নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: সিপিএমের ৫০০কমরেড এবার সদস্যপদ রিনিউ করাননি। তাঁদের অধিকাংশই দীর্ঘদিন ধরে দলের সুখ-দুঃখের সাথী হিসেবে পরিচিত। দলের দুর্দিনেও লালঝাণ্ডা আঁকড়ে থাকা এতজন কমরেড কেন সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ করাননি তা নিয়ে দলের ভিতর চাপানউতোর তুঙ্গে। অনেকেই বলছেন, নিরঞ্জন সিহির টানা চতুর্থবার জেলা সম্পাদক হওয়ার ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না ওই কমরেডরা। সেজন্য রাগ ও ক্ষোভ থেকেই তাঁরা বসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর ফলে দলের ক্ষতি হচ্ছে। নিরঞ্জনবাবুকে টানা চারবার জেলা সম্পাদক করায় আখেরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় দলের ক্ষতি হল।
Advertisement
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় সিপিএমের এরিয়া কমিটির সংখ্যা ৬৪টি। তার অধীনে শাখা কমিটির সংখ্যা ৭১২টি। এইসব এরিয়া এবং শাখা কমিটির অধীনে মোট ৮৩৮৫জন পার্টি সদস্য ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৭৮৯৫জন সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ করিয়েছেন। বাকি প্রায় ৫০০জন সদস্যপদ রিনিউ করাননি। গত ৩১জানুয়ারি থেকে ২ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁশকুড়ায় দলের জেলা সম্মেলন হয়ে গিয়েছে। তারপর ১৫জানুয়ারি শনিবার নবগঠিত জেলা কমিটির প্রথম বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে জানা যায়, প্রায় পাঁচশো পার্টি সদস্য এবার সদস্যপদ রিনিউ করাননি। এর কারণ হিসেবে পাঁচটি বিষয় সামনে এসেছে। তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, নিষ্ক্রিয়তা, লেভি দিতে না পারা এবং পার্টি বিমুখ হয়ে পড়া। এছাড়াও দলবিরোধী কাজের অভিযোগে এক বছরে ২০জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এক বছরে ৬০জন প্রবীণ কমরেডের মৃত্যু হয়েছে।
দলীয় শৃঙ্খলাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিরঞ্জনবাবু পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পার্টিকে পৈত্রিক সম্পত্তির মতো দখল করে বসে আছেন বলে দলেরই নেতা-কর্মীদের অভিযোগ। গত ২ফেব্রুয়ারি ২৫তম জেলা সম্মেলন শেষে তাঁকে টানা চারবার জেলা সম্পাদক করায় দলের অভ্যন্তরে হইচই শুরু হয়। এসব কাণ্ডের পর শনিবার নিমতৌড়িতে জেলা পার্টি অফিসে নবগঠিত জেলা কমিটির প্রথম সভা হয়। সেখানে প্রায় পাঁচশো কমরেড নবীকরণ করাননি বলে ওঠে এসেছে। নতুন মেম্বারশিপ দেওয়ার কাজেও সেভাবে সাফল্য আসেনি। এর অন্যতম কারণ হল, লেভি। কেন্দ্রীয় কমিটির চার্ট অনুযায়ী, ৫০হাজার টাকা মাইনে পাওয়া একজন কমরেডকে প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা পার্টি ফান্ডে লেভি দিতে হয়। যাঁর যত বেশি আয় তাঁকে তত বেশি লেভি দিতে হয়। ন্যূনতম আয়ের একজন কমরেডকে বছরে সাড়ে তিনশো টাকা দিতে হয়। কড়ায় গণ্ডায় লেভি আদায় হলেও দলের কর্মসূচিতে আগের মতো ঝাঁঝ নেই বলে অভিযোগ। তাছাড়া, নেতৃত্বের একাংশের সঙ্গে বিজেপির গোপন আঁতাত রয়েছে বলেও অনেক পার্টিকর্মীর অভিযোগ। এই অবস্থায় তাঁরা সদস্যপদ রিনিউ করে আর লেভি দিতে চান না। এপ্রসঙ্গে জেলা সম্পাদক নিরঞ্জনবাবু বলেন, ৪৪০জন নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছেন। তাঁরা এবার সদস্যপদ রিনিউ করাননি। এছাড়া, ২০জনকে আমরা এক বছরে বহিষ্কার করেছি। আরও ৬০জন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। ৪৪০জন সদস্যপদ রিনিউ না করার নেপথ্যে একাধিক কারণ আছে।
দলীয় শৃঙ্খলাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিরঞ্জনবাবু পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পার্টিকে পৈত্রিক সম্পত্তির মতো দখল করে বসে আছেন বলে দলেরই নেতা-কর্মীদের অভিযোগ। গত ২ফেব্রুয়ারি ২৫তম জেলা সম্মেলন শেষে তাঁকে টানা চারবার জেলা সম্পাদক করায় দলের অভ্যন্তরে হইচই শুরু হয়। এসব কাণ্ডের পর শনিবার নিমতৌড়িতে জেলা পার্টি অফিসে নবগঠিত জেলা কমিটির প্রথম সভা হয়। সেখানে প্রায় পাঁচশো কমরেড নবীকরণ করাননি বলে ওঠে এসেছে। নতুন মেম্বারশিপ দেওয়ার কাজেও সেভাবে সাফল্য আসেনি। এর অন্যতম কারণ হল, লেভি। কেন্দ্রীয় কমিটির চার্ট অনুযায়ী, ৫০হাজার টাকা মাইনে পাওয়া একজন কমরেডকে প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা পার্টি ফান্ডে লেভি দিতে হয়। যাঁর যত বেশি আয় তাঁকে তত বেশি লেভি দিতে হয়। ন্যূনতম আয়ের একজন কমরেডকে বছরে সাড়ে তিনশো টাকা দিতে হয়। কড়ায় গণ্ডায় লেভি আদায় হলেও দলের কর্মসূচিতে আগের মতো ঝাঁঝ নেই বলে অভিযোগ। তাছাড়া, নেতৃত্বের একাংশের সঙ্গে বিজেপির গোপন আঁতাত রয়েছে বলেও অনেক পার্টিকর্মীর অভিযোগ। এই অবস্থায় তাঁরা সদস্যপদ রিনিউ করে আর লেভি দিতে চান না। এপ্রসঙ্গে জেলা সম্পাদক নিরঞ্জনবাবু বলেন, ৪৪০জন নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছেন। তাঁরা এবার সদস্যপদ রিনিউ করাননি। এছাড়া, ২০জনকে আমরা এক বছরে বহিষ্কার করেছি। আরও ৬০জন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। ৪৪০জন সদস্যপদ রিনিউ না করার নেপথ্যে একাধিক কারণ আছে।



