগ্রিকভাবে জেলা পুলিসের কাজের গতি অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।



