সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: বাজারের গলি থেকে দোকানের পসরা সরিয়ে নিতে সাতদিনের সময় বেঁধে দিয়েছিল ব্যবসায়ী সমিতি। সোমবার সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে। কিন্তু বাজারের চেহারা বদলায়নি। বরং, সমিতির নির্দেশকে কর্ণপাত না করে ব্যবসায়ীদের একাংশ গলি দখল মুক্ত করেননি। এদের বিরুদ্ধে কড়া হাতে ময়দানে নামছে প্রশাসন।
Advertisement
ময়নাগুড়ি বাজারের বিভিন্ন অলিগলি দখল করে চলছে ব্যবসা। বর্তমান-এ খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠকে বসে ময়নাগুড়ি ব্যবসায়ী সমিতি। গত সপ্তাহে সাতদিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়। সেখানে জানিয়ে দেওয়া হয় দ্রুত বাজারের গলিতে থাকা পসরা সরিয়ে নিতে হবে। কিন্তু, হাল ফিরল না ময়নাগুড়ি বাজারের।
ব্লকের মধ্যে সবথেকে বড় গুরুত্বপূর্ণ বাজার ময়নাগুড়ি পুরাতন বাজার। শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত এই বাজার। ভিতরে রয়েছে ময়নাগুড়ি থানা। একদিকে ব্যবসায়ীরা বাজারের গলি দখল করে রেখেছে। তার উপর বাজারের প্রবেশ করছে টোটো সহ যানবাহন। বাজারে তৈরি হয়েছে অলিখিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড। এর থেকে পরিত্রাণ চায় ময়নাগুড়িবাসী। ময়নাগুড়ি বাজার অত্যন্ত ঘিঞ্জি। ফলে দুর্ঘটনা ঘটলে দমকল কিংবা অ্যাম্বুল্যান্স প্রবেশে সমস্যা দেখা দেবে।
ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুমিত সাহা বলেন, বাজারের পরিস্থিতির উপর নজর রেখে আমরা সাতদিন সময় দিয়েছিলাম। তবে বাজার যেমন ছিল, তেমনই রয়েছে। এখন প্রশাসন ময়দানে নামলে আমরা সমিতিগতভাবে প্রশাসনের সহযোগিতা করব।
নয় নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার গোবিন্দ পাল বলেন, ব্যবসায়ী সমিতি নির্দেশ দেওয়ার পরেও ব্যবসায়ীদের হুঁশ ফেরেনি। আমি পুলিস ও প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব। ইতিমধ্যে এই বিষয় নিয়ে পুরসভায় আলোচনা হয়েছে। আমরা ময়দানে নামতে চলেছি।
ব্লকের মধ্যে সবথেকে বড় গুরুত্বপূর্ণ বাজার ময়নাগুড়ি পুরাতন বাজার। শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত এই বাজার। ভিতরে রয়েছে ময়নাগুড়ি থানা। একদিকে ব্যবসায়ীরা বাজারের গলি দখল করে রেখেছে। তার উপর বাজারের প্রবেশ করছে টোটো সহ যানবাহন। বাজারে তৈরি হয়েছে অলিখিত ডাম্পিং গ্রাউন্ড। এর থেকে পরিত্রাণ চায় ময়নাগুড়িবাসী। ময়নাগুড়ি বাজার অত্যন্ত ঘিঞ্জি। ফলে দুর্ঘটনা ঘটলে দমকল কিংবা অ্যাম্বুল্যান্স প্রবেশে সমস্যা দেখা দেবে।
ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুমিত সাহা বলেন, বাজারের পরিস্থিতির উপর নজর রেখে আমরা সাতদিন সময় দিয়েছিলাম। তবে বাজার যেমন ছিল, তেমনই রয়েছে। এখন প্রশাসন ময়দানে নামলে আমরা সমিতিগতভাবে প্রশাসনের সহযোগিতা করব।
নয় নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার গোবিন্দ পাল বলেন, ব্যবসায়ী সমিতি নির্দেশ দেওয়ার পরেও ব্যবসায়ীদের হুঁশ ফেরেনি। আমি পুলিস ও প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব। ইতিমধ্যে এই বিষয় নিয়ে পুরসভায় আলোচনা হয়েছে। আমরা ময়দানে নামতে চলেছি।



