সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: যানজট ও দুর্ঘটনা এড়াতে বাস স্ট্যান্ডে প্রবেশের নির্দিষ্ট রুট ছাড়া বিষ্ণুপুর শহরের অন্যান্য রাস্তা দিয়ে বাস চলাচল নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মহকুমা শাসকের অফিসে এক বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত হয়। তা অনুমোদনের জন্য ওই সংক্রান্ত রেজ্যুলেশন জেলাশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি অনুমতি দিলেই তা কার্যকর করা হবে। ওইদিনের বৈঠকে বাইরের টোটো শহরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত হয়।
Advertisement
বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক বলেন, পুরানো শহর হওয়ায় বিষ্ণুপুরের রাস্তা খুবই সংকীর্ণ। শহরের ভেতর দিয়ে যাত্রীবাহী বাস চলাচলের কারণে যানজট হচ্ছে। তাতে দুর্ঘটনাও ঘটছে। সেজন্য বৃহস্পতিবার এনিয়ে একটি বৈঠক হয়। সেখানে বাস্ট স্ট্যান্ডে যাওয়ার নির্দিষ্ট রুট ছাড়া বাকি রাস্তায় বাস চলাচল বন্ধ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। জেলাশাসকের অনুমতি পেলেই তবে তা কার্যকর করা হবে।
বিষ্ণুপুর পুরসভার চেয়ারম্যান গৌতম গোস্বামী বলেন, বিষ্ণুপুর শহরে প্রায় ৬০০ টোটো রয়েছে। তার উপর বাইরের টোটো শহরে অবাধে প্রবেশ করায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সেজন্য বাইরের টোটো শহরের ঢোকার নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাছাড়া শহরে সীমানায় নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্টে টোটো স্ট্যান্ড করে দেওয়া হবে। বাইরের টোটোগুলি সেখান থেকে যাত্রী পরিবহণ করতে পারবে। চিকিৎসা অথবা বিভিন্ন কাজে আসা বাইরের মানুষজন ওই পয়েন্ট থেকে শহরের টোটোয় চড়তে পারবেন। অন্যান্য বড়ে শহরে সেরকমই ব্যবস্থা রয়েছে। বিষ্ণুপুরেও তা চালু করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুর শহরে রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ায় এমনিতেই যানজট হয়। তার উপর বর্তমানে টোটো চলাচল বেড়ে যাওয়ায় শহরের গোপালগঞ্জ, বোলতলা, চকবাজার, বৈলাপাড়া প্রভৃতি জায়গায় অত্যধিক যানজট হচ্ছে। তাতে দুর্ঘটনাও ঘটছে। এনিয়ে নাগরিকরা বার বার সরব হয়েছেন। এর আগেও একবার টোটোর জন্য নির্দিষ্ট কয়েকটি স্ট্যান্ড করে দেওয়া হয়েছিল। তাতে সাময়িক সুরাহা হয়েছিল। কিন্তু বাইরে থেকে প্রচুর টোটো শহরে প্রবেশ করায় যানজট সেভাবে কমেনি। সেজন্য এবারে বাইরের টোটো শহরে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে প্রশাসনিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইভাবে শহরে যাত্রীবাহী বাস চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি করার ব্যাপারে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেক্ষেত্রে কাটানধার পোকাবাঁধ দিয়ে বর্তমানে যেসব বাস শহরে প্রবেশ করছে এবার থেকে তা বন্ধ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিবর্তে ওই রুটের বাসগুলি ভগৎ সিং মোড় হয়ে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক হয়ে বাস স্ট্যান্ডে যাওয়ার রুট করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে শহরে যানজট এবং দুর্ঘটনা ঠেকাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন কেবল জেলাশাসকের অনুমোদনের অপেক্ষা। তাঁর অনুমতি মিললেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।
বিষ্ণুপুর পুরসভার চেয়ারম্যান গৌতম গোস্বামী বলেন, বিষ্ণুপুর শহরে প্রায় ৬০০ টোটো রয়েছে। তার উপর বাইরের টোটো শহরে অবাধে প্রবেশ করায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সেজন্য বাইরের টোটো শহরের ঢোকার নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাছাড়া শহরে সীমানায় নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্টে টোটো স্ট্যান্ড করে দেওয়া হবে। বাইরের টোটোগুলি সেখান থেকে যাত্রী পরিবহণ করতে পারবে। চিকিৎসা অথবা বিভিন্ন কাজে আসা বাইরের মানুষজন ওই পয়েন্ট থেকে শহরের টোটোয় চড়তে পারবেন। অন্যান্য বড়ে শহরে সেরকমই ব্যবস্থা রয়েছে। বিষ্ণুপুরেও তা চালু করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুর শহরে রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ায় এমনিতেই যানজট হয়। তার উপর বর্তমানে টোটো চলাচল বেড়ে যাওয়ায় শহরের গোপালগঞ্জ, বোলতলা, চকবাজার, বৈলাপাড়া প্রভৃতি জায়গায় অত্যধিক যানজট হচ্ছে। তাতে দুর্ঘটনাও ঘটছে। এনিয়ে নাগরিকরা বার বার সরব হয়েছেন। এর আগেও একবার টোটোর জন্য নির্দিষ্ট কয়েকটি স্ট্যান্ড করে দেওয়া হয়েছিল। তাতে সাময়িক সুরাহা হয়েছিল। কিন্তু বাইরে থেকে প্রচুর টোটো শহরে প্রবেশ করায় যানজট সেভাবে কমেনি। সেজন্য এবারে বাইরের টোটো শহরে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে প্রশাসনিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইভাবে শহরে যাত্রীবাহী বাস চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি করার ব্যাপারে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেক্ষেত্রে কাটানধার পোকাবাঁধ দিয়ে বর্তমানে যেসব বাস শহরে প্রবেশ করছে এবার থেকে তা বন্ধ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিবর্তে ওই রুটের বাসগুলি ভগৎ সিং মোড় হয়ে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক হয়ে বাস স্ট্যান্ডে যাওয়ার রুট করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে শহরে যানজট এবং দুর্ঘটনা ঠেকাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন কেবল জেলাশাসকের অনুমোদনের অপেক্ষা। তাঁর অনুমতি মিললেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।



