নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: স্বাস্থ্যভবনের তরফে নির্দেশিকা জারির পর পাঁচ মাস পেরতে চলেছে। অথচ এখনও ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে যোগ দেননি একাধিক চিকিৎসক। এমনকী বছর শেষেও নতুন ভবনের বিষয়টি নিয়েও অন্ধকারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ফলে ১০০ বেডের অনুমতি থাকলেও জায়গার অভাবে বেডের সংখ্যা বাড়ানো যাচ্ছে না। স্বাভাবিকভাবে ব্যাহত হচ্ছে রোগী পরিষেবা।
Advertisement
গত ৩১ জুলাই জারি হওয়া স্বাস্থ্যদপ্তরের নির্দেশিকায় ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালের জন্য বিভিন্ন বিভাগে বেশকিছু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ করা হয়। কিন্তু ডিসেম্বরের শেষে এসেও দেখা যাচ্ছে, যাঁদের এই হাসপাতালের জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল, তাঁদের অনেকেই এখনও কাজে যোগ দেননি। অ্যানাস্থেসিস্ট দু’জন পাওয়ার কথা থাকলেও যোগ দিয়েছেন একজন। নাক-কান-গলার একজন চিকিৎসক আসার কথা থাকলেও তিনি যোগ দেননি। ফলে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে রোগীদের। প্রসূতি বিভাগে তিনজন চিকিৎসক যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও এসেছেন দু’জন। তবে মেডিসিনের দু’জন চিকিৎসক দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা কাজে যোগ দিয়েছেন। শিশু বিশেষজ্ঞ তিন জন চিকিৎসকই যোগ দিয়েছেন কাজে। প্যাথলজিস্ট পাওয়া গিয়েছে। দু’জন চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকও এসেছেন।
শুধু চিকিৎসক নয়, সমস্যা রয়ে গিয়েছে অপারেশন থিয়েটারের পরিকাঠামো নিয়েও। অভাব রয়েছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের। ফলে এখনও সিজারিয়ান ডেলিভারি চালু করা যায়নি। অপারেশন থিয়েটার চালুর ক্ষেত্রে কর্মী প্রয়োজন। সেসবও এখনও পায়নি কর্তৃপক্ষ। ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক তথা হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত অঙ্কুর চক্রবর্তী বলেন, স্বাস্থ্যভবনের নির্দেশমতো কিছু চিকিৎসক যোগ দিয়েছেন। তবে এখনও কয়েকজন আসেননি। সরঞ্জামের ব্যাপারে রাজ্যকে জানানো হয়েছে। ওটি’র জন্য কর্মী দরকার। সবটাই উপর মহল জানে।
ব্লক হাসপাতাল থেকে মহকুমা হাসপাতালে উন্নীত হয়েছে ধূপগুড়িতে। কিন্তু বর্তমানে হাসপাতালের যে ভবন তাতে ১০০ বেড বসানোর মতো জায়গা নেই। নতুন ভবন হওয়ার কথা। যদিও তা কবে হবে জানে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিএমওএইচ বলেন, এখন সাকুল্যে ৮০টি বেড বসানো হয়েছে। হাসপাতালে নতুন ভবন তো অবশ্যই দরকার। ভবন হবে বলে শুনেছি। কিন্তু তা কী পর্যায়ে আছে বলতে পারব না। ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায় বলেন, হাসপাতালের নতুন ভবনের মাপজোখ হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি নিয়মিত তদ্বির চালিয়ে যাচ্ছি। দেখা যাক, নতুন বছরে কী হয়। তবে সম্প্রতি ধূপগুড়ি হাসপাতালে তৈরি হওয়া ব্লক পাবলিক হেল্থ ইউনিটের কারণে অনেকটা সুবিধা হবে বলে জানান বিএমওএইচ। বলেন, ওই ভবনে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে ল্যাব। ফলে আউটডোরে ডাক্তার দেখানোর জন্য এক জায়গা থেকেই রোগীরা যাবতীয় টেস্ট করাতে পারবেন।
শুধু চিকিৎসক নয়, সমস্যা রয়ে গিয়েছে অপারেশন থিয়েটারের পরিকাঠামো নিয়েও। অভাব রয়েছে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের। ফলে এখনও সিজারিয়ান ডেলিভারি চালু করা যায়নি। অপারেশন থিয়েটার চালুর ক্ষেত্রে কর্মী প্রয়োজন। সেসবও এখনও পায়নি কর্তৃপক্ষ। ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক তথা হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত অঙ্কুর চক্রবর্তী বলেন, স্বাস্থ্যভবনের নির্দেশমতো কিছু চিকিৎসক যোগ দিয়েছেন। তবে এখনও কয়েকজন আসেননি। সরঞ্জামের ব্যাপারে রাজ্যকে জানানো হয়েছে। ওটি’র জন্য কর্মী দরকার। সবটাই উপর মহল জানে।
ব্লক হাসপাতাল থেকে মহকুমা হাসপাতালে উন্নীত হয়েছে ধূপগুড়িতে। কিন্তু বর্তমানে হাসপাতালের যে ভবন তাতে ১০০ বেড বসানোর মতো জায়গা নেই। নতুন ভবন হওয়ার কথা। যদিও তা কবে হবে জানে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিএমওএইচ বলেন, এখন সাকুল্যে ৮০টি বেড বসানো হয়েছে। হাসপাতালে নতুন ভবন তো অবশ্যই দরকার। ভবন হবে বলে শুনেছি। কিন্তু তা কী পর্যায়ে আছে বলতে পারব না। ধূপগুড়ির বিধায়ক নির্মলচন্দ্র রায় বলেন, হাসপাতালের নতুন ভবনের মাপজোখ হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি নিয়মিত তদ্বির চালিয়ে যাচ্ছি। দেখা যাক, নতুন বছরে কী হয়। তবে সম্প্রতি ধূপগুড়ি হাসপাতালে তৈরি হওয়া ব্লক পাবলিক হেল্থ ইউনিটের কারণে অনেকটা সুবিধা হবে বলে জানান বিএমওএইচ। বলেন, ওই ভবনে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে ল্যাব। ফলে আউটডোরে ডাক্তার দেখানোর জন্য এক জায়গা থেকেই রোগীরা যাবতীয় টেস্ট করাতে পারবেন।



